'বিধুর কর্মই হচ্ছে যোগ সাধনার ক্ষেত্রে কর্মযোগ'-মূল্যায়ন কর।
উত্তর: 'বিধুর কর্মই হচ্ছে যোগ সাধানার ক্ষেত্রে কর্মযোগ'- উক্তিটি যথার্থ। কর্ম দুই প্রকারের আছে। সকাম কর্ম ও নিষ্কাম কর্ম। নিষ্কাম কর্মে কর্তা কর্ম করেন কোনো প্রকার ফলের আশা না রেখে। ব্যক্তি মনে করেন কর্মের কর্তা আমি নই, কর্মকাণ্ড আমার নয়। নিষ্কাম কর্মের ফল কর্মকর্তাকে স্পর্শ করে না। নিষ্কাম কর্মই যোগসাধনার ক্ষেত্রে কর্মযোগ। সকাম কর্মে বন্ধন হয় আর নিষ্কাম কর্মে মোক্ষ লাভ হয়। কর্মকে যোগে পরিণত করে তা অনুশীলন করলে অভীষ্ট মোক্ষলাভ সম্ভব। জীবনের সর্বোচ্চ লক্ষ হচ্ছে মোক্ষলাভ। মোক্ষলাভ হলে জীবের আর পুনর্বার মানব শরীরে জন্মগ্রহণ করতে হয় না। নিষ্কাম কর্মে ফলাকাঙ্ক্ষা বর্জন করে কর্মফল ঈশ্বরে যুক্ত করা হয়। এতে মোক্ষ লাভ সম্ভব হয়। গীতায় শ্রীকৃষ্ণ মোক্ষলাভ সম্পর্কে বলেছেন। মোক্ষলাভ যুক্ত নিষ্কাম কর্ম ঈশ্বরের প্রিয়। নিষ্কাম কর্মকারী ব্যক্তির মোক্ষলাভ অর্জন হলে তার আর পুনর্জন্ম হয় না। উদ্দীপকে বিধু মনে করে বিশ্বজগৎ ঈশ্বরের বিরাট কর্মক্ষেত্র। শিক্ষার্থী হিসেবে লেখাপড়া করা হচ্ছে তার কর্তব্য। সে নিষ্ঠার সাথে লেখাপড়া করে কর্মফল ঈশ্বরকে সমর্পণ করেছে। যা নিষ্কাম কর্মের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং বলা যায়, বিধুর কর্মই হচ্ছে যোগ সাধনার ক্ষেত্রে কর্মযোগ।
SSC হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা পাঠ্যসূচি বহির্ভূত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা · পাঠ্যসূচি বহির্ভূত · সৃজনশীল
'বিধুর কর্মই হচ্ছে যোগ সাধনার ক্ষেত্রে কর্মযোগ'-মূল্যায়ন কর।
উদ্দীপক
Jessore · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর