শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে কোন আইন সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে ১৯৭৪ সালের শিশু আইন সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এ কারণে শিশুদের সার্বিক কল্যাণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। আর এ জন্যই শিশু আইন প্রণয়ন করা দরকার। বাংলাদেশ সরকার বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করেই ১৯৭৪ সালে শিশু আইন প্রণয়ন করে। ১৯৭৪ সালের শিশু আইনের মাধ্যমে একটি শিশুর লালন-পালন, রক্ষণাবেক্ষণ ও তাদের সাথে ব্যবহার এবং শিশু অপরাধীদের বিচার ও শাস্তি সম্পর্কিত আইন নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৯৭৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় এবং ১৯৮০ সালের ১ জুন বাংলাদেশে আইনটি বলবৎ করা হয়। এ আইনের মাধ্যমে শিশুদের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এর পাশাপাশি শিশু অধিকারও রক্ষিত হচ্ছে। আমাদের দেশে একটি শিশুর সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণে এ আইনটির বিকল্প নেই। উদ্দীপকে উল্লেখিত আইনটি বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে প্রণয়ন করে। আইনটি শিশুদের লালন-পালন, রক্ষণাবেক্ষণ ও তাদের সাথে ব্যবহার এবং শিশু অপরাধীদের বিচার ও শাস্তি সম্পর্কিত বিষয়ের সাথে জড়িত। এ সকল বৈশিষ্ট্য শিশু আইন-১৯৭৪ এর সাথে সৃদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে শিশু আইন-১৯৭৪ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

HSC Social Work 2nd Paper Chapter 5: সামাজিক আইন এবং সমাজকর্ম CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Social Work 2nd Paper · Chapter 5: সামাজিক আইন এবং সমাজকর্ম · সৃজনশীল

উদ্দীপকে কোন আইন সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

শিশুদের অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ সরকার সচেষ্ট। এ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার একটি আইন প্রণয়ন করেন যা শিশুদের লালন-পালন, রক্ষণাবেক্ষণ ও তাদের সাথে ব্যবহার এবং শিশু অপরাধীদের বিচার ও শাস্তি সম্পর্কিত বিষয়ের সাথে জড়িত।

উত্তর

১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ প্রণীত হয়।

উত্তর

সমাজ থেকে অবাঞ্ছিত অবস্থা দূর করে সুন্দর, সুষ্ঠু ও উন্নত সমাজ গড়ে তোলার জন্য যে সকল আইন প্রণয়ন করা হয় সেগুলোই সামাজিক আইন। নাগরিকের কল্যাণে রাষ্ট্র কর্তৃক নানা ধরনের আইন প্রণয়ন করা হয়। এ সকল আইন নাগরিকের অধিকার, দায়িত্ব ও কর্তব্যে পরিবর্তন আনয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এ আইনগুলোর মাঝে জনকল্যাণ সম্পর্কিত আইন হচ্ছে সামাজিক আইন। মূলত সমাজের স্বাভাবিক গতিধারাকে টিকিয়ে রাখার জন্য যে আইন প্রণয়ন করা হয় তাই সামাজিক আইন।

উত্তর

উদ্দীপকে ১৯৭৪ সালের শিশু আইন সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এ কারণে শিশুদের সার্বিক কল্যাণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। আর এ জন্যই শিশু আইন প্রণয়ন করা দরকার। বাংলাদেশ সরকার বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করেই ১৯৭৪ সালে শিশু আইন প্রণয়ন করে। ১৯৭৪ সালের শিশু আইনের মাধ্যমে একটি শিশুর লালন-পালন, রক্ষণাবেক্ষণ ও তাদের সাথে ব্যবহার এবং শিশু অপরাধীদের বিচার ও শাস্তি সম্পর্কিত আইন নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৯৭৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় এবং ১৯৮০ সালের ১ জুন বাংলাদেশে আইনটি বলবৎ করা হয়। এ আইনের মাধ্যমে শিশুদের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এর পাশাপাশি শিশু অধিকারও রক্ষিত হচ্ছে। আমাদের দেশে একটি শিশুর সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণে এ আইনটির বিকল্প নেই। উদ্দীপকে উল্লেখিত আইনটি বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে প্রণয়ন করে। আইনটি শিশুদের লালন-পালন, রক্ষণাবেক্ষণ ও তাদের সাথে ব্যবহার এবং শিশু অপরাধীদের বিচার ও শাস্তি সম্পর্কিত বিষয়ের সাথে জড়িত। এ সকল বৈশিষ্ট্য শিশু আইন-১৯৭৪ এর সাথে সৃদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে শিশু আইন-১৯৭৪ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

উত্তর

আমাদের দেশে শিশু আইন-১৯৭৪ শিশুদের কল্যাণে একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। শিশুদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা প্রতিটি রাষ্ট্রেরই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। শিশুরা যেন যোগ্য মানুষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে সেজন্য রাষ্ট্রকেই সচেষ্ট থাকতে হয়। আর এ জন্য শিশুদের সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট আইন অত্যন্ত কার্যকর। বাংলাদেশের শিশু আইন-১৯৭৪ শিশুদের সার্বিক কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমাদের দেশের শিশুরা যেন সকল সমস্যা থেকে মুক্ত থাকে সে উদ্দেশ্যেই শিশু আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এই আইনে কোনো শিশুকে বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগ করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আবার কিশোর অপরাধীদের জন্য কিশোর আদালত ও হাজত স্থাপনের বিধান রাখা হয়েছে। যা মূলত কিশোর অপরাধীদের সংশোধনের উদ্দেশ্যেই কাজ করে। এ আইনে শিশু শ্রমকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শিশু শ্রমের জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া শিশু আইনে শিশুর রোগ নিরাময়, শাস্তিদান, জামিন প্রদান, সংশোধন ব্যবস্থা, মুক্তি প্রদানসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ফলে শিশুরা বৈষম্য থেকে বাঁচতে পারছে। তাদের রক্ষণাবেক্ষণ সুনিশ্চিত হচ্ছে। আর এভাবেই শিশু আইন শিশুদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তবে আইনের যথাযথ বাস্তবায়নে সরকারকে আরও উদ্যোগী হতে হবে। পরিশেষে বলা যায়, শিশু আইনের কার্যকারিতা সম্পর্কে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
HSCSocial Work 2nd PaperChapter 5: সামাজিক আইন এবং সমাজকর্ম
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

কাবিল মিয়া দুষ্ট প্রকৃতির লোক। অনাথ জরিনা বেগমকে বিয়ে করে। বিয়ের পর কারণে-অকারণে জরিনাকে মারপিট করে। একদিন সে জরিনাকে এক নারী পাচারকারী দালালের কাছে বিক্রি করে দেয়। জরিনার মামা বিষয়টি জানতে পেরে কাবিলের বিরুদ্ধে মামলা করে।

Chittagong · 2017

ক
বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন পাস হয় কত সালে?
খ
বাল্যবিবাহ বলতে কী বোঝ?
গ
উদ্দীপকে জরিনার মামা কোন আইনের মাধ্যমে কাবিলের বিচার চাইতে পারেন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় উক্ত আইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

কাবিল মিয়া দুষ্ট প্রকৃতির লোক। অনাথ জরিনা বেগমকে বিয়ে করে। বিয়ের পর কারণে-অকারণে জরিনাকে মারপিট করে। একদিন সে জরিনাকে এক নারী পাচারকারী দালালের কাছে বিক্রি করে দেয়। জরিনার মামা বিষয়টি জানতে পেরে কাবিলের বিরুদ্ধে মামলা করে।

Chittagong · 2017

ক
বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন পাস হয় কত সালে?
খ
বাল্যবিবাহ বলতে কী বোঝ?
গ
উদ্দীপকে জরিনার মামা কোন আইনের মাধ্যমে কাবিলের বিচার চাইতে পারেন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় উক্ত আইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাল্যবিবাহ বলতে কী বোঝ?

বাল্যবিবাহ বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন পাস হয় কত সালে?

বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন পাস হয় কত সালে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
আইন কাকে বলে?
খ
সামাজিক আইন কীভাবে সামাজিক সমস্যা প্রতিকার ও প্রতিরোধ করে?
গ
ছকে প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে 'মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯৬১' এর নাম লিখলে এ্যারো ছকগুলো হবে তার ধারা। একসময় মুসলমান সমাজে বহুবিবাহ, তালাক, ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার প্রভৃতি বিষয়ে বেশ অসামঞ্জস্য ছিল। এজন্য তৎকালীন পাকিস্তান সরকার (বর্তমান বাংলাদেশ) নারীর মর্যাদা রক্ষা, অধিকার আদায়, পরিবারের সুখ-শান্তি এবং শিশুদের উত্তরাধিকারিত্ব প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৬১ সালে 'মুসলিম পারিবারিক আইন' কার্যকর করে। ছকে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের চারটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা উল্লিখিত হয়েছে। এই আইন অনুসারে প্রতিটি বিবাহ রেজিস্ট্রি হতে হবে। বিবাহ রেজিস্ট্রির জন্য ইউনিয়ন কাউন্সিল এক বা একাধিক ব্যক্তিকে লাইসেন্স দেবে। এই ধারাটি বিবাহের আইনগত ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেছে। ছকে সালিশি কাউন্সিল গঠন সম্পর্কিত ধারাটি মূলত পারিবারিক নানা সমস্যা সমাধান ভূমিকা রাখে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এই সালিশি পরিষদ গঠিত হয়। এই পরিষদ খোরপোশ ও দেনমোহর আদায়ে সালিশি কার্যক্রম পরিচালনা করে। স্বামী তার স্ত্রীর প্রয়োজনমতো ভরণপোষণ দিতে না পারলে স্ত্রীর আবেদনের প্রেক্ষিতে সালিশি পরিষদ স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য টাকার পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেয়। আলোচ্য আইনের তালাক ও বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পর্কিত ধারাটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারা অনুসারে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জন্য স্বামীকে ইউনিয়ন বা পৌর চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত নোটিশ দিতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ৯০ দিনের পর তালাক কার্যকর হবে। ছকে ১৯৬১ মুসলিম সালের পারিবারিক আইনের এ ধারাগুলোই দেখানো হয়েছে।
ঘ
ছকে উল্লিখিত বিষয়গুলোই কি শুধুমাত্র ঐ আইনের ধারা নাকি আরো ধারা আছে? পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
আইন কাকে বলে?
খ
সামাজিক আইন কীভাবে সামাজিক সমস্যা প্রতিকার ও প্রতিরোধ করে?
গ
ছকে প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে 'মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯৬১' এর নাম লিখলে এ্যারো ছকগুলো হবে তার ধারা। একসময় মুসলমান সমাজে বহুবিবাহ, তালাক, ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার প্রভৃতি বিষয়ে বেশ অসামঞ্জস্য ছিল। এজন্য তৎকালীন পাকিস্তান সরকার (বর্তমান বাংলাদেশ) নারীর মর্যাদা রক্ষা, অধিকার আদায়, পরিবারের সুখ-শান্তি এবং শিশুদের উত্তরাধিকারিত্ব প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৬১ সালে 'মুসলিম পারিবারিক আইন' কার্যকর করে। ছকে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের চারটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা উল্লিখিত হয়েছে। এই আইন অনুসারে প্রতিটি বিবাহ রেজিস্ট্রি হতে হবে। বিবাহ রেজিস্ট্রির জন্য ইউনিয়ন কাউন্সিল এক বা একাধিক ব্যক্তিকে লাইসেন্স দেবে। এই ধারাটি বিবাহের আইনগত ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেছে। ছকে সালিশি কাউন্সিল গঠন সম্পর্কিত ধারাটি মূলত পারিবারিক নানা সমস্যা সমাধান ভূমিকা রাখে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এই সালিশি পরিষদ গঠিত হয়। এই পরিষদ খোরপোশ ও দেনমোহর আদায়ে সালিশি কার্যক্রম পরিচালনা করে। স্বামী তার স্ত্রীর প্রয়োজনমতো ভরণপোষণ দিতে না পারলে স্ত্রীর আবেদনের প্রেক্ষিতে সালিশি পরিষদ স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য টাকার পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেয়। আলোচ্য আইনের তালাক ও বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পর্কিত ধারাটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারা অনুসারে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জন্য স্বামীকে ইউনিয়ন বা পৌর চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত নোটিশ দিতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ৯০ দিনের পর তালাক কার্যকর হবে। ছকে ১৯৬১ মুসলিম সালের পারিবারিক আইনের এ ধারাগুলোই দেখানো হয়েছে।
ঘ
ছকে উল্লিখিত বিষয়গুলোই কি শুধুমাত্র ঐ আইনের ধারা নাকি আরো ধারা আছে? পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সামাজিক আইন কীভাবে সামাজিক সমস্যা প্রতিকার ও প্রতিরোধ করে?

সামাজিক আইন কীভাবে সামাজিক সমস্যা প্রতিকার ও প্রতিরোধ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আইন কাকে বলে?

আইন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শরিফার বাবা শরিফার বিবাহের পূর্বে তার হবু জামাতাকে একটি সাইকেল কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। দারিদ্র্যের কারণে তিনি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেননি। শরিফার স্বামী এজন্য শরিফাকে মাঝে মাঝে নির্যাতন করছে।

Rajshahi · 2018

ক
কিশোর আদালত কেন প্রতিষ্ঠা করা হয়?
খ
'আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণের নিয়ন্ত্রক'- বুঝিয়ে লিখ।
গ
শরিফার স্বামীর অপরাধ যে সামাজিক আইনের লঙ্ঘন তার পরিচয় দাও।
ঘ
বাংলাদেশে নারী নির্যাতন রোধে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটির ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শরিফার বাবা শরিফার বিবাহের পূর্বে তার হবু জামাতাকে একটি সাইকেল কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। দারিদ্র্যের কারণে তিনি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেননি। শরিফার স্বামী এজন্য শরিফাকে মাঝে মাঝে নির্যাতন করছে।

Rajshahi · 2018

ক
কিশোর আদালত কেন প্রতিষ্ঠা করা হয়?
খ
'আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণের নিয়ন্ত্রক'- বুঝিয়ে লিখ।
গ
শরিফার স্বামীর অপরাধ যে সামাজিক আইনের লঙ্ঘন তার পরিচয় দাও।
ঘ
বাংলাদেশে নারী নির্যাতন রোধে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটির ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণের নিয়ন্ত্রক'- বুঝিয়ে লিখ।

'আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণের নিয়ন্ত্রক'- বুঝিয়ে লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কিশোর আদালত কেন প্রতিষ্ঠা করা হয়?

কিশোর আদালত কেন প্রতিষ্ঠা করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় উক্ত আইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।উদ্দীপকে জরিনার মামা কোন আইনের মাধ্যমে কাবিলের বিচার চাইতে পারেন? ব্যাখ্যা করো।বাল্যবিবাহ বলতে কী বোঝ?বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন পাস হয় কত সালে?ছকে উল্লিখিত বিষয়গুলোই কি শুধুমাত্র ঐ আইনের ধারা নাকি আরো ধারা আছে? পাঠ্যপুস্তকেছকে প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে 'মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯৬১' এর নাম লিখলে এ্যারো ছসামাজিক আইন কীভাবে সামাজিক সমস্যা প্রতিকার ও প্রতিরোধ করে?আইন কাকে বলে?বাংলাদেশে নারী নির্যাতন রোধে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটির ভূমিকা মূল্যায়ন করো।শরিফার স্বামীর অপরাধ যে সামাজিক আইনের লঙ্ঘন তার পরিচয় দাও।'আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণের নিয়ন্ত্রক'- বুঝিয়ে লিখ।কিশোর আদালত কেন প্রতিষ্ঠা করা হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।