শেয়ারFacebookWhatsApp

রিমির অত্যাচারী স্বামীর ব্যবসার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রযোজ্য আইনের কার্যকারিতা বাংলাদেশের সাপেক্ষে মূল্যায়ন করো।

উত্তর: রিমির অত্যাচারী স্বামীর ব্যবসার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য '১৯৮৯ সালের মাদক নিরোধ অধ্যাদেশ' প্রযোজ্য হবে। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে এ অধ্যাদেশের ভিত্তিতে প্রণীত আইনের কার্যকারিতা রয়েছে। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন সরকার মাদকের ভয়াবহতা উপলব্ধি করে এবং সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণে তৎপর হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৮৬ সালের ২২ ডিসেম্বর মাদকদ্রব্য বিরোধী জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি প্রচলিত মাদকদ্রব্য আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং নতুন আইন প্রণয়নের ওপর গুরত্বারোপ করে সুপারিশ পেশ করে। ঐ কমিটির সুপারিশক্রমে ১৯৮৯ সালের ২০ জানুয়ারি জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ড প্রতিষ্ঠা ও এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ প্রণীত হয়। অধ্যাদেশ নিয়ে বিভক্তি থাকলেও ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন প্রবর্তনের ফলে তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। সীমিত আকারে হলেও এখনো এ আইন বাংলাদেশে বলবৎ রয়েছে। ফলে এ আইনের কার্যকারিতা এখনো মাদকের অপব্যবহার রোধের ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়। এ আইন মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার রোধ করে সমাজকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। এছাড়া আইনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের সাথে মাদকসত্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর ভিত্তিতে দেশে বেশ কিছু মাদক পুনর্বাসন ও চিকিৎসাকেন্দ্র চালু হয়েছে। মানুষ এ সমস্যায় আক্রান্তদের চিকিৎসায় আগের তুলনায় অনেক সচেতন হয়েছে। সেইসাথে আইনটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কাঠামো (যেমন- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ড) ও জনবল সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে মাদক পাচারের অন্যতম রুট গোল্ডেন ওয়েজের অন্তর্গত হওয়ায় বাংলাদেশে মাদকের সহজলভ্যতা আশংকাজনকভাবে বাড়ছে। এক্ষেত্রে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯০ এর প্রণয়ন যেহেতু বহুদিন আগে হয়েছে তাই এ আইনের সংস্কার করা এখন সময়ের দাবি। যদিও এ লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৭ এর খসড়া তৈরি করা হয়েছে। সার্বিক আলোচনা থেকে তাই বলা যায়, মাদক গ্রহণ, কেনা-বেচা এবং চোরাচালান রোধে প্রণীত '১৯৮৯ সালের মাদক নিরোধ অধ্যাদেশ' এর কার্যকারিতা রয়েছে। তবে সময়ের প্রেক্ষিতে আইনটির সংস্কার এবং এর কঠোর প্রয়োগ ঘটানো জরুরি।

HSC Social Work 2nd Paper Chapter 5: সামাজিক আইন এবং সমাজকর্ম CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Social Work 2nd Paper · Chapter 5: সামাজিক আইন এবং সমাজকর্ম · সৃজনশীল

রিমির অত্যাচারী স্বামীর ব্যবসার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে …

উদ্দীপক

বিয়ের পর অনেক আশা করে রিমি শ্বশুরবাড়ি এসেছিল। তার স্বামী গাঁজা আর ফেনসিডিল ব্যবসার সাথে জড়িত। প্রায়ই সে নেশাগ্রস্ত হয়ে রাতে এসে রিমির উপর ভীষণ অত্যাচার নির্যাতন চালায় ।

Dhaka · 2018

উত্তর

আইনানুযায়ী এ দেশের মেয়েদের বিবাহের সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর।

উত্তর

সমাজ থেকে অবাঞ্ছিত অবস্থা দূর করে সুন্দর, সুষ্ঠু ও উন্নত সমাজ গড়ে তোলার জন্য যে সকল আইন প্রণয়ন করা হয় সেগুলোই সামাজিক আইন ৷ নাগরিকের সামগ্রিক কল্যাণে রাষ্ট্র কর্তৃক নানা ধরনের আইন প্রণয়ন করা হয়। এ সকল আইন নাগরিকের অধিকার, দায়িত্ব ও কর্তব্যে পরিবর্তন আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এ আইনগুলোর মাঝে জনকল্যাণ সম্পর্কিত আইন হচ্ছে সামাজিক আইন। মূলত সমাজের স্বাভাবিক গতিধারাকে টিকিয়ে রাখার জন্য যে আইন প্রণয়ন করা হয় তাই সামাজিক আইন।

উত্তর

স্বামীর অত্যাচার ও নির্যাতনের সুবিচার পেতে রিমি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন-২০০৩ এর সাহায্য নিতে পারে। নারী নির্যাতন রোধ এবং অপরাধীকে কঠোর শাস্তি প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৮৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত আলাদা আলাদা অনেক আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালে প্রণীত মূল আইনের সংশোধনী এনে ১৩ জুলাই ২০০৩ সালে পাস করা হয় 'নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধনী) আইন-২০০৩'। এই আইনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ১২টি অনুচ্ছেদ ও উপ-অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হয়েছে এবং অপরাধের বিচার ও তদন্ত সম্পর্কিত ছয়টি নতুন ধারা সংযোজিত হয়েছে। উদ্দীপকের রিমির স্বামী মাদকাসক্ত এবং মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত । প্রায়ই নেশাগ্রস্ত হয়ে সে রিমিকে নির্যাতন করে। স্বামীর এই অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে সে 'নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধনী) আইন- ২০০৩' এর সাহায্য নিতে পারে। এ আইনে নারী নির্যাতন সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রত্যয়ের ( যেমন- অপরাধ, অপহরণ, আটক, ধর্ষণ, নবজাতক শিশু, যৌতুক প্রভৃতি) সংজ্ঞা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সেইসাথে এর প্রধান ধারাগুলোর মধ্যে আছে- ১. শিশুর বয়স নির্ধারণ- সংশোধিত আইনে শিশুর বয়সসীমা ১৪ বছর থেকে বাড়িয়ে ১৬ বছর করা হয়েছে; ২.দহনকারী পদার্থ দ্বারা সংঘটিত অপরাধের শাস্তি- যদি কোনো ব্যক্তি দহনকারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দিয়ে কোনো শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা ঘটানোর চেষ্টা করেন তাহলে তার মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড হবে। এছাড়া নির্যাতনের কারণে নারী বা শিশুর অঙ্গহানি ঘটলে বা শারীরিক, মানসিক বা অন্য কোনো ক্ষতি হলে সুনির্দিষ্ট শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে; ৩. মুক্তিপণ আদায় করার শাস্তি- মুক্তিপণ আদায় করার উদ্দেশ্যে যদি কোনো শিশু বা নারীকে আটক করা হয় তাহলে আটককারীর মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এমনকি অতিরিক্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে; ৪. নারী ও শিশু অপহরণ- পতিতাবৃত্তি বা নীতিবহির্ভূত কাজে নিয়োজিত করার লক্ষ্যে কোনো নারী ও শিশু পাচার করা হলে নিয়োজিত ব্যক্তির শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অন্যূন ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ড হবে; ৫. সম্ভ্রমহানিজনিত কারণে আত্মহত্যা- আইন অনুযায়ী সম্ভ্রমহানির পর কোনো নারী আত্মহত্যা করলে বা কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিলে অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১০ বছর অথবা নূন্যতম পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড হবে। তবে এ আইনের আরো কিছু ধারা রয়েছে যেগুলো রিমির মতো নির্যাতনের শিকার নারীদের সুবিচার পেতে সাহায্য করবে।

উত্তর

রিমির অত্যাচারী স্বামীর ব্যবসার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য '১৯৮৯ সালের মাদক নিরোধ অধ্যাদেশ' প্রযোজ্য হবে। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে এ অধ্যাদেশের ভিত্তিতে প্রণীত আইনের কার্যকারিতা রয়েছে। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন সরকার মাদকের ভয়াবহতা উপলব্ধি করে এবং সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণে তৎপর হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৮৬ সালের ২২ ডিসেম্বর মাদকদ্রব্য বিরোধী জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি প্রচলিত মাদকদ্রব্য আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং নতুন আইন প্রণয়নের ওপর গুরত্বারোপ করে সুপারিশ পেশ করে। ঐ কমিটির সুপারিশক্রমে ১৯৮৯ সালের ২০ জানুয়ারি জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ড প্রতিষ্ঠা ও এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ প্রণীত হয়। অধ্যাদেশ নিয়ে বিভক্তি থাকলেও ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন প্রবর্তনের ফলে তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। সীমিত আকারে হলেও এখনো এ আইন বাংলাদেশে বলবৎ রয়েছে। ফলে এ আইনের কার্যকারিতা এখনো মাদকের অপব্যবহার রোধের ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়। এ আইন মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার রোধ করে সমাজকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। এছাড়া আইনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের সাথে মাদকসত্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর ভিত্তিতে দেশে বেশ কিছু মাদক পুনর্বাসন ও চিকিৎসাকেন্দ্র চালু হয়েছে। মানুষ এ সমস্যায় আক্রান্তদের চিকিৎসায় আগের তুলনায় অনেক সচেতন হয়েছে। সেইসাথে আইনটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কাঠামো (যেমন- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ড) ও জনবল সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে মাদক পাচারের অন্যতম রুট গোল্ডেন ওয়েজের অন্তর্গত হওয়ায় বাংলাদেশে মাদকের সহজলভ্যতা আশংকাজনকভাবে বাড়ছে। এক্ষেত্রে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯০ এর প্রণয়ন যেহেতু বহুদিন আগে হয়েছে তাই এ আইনের সংস্কার করা এখন সময়ের দাবি। যদিও এ লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৭ এর খসড়া তৈরি করা হয়েছে। সার্বিক আলোচনা থেকে তাই বলা যায়, মাদক গ্রহণ, কেনা-বেচা এবং চোরাচালান রোধে প্রণীত '১৯৮৯ সালের মাদক নিরোধ অধ্যাদেশ' এর কার্যকারিতা রয়েছে। তবে সময়ের প্রেক্ষিতে আইনটির সংস্কার এবং এর কঠোর প্রয়োগ ঘটানো জরুরি।
HSCSocial Work 2nd PaperChapter 5: সামাজিক আইন এবং সমাজকর্ম
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

কাবিল মিয়া দুষ্ট প্রকৃতির লোক। অনাথ জরিনা বেগমকে বিয়ে করে। বিয়ের পর কারণে-অকারণে জরিনাকে মারপিট করে। একদিন সে জরিনাকে এক নারী পাচারকারী দালালের কাছে বিক্রি করে দেয়। জরিনার মামা বিষয়টি জানতে পেরে কাবিলের বিরুদ্ধে মামলা করে।

Chittagong · 2017

ক
বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন পাস হয় কত সালে?
খ
বাল্যবিবাহ বলতে কী বোঝ?
গ
উদ্দীপকে জরিনার মামা কোন আইনের মাধ্যমে কাবিলের বিচার চাইতে পারেন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় উক্ত আইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

কাবিল মিয়া দুষ্ট প্রকৃতির লোক। অনাথ জরিনা বেগমকে বিয়ে করে। বিয়ের পর কারণে-অকারণে জরিনাকে মারপিট করে। একদিন সে জরিনাকে এক নারী পাচারকারী দালালের কাছে বিক্রি করে দেয়। জরিনার মামা বিষয়টি জানতে পেরে কাবিলের বিরুদ্ধে মামলা করে।

Chittagong · 2017

ক
বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন পাস হয় কত সালে?
খ
বাল্যবিবাহ বলতে কী বোঝ?
গ
উদ্দীপকে জরিনার মামা কোন আইনের মাধ্যমে কাবিলের বিচার চাইতে পারেন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় উক্ত আইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাল্যবিবাহ বলতে কী বোঝ?

বাল্যবিবাহ বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন পাস হয় কত সালে?

বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন পাস হয় কত সালে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
আইন কাকে বলে?
খ
সামাজিক আইন কীভাবে সামাজিক সমস্যা প্রতিকার ও প্রতিরোধ করে?
গ
ছকে প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে 'মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯৬১' এর নাম লিখলে এ্যারো ছকগুলো হবে তার ধারা। একসময় মুসলমান সমাজে বহুবিবাহ, তালাক, ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার প্রভৃতি বিষয়ে বেশ অসামঞ্জস্য ছিল। এজন্য তৎকালীন পাকিস্তান সরকার (বর্তমান বাংলাদেশ) নারীর মর্যাদা রক্ষা, অধিকার আদায়, পরিবারের সুখ-শান্তি এবং শিশুদের উত্তরাধিকারিত্ব প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৬১ সালে 'মুসলিম পারিবারিক আইন' কার্যকর করে। ছকে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের চারটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা উল্লিখিত হয়েছে। এই আইন অনুসারে প্রতিটি বিবাহ রেজিস্ট্রি হতে হবে। বিবাহ রেজিস্ট্রির জন্য ইউনিয়ন কাউন্সিল এক বা একাধিক ব্যক্তিকে লাইসেন্স দেবে। এই ধারাটি বিবাহের আইনগত ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেছে। ছকে সালিশি কাউন্সিল গঠন সম্পর্কিত ধারাটি মূলত পারিবারিক নানা সমস্যা সমাধান ভূমিকা রাখে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এই সালিশি পরিষদ গঠিত হয়। এই পরিষদ খোরপোশ ও দেনমোহর আদায়ে সালিশি কার্যক্রম পরিচালনা করে। স্বামী তার স্ত্রীর প্রয়োজনমতো ভরণপোষণ দিতে না পারলে স্ত্রীর আবেদনের প্রেক্ষিতে সালিশি পরিষদ স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য টাকার পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেয়। আলোচ্য আইনের তালাক ও বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পর্কিত ধারাটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারা অনুসারে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জন্য স্বামীকে ইউনিয়ন বা পৌর চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত নোটিশ দিতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ৯০ দিনের পর তালাক কার্যকর হবে। ছকে ১৯৬১ মুসলিম সালের পারিবারিক আইনের এ ধারাগুলোই দেখানো হয়েছে।
ঘ
ছকে উল্লিখিত বিষয়গুলোই কি শুধুমাত্র ঐ আইনের ধারা নাকি আরো ধারা আছে? পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
আইন কাকে বলে?
খ
সামাজিক আইন কীভাবে সামাজিক সমস্যা প্রতিকার ও প্রতিরোধ করে?
গ
ছকে প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে 'মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯৬১' এর নাম লিখলে এ্যারো ছকগুলো হবে তার ধারা। একসময় মুসলমান সমাজে বহুবিবাহ, তালাক, ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার প্রভৃতি বিষয়ে বেশ অসামঞ্জস্য ছিল। এজন্য তৎকালীন পাকিস্তান সরকার (বর্তমান বাংলাদেশ) নারীর মর্যাদা রক্ষা, অধিকার আদায়, পরিবারের সুখ-শান্তি এবং শিশুদের উত্তরাধিকারিত্ব প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৬১ সালে 'মুসলিম পারিবারিক আইন' কার্যকর করে। ছকে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের চারটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা উল্লিখিত হয়েছে। এই আইন অনুসারে প্রতিটি বিবাহ রেজিস্ট্রি হতে হবে। বিবাহ রেজিস্ট্রির জন্য ইউনিয়ন কাউন্সিল এক বা একাধিক ব্যক্তিকে লাইসেন্স দেবে। এই ধারাটি বিবাহের আইনগত ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেছে। ছকে সালিশি কাউন্সিল গঠন সম্পর্কিত ধারাটি মূলত পারিবারিক নানা সমস্যা সমাধান ভূমিকা রাখে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এই সালিশি পরিষদ গঠিত হয়। এই পরিষদ খোরপোশ ও দেনমোহর আদায়ে সালিশি কার্যক্রম পরিচালনা করে। স্বামী তার স্ত্রীর প্রয়োজনমতো ভরণপোষণ দিতে না পারলে স্ত্রীর আবেদনের প্রেক্ষিতে সালিশি পরিষদ স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য টাকার পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেয়। আলোচ্য আইনের তালাক ও বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পর্কিত ধারাটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারা অনুসারে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জন্য স্বামীকে ইউনিয়ন বা পৌর চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত নোটিশ দিতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ৯০ দিনের পর তালাক কার্যকর হবে। ছকে ১৯৬১ মুসলিম সালের পারিবারিক আইনের এ ধারাগুলোই দেখানো হয়েছে।
ঘ
ছকে উল্লিখিত বিষয়গুলোই কি শুধুমাত্র ঐ আইনের ধারা নাকি আরো ধারা আছে? পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সামাজিক আইন কীভাবে সামাজিক সমস্যা প্রতিকার ও প্রতিরোধ করে?

সামাজিক আইন কীভাবে সামাজিক সমস্যা প্রতিকার ও প্রতিরোধ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আইন কাকে বলে?

আইন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শরিফার বাবা শরিফার বিবাহের পূর্বে তার হবু জামাতাকে একটি সাইকেল কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। দারিদ্র্যের কারণে তিনি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেননি। শরিফার স্বামী এজন্য শরিফাকে মাঝে মাঝে নির্যাতন করছে।

Rajshahi · 2018

ক
কিশোর আদালত কেন প্রতিষ্ঠা করা হয়?
খ
'আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণের নিয়ন্ত্রক'- বুঝিয়ে লিখ।
গ
শরিফার স্বামীর অপরাধ যে সামাজিক আইনের লঙ্ঘন তার পরিচয় দাও।
ঘ
বাংলাদেশে নারী নির্যাতন রোধে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটির ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শরিফার বাবা শরিফার বিবাহের পূর্বে তার হবু জামাতাকে একটি সাইকেল কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। দারিদ্র্যের কারণে তিনি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেননি। শরিফার স্বামী এজন্য শরিফাকে মাঝে মাঝে নির্যাতন করছে।

Rajshahi · 2018

ক
কিশোর আদালত কেন প্রতিষ্ঠা করা হয়?
খ
'আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণের নিয়ন্ত্রক'- বুঝিয়ে লিখ।
গ
শরিফার স্বামীর অপরাধ যে সামাজিক আইনের লঙ্ঘন তার পরিচয় দাও।
ঘ
বাংলাদেশে নারী নির্যাতন রোধে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটির ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণের নিয়ন্ত্রক'- বুঝিয়ে লিখ।

'আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণের নিয়ন্ত্রক'- বুঝিয়ে লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কিশোর আদালত কেন প্রতিষ্ঠা করা হয়?

কিশোর আদালত কেন প্রতিষ্ঠা করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় উক্ত আইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।উদ্দীপকে জরিনার মামা কোন আইনের মাধ্যমে কাবিলের বিচার চাইতে পারেন? ব্যাখ্যা করো।বাল্যবিবাহ বলতে কী বোঝ?বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন পাস হয় কত সালে?ছকে উল্লিখিত বিষয়গুলোই কি শুধুমাত্র ঐ আইনের ধারা নাকি আরো ধারা আছে? পাঠ্যপুস্তকেছকে প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে 'মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯৬১' এর নাম লিখলে এ্যারো ছসামাজিক আইন কীভাবে সামাজিক সমস্যা প্রতিকার ও প্রতিরোধ করে?আইন কাকে বলে?বাংলাদেশে নারী নির্যাতন রোধে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটির ভূমিকা মূল্যায়ন করো।শরিফার স্বামীর অপরাধ যে সামাজিক আইনের লঙ্ঘন তার পরিচয় দাও।'আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণের নিয়ন্ত্রক'- বুঝিয়ে লিখ।কিশোর আদালত কেন প্রতিষ্ঠা করা হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।