উদ্দীপকের রমেশ বাবুর প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের প্রধান নীতিগুলোর মাধ্যমে কী আদর্শ মানুষ গড়ে তোলা সম্ভব? স্বপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর: হ্যাঁ, উদ্দীপকের রমেশ বাবুর প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের প্রধান নীতিগুলোর মাধ্যমে আদর্শ মানুষ গড়ে তোলা সম্ভব। ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র ১৮৮৮ সালে পাবনা জেলার হিমাইতপুর গ্রামে আবির্ভূত হন। তিনি 'সৎসঙ্গ' নামে একটি ধর্মীয় সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। সৎসঙ্গের আদর্শ হচ্ছে- ধর্ম কোনো অলৌকিক ব্যাপার নয় বরং বিজ্ঞানসিদ্ধ জীবনসূত্র। ভালোবাসাই মহামূল্য যা দিয়ে শান্তি কেনা যায়। এ সংঘের পাঁচটি মূলনীতি হচ্ছে- যজন, যাজন, ইষ্টভৃতি, স্বস্ত্যয়নী ও সদাচার। আর এ সংঘের মূল স্তম্ভ হিসেবে শিক্ষা, কৃষি, শিল্প ও সুবিবাহ নীতিগুলো অনুশীলিত হচ্ছে। এমনিভাবে ধর্ম ও বিজ্ঞানকে একত্রিত করে জীবন গঠনই সৎসঙ্গীদের আদর্শ। তাঁর রচিত ছড়া, বাণী, প্রার্থনা, গীত, সংকীর্তন গান এগুলো বিশেষ খ্যাতি লাভ করেছে। সৎসঙ্গ চায় আদর্শ মানুষ, আদর্শ গৃহী, আদর্শ ধর্মযাজক। সৎসঙ্গের আদর্শ বিভিন্ন ধর্মের ঐক্য প্রতিষ্ঠায় নন্দিত হচ্ছে। উদ্দীপকে রমেশ বাবু কিছু ভালো লোকদের নিয়ে আর একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। সংগঠনটি পাঁচটি মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। ধর্ম ও বিজ্ঞানকে একসাথে করে জীবন গঠন করা এ সংগঠনে কাজ। এসব বৈশিষ্ট্য ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের 'সৎসঙ্গ' সংগঠনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ 'সৎসঙ্গ' সংগঠনের মাধ্যমে আদর্শ মানুষ গড়ে তোলা সম্ভব। সুতরাং বলা যায়, রমেশ বাবুর প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের প্রধান নীতিগুলোর মাধ্যমে আদর্শ মানুষ গড়ে তোলা সম্ভব।
SSC হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা পাঠ্যসূচি বহির্ভূত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা · পাঠ্যসূচি বহির্ভূত · সৃজনশীল
উদ্দীপকের রমেশ বাবুর প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের প্রধান নীতিগুলোর মাধ্যমে কী…
উদ্দীপক
Comilla · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর