মহিন সাহেব কীভাবে বুনটের রূপান্তর করলেন বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকে মহিন সাহেবের জমিতে প্রতিবছর বালু জমা হয়ে জমির মাটি বেলে মাটিতে পরিণত হয়। ফলে তিনি ফসল চাষের উপযোগী করতে বেলে মাটিকে দোআঁশ মাটিতে রূপান্তর করেন। বেলে মাটিকে দোআঁশ মাটিতে নিম্নোক্তভাবে পরিবর্তন করা যায়- এঁটেল মাটি প্রয়োগ: এঁটেল মাটিতে এঁটেল কণা থাকে। এক্ষেত্রে বেলে মাটির উপরিস্তরে ৫ – ৭ সে. মি. পুরু করে এঁটেল মাটি প্রয়োগ করে ভালোভাবে বেলে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হয়। সবুজ সার প্রয়োগ: বেলে মাটিতে ধৈঞা বা অন্য কোনো শিমজাতীয় গাছ চাষ করে মাটিতে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। সবুজ সার প্রয়োগে বেলে মাটি দোআঁশ মাটিতে পরিণত হয়। খামারজাত সার প্রয়োগ: এক্ষেত্রে হেক্টর প্রতি ১০ থেকে ১৫ টন বা তার বেশি পরিমাণ খামারজাত সার প্রয়োগ করে জমিতে চাষ দিতে হয়। কেঁচো সার প্রয়োগ: জৈব দ্রব্য/গোবর/হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা ইত্যাদিতে কেঁচো সার ব্যবহার করে যে সার করা হয় তাকে কেঁচো সার বলে। বেলে মাটিতে হেক্টর প্রতি ১০-১৫ টন কেঁচো সার ব্যবহার করা যেতে পারে। জৈব সার প্রয়োগ: গোবর, কম্পোস্ট, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা ইত্যাদি জৈব সার হেক্টর প্রতি ১০-১৫ টন বা তার বেশি জৈব সার ব্যবহার করা যেতে পারে। অর্থাৎ আবুল হোসেন কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে উপরিউক্ত পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করে বেলে মাটিকে দোআঁশ মাটিতে রূপান্তর করেন। আর এই দোআঁশ মাটির জমিতে ধান ও পাট চাষে সাফল্য লাভ করেন।
HSC Agriculture 1st Paper Chapter 2 : ভূমি সম্পৃক্ত কৃষি প্রযুক্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Agriculture 1st Paper · Chapter 2 : ভূমি সম্পৃক্ত কৃষি প্রযুক্তি · সৃজনশীল
মহিন সাহেব কীভাবে বুনটের রূপান্তর করলেন বিশ্লেষণ করো।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
