শেয়ারFacebookWhatsApp

মুনার শিশুর রক্তে সমস্যা হওয়ার কারণ কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: গর্ভাবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ গ্রহণের কারণেই মুনার শিশুর রক্তে সমস্যা পাওয়া যায়। গর্ভাবস্থায় ব্যথানাশক ঔষধ ভ্রূণের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এ সময় অ্যাসপিরিনের কারণে ভূণের রক্ত সংক্রান্ত সমস্যা সৃষ্টি হয়। স্ট্রেপটোমাইসিন নামক ওষুধের কারণে শিশু শ্রবণ প্রতিবন্ধী হতে পারে। টেট্রাসাইক্লিন ভূণের হাড়ের বর্ধন ব্যাহত করে। ম্যালেরিয়া চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত কুইনাইনের প্রভাবে শিশু শ্রবণ প্রতিবন্ধী হতে পারে। যেসব মায়েরা গর্ভাবস্থায় এবং প্রসবকালে অধিক পরিমাণে ঔষধ সেবন করেন তাদের সন্তান ভূমিষ্ঠ হবার পর কম ঔষধ সেবনকারী মায়ের সন্তান অপেক্ষা কম সক্রিয় থাকে। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ সময় শিশুর হূৎপিণ্ড ও অন্যান্য অঙ্গের গঠন শুরু হয়। ঔষধের প্রতিক্রিয়ায় এ সময় শিশুর অঙ্গের বিকাশ ব্যাহত হতে পারে। ১৯৬১ সালে জার্মানির কিছু ডাক্তার লক্ষ করেন যে, গর্ভাবস্থায় বমিভাব বন্ধের জন্য যে ঔষধ দেওয়া হতো তার মধ্যে থ্যালিডোমাইড নামক এক জাতীয় ঔষধিক উপাদান রয়েছে যা সেবনের ফলে ভ্রূণের চোখের ত্রুটি, তালু কাটা, ছোট কান, হাত ও পায়ের অনুপস্থিতি, আঙুল জোড়া লাগানো ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। যেহেতু গর্ভাবস্থায় যেকোনো ধরনের ঔষধের প্রভাব ভ্রূণের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গর্ভবতী মহিলাদের ঔষধ সেবন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।'

HSC Home Science 2nd Paper Chapter 2 : প্রজননতন্ত্র, মাতৃগর্ভে শিশুর বৃদ্ধি ও পারিপার্শ্বিক প্রভাব (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Home Science 2nd Paper · Chapter 2 : প্রজননতন্ত্র, মাতৃগর্ভে শিশুর বৃদ্ধি ও পারিপার্শ্বিক প্রভাব (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

মুনার শিশুর রক্তে সমস্যা হওয়ার কারণ কী? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

দুই বছর পূর্বে মুনার বিয়ে হয়। এ সময় সে গর্ভবতী হয়। গর্ভকালীন সময়ে পারিবারিক অশান্তির কারণে মুনার প্রায়ই মাথা ব্যথা। হতো। বিষয়টি স্বাভাবিক মনে করে সে ব্যথানাশক ঔষধ খেতে থাকে। পরবর্তী সময়ে প্রসবের পর তার সন্তানের রক্তে ত্রুটি পাওয়া যায়। ডাক্তার মুনাকে বলেন গর্ভকালীন সময়ে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিকভাবে ভালো থাকাও জরুরি।

উত্তর

হিমোফিলিয়া হলো রক্তক্ষরণীয় রোগ।

উত্তর

গর্ভকালীন চতুর্থ মাসে ভূণ লম্বায় ১৫-১৭ সে.মি. হয়, ওজন হয় ২৫ পাউন্ড। এ সময় প্লাসেন্টার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটে, আঙুল ও নখ গঠিত হয়। এ পর্যায়ে ভ্রূণের গতিশীলতা বাড়ে, ফলে মা ভ্রূণের নড়াচড়া বুঝতে পারেন।

উত্তর

গর্ভাবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ গ্রহণের কারণেই মুনার শিশুর রক্তে সমস্যা পাওয়া যায়। গর্ভাবস্থায় ব্যথানাশক ঔষধ ভ্রূণের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এ সময় অ্যাসপিরিনের কারণে ভূণের রক্ত সংক্রান্ত সমস্যা সৃষ্টি হয়। স্ট্রেপটোমাইসিন নামক ওষুধের কারণে শিশু শ্রবণ প্রতিবন্ধী হতে পারে। টেট্রাসাইক্লিন ভূণের হাড়ের বর্ধন ব্যাহত করে। ম্যালেরিয়া চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত কুইনাইনের প্রভাবে শিশু শ্রবণ প্রতিবন্ধী হতে পারে। যেসব মায়েরা গর্ভাবস্থায় এবং প্রসবকালে অধিক পরিমাণে ঔষধ সেবন করেন তাদের সন্তান ভূমিষ্ঠ হবার পর কম ঔষধ সেবনকারী মায়ের সন্তান অপেক্ষা কম সক্রিয় থাকে। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ সময় শিশুর হূৎপিণ্ড ও অন্যান্য অঙ্গের গঠন শুরু হয়। ঔষধের প্রতিক্রিয়ায় এ সময় শিশুর অঙ্গের বিকাশ ব্যাহত হতে পারে। ১৯৬১ সালে জার্মানির কিছু ডাক্তার লক্ষ করেন যে, গর্ভাবস্থায় বমিভাব বন্ধের জন্য যে ঔষধ দেওয়া হতো তার মধ্যে থ্যালিডোমাইড নামক এক জাতীয় ঔষধিক উপাদান রয়েছে যা সেবনের ফলে ভ্রূণের চোখের ত্রুটি, তালু কাটা, ছোট কান, হাত ও পায়ের অনুপস্থিতি, আঙুল জোড়া লাগানো ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। যেহেতু গর্ভাবস্থায় যেকোনো ধরনের ঔষধের প্রভাব ভ্রূণের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গর্ভবতী মহিলাদের ঔষধ সেবন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।'

উত্তর

ডাক্তার মুনাকে বলেন গর্ভকালীন সময়ে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিকভাবে ভালো থাকাও জরুরি। ডাক্তারের পরামর্শটি আমি যথার্থ বলে মনে করি। গর্ভবতী মায়ের মানসিক উত্তেজনা, অস্থিরতা ও চাঞ্চল্য ভ্রূণকে প্রভাবিত করে। গর্ভবতীর মানসিক চাপ গর্ভস্থ ভ্রূণের বিকাশকে ব্যাহত করে। মানসিক চাপের ফলে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির (\end{ocrine}glands) স্বাভাবিক ক্ষরণ ব্যাহত হয়। মায়ের উদ্বেগ জরায়ুর সংকোচনে বাধার সৃষ্টি করে। উদ্বেগের ফলে অনেক সময় মায়ের খাওয়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। এতে ভ্রূণের ওজন বৃদ্ধি পায়, ফলে প্রসবে কষ্ট হয়। মায়ের মানসিক দুশ্চিন্তার কারণে ভ্রূণ যদি অতিরিক্ত নড়াচড়া করে তবে ভূণের ওজন খুব কমে যায় এবং স্নায়ু এত দুর্বল হয় যে, জন্মের পর প্রথম কয়েকদিন পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানো নবজাতকের জন্য কষ্টকর হয়। যেসব মহিলা গর্ভাবস্থা মেনে নিতে পারে না তারা খুব দুশ্চিন্তায় ভোগে এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়। অন্যদিকে যারা গর্ভাবস্থাকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারে তাদের পারিবারিক সম্পর্ক ভালো ও স্বাভাবিক থাকে। সুতরাং, গর্ভকালীন সময়ে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মায়ের মানসিকভাবে সুস্থ থাকাও জরুরি।
HSCHome Science 2nd PaperChapter 2 : প্রজননতন্ত্র, মাতৃগর্ভে শিশুর বৃদ্ধি ও পারিপার্শ্বিক প্রভাব (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১ : আইরিনের বয়স ২৩ বছর। সে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। সে নিয়মিত সুষম খাবার খায় ও ডাক্তারের কাছে যায় পরিবারের সবাই তাকে নিয়ে আনন্দে আছে। দৃশ্যকল্প-২ : রোজিনার বয়স ১৬ বছর। সে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। কিন্তু দরিদ্রতার কারণে সে পুষ্টিকর খাবার খেতে পারে না। প্রায়ই স্বামীর সাথে তার মনোমালিন্য হয়।

Rajshahi · 2018

ক
বংশগতি কাকে বলে?
খ
ডাউন্স সিনড্রোম একটি বংশগত ত্রুটি— বুঝিয়ে লেখো।
গ
দৃশ্যকল্প-১ এর গর্ভস্থ শিশুর বর্ধন ব্যাখ্যা করো।
ঘ
দৃশ্যকল্প-১ ও ২ এর ক্ষেত্রে পারিপার্শ্বিক প্রভাবের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১ : আইরিনের বয়স ২৩ বছর। সে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। সে নিয়মিত সুষম খাবার খায় ও ডাক্তারের কাছে যায় পরিবারের সবাই তাকে নিয়ে আনন্দে আছে। দৃশ্যকল্প-২ : রোজিনার বয়স ১৬ বছর। সে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। কিন্তু দরিদ্রতার কারণে সে পুষ্টিকর খাবার খেতে পারে না। প্রায়ই স্বামীর সাথে তার মনোমালিন্য হয়।

Rajshahi · 2018

ক
বংশগতি কাকে বলে?
খ
ডাউন্স সিনড্রোম একটি বংশগত ত্রুটি— বুঝিয়ে লেখো।
গ
দৃশ্যকল্প-১ এর গর্ভস্থ শিশুর বর্ধন ব্যাখ্যা করো।
ঘ
দৃশ্যকল্প-১ ও ২ এর ক্ষেত্রে পারিপার্শ্বিক প্রভাবের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ডাউন্স সিনড্রোম একটি বংশগত ত্রুটি— বুঝিয়ে লেখো।

ডাউন্স সিনড্রোম একটি বংশগত ত্রুটি— বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বংশগতি কাকে বলে?

বংশগতি কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দুই বছর পূর্বে মুনার বিয়ে হয়। এ সময় সে গর্ভবতী হয়। গর্ভকালীন সময়ে পারিবারিক অশান্তির কারণে মুনার প্রায়ই মাথা ব্যথা। হতো। বিষয়টি স্বাভাবিক মনে করে সে ব্যথানাশক ঔষধ খেতে থাকে। পরবর্তী সময়ে প্রসবের পর তার সন্তানের রক্তে ত্রুটি পাওয়া যায়। ডাক্তার মুনাকে বলেন গর্ভকালীন সময়ে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিকভাবে ভালো থাকাও জরুরি।
ক
হিমোফিলিয়া কী?
খ
গর্ভকালীন চতুর্থ মাসে ভূণের বিকাশ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দাও।
গ
মুনার শিশুর রক্তে সমস্যা হওয়ার কারণ কী? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
ডাক্তারের মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.গর্ভকালীন চতুর্থ মাসে ভূণের বিকাশ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দাও।

গর্ভকালীন চতুর্থ মাসে ভূণের বিকাশ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিমোফিলিয়া কী?

হিমোফিলিয়া কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সোমা প্রথমবার গর্ভধারণ করেছে। বর্তমানে সে গর্ভকালীন তৃতীয় মাসে অবস্থান করছে। প্রথমবার গর্ভধারণ করায় সে খুবই উদ্বিগ্ন। কারণ সে জানে গর্ভধারণের পর থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত গর্ভের প্রতিকূল পরিবেশ ভূণের বিকাশকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।
ক
পুরুষ প্রজননতন্ত্র কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত?
খ
মায়ের মনোভাব গর্ভস্থ শিশুর ওপর কীরূপ প্রভাব ফেলে?
গ
সোমার গর্ভকালীন অবস্থানে গর্ভস্থ শিশুর বিকাশ ব্যাখ্যা করো।
ঘ
সোমার ধারণাটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সোমা প্রথমবার গর্ভধারণ করেছে। বর্তমানে সে গর্ভকালীন তৃতীয় মাসে অবস্থান করছে। প্রথমবার গর্ভধারণ করায় সে খুবই উদ্বিগ্ন। কারণ সে জানে গর্ভধারণের পর থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত গর্ভের প্রতিকূল পরিবেশ ভূণের বিকাশকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।
ক
পুরুষ প্রজননতন্ত্র কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত?
খ
মায়ের মনোভাব গর্ভস্থ শিশুর ওপর কীরূপ প্রভাব ফেলে?
গ
সোমার গর্ভকালীন অবস্থানে গর্ভস্থ শিশুর বিকাশ ব্যাখ্যা করো।
ঘ
সোমার ধারণাটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মায়ের মনোভাব গর্ভস্থ শিশুর ওপর কীরূপ প্রভাব ফেলে?

মায়ের মনোভাব গর্ভস্থ শিশুর ওপর কীরূপ প্রভাব ফেলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.পুরুষ প্রজননতন্ত্র কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত?

পুরুষ প্রজননতন্ত্র কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানব শিশুর জন্মগ্রহণ একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এ প্রক্রিয়াটি নারী দেহে সংঘটিত হয়। এ প্রক্রিয়ায় ডিম্বাণুকে নিষিক্তকরণের জন্য বেশ কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়।
ক
পূর্ণ গঠিত প্লাসেন্টার ওজন সাধারণত কত গ্রাম হয়?
খ
বায়ু দূষণের ফলে গর্ভস্থ ভ্রূণের কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে?
গ
উদ্দীপকে কোন বিশেষ প্রক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের উল্লিখিত প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার ধাপগুলো বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।