'সুকোমল বাবুর কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মোক্ষপ্রাপ্তি সম্ভব।' -পাঠ্যের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: 'সুকোমল বাবুর কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মোক্ষপ্রাপ্তি সম্ভব'।- উক্তিটি যথার্থ। ভক্তিকে অবলম্বন করে যে ঈশ্বর আরাধনা তাকে ভক্তিযোগ বলে। ভক্তিকে অবলম্বন করে ভগবানের সঙ্গে যোগসূত্র রচনা করাই হচ্ছে ভক্তযোগ। ভক্তির অশেষ শক্তি, ভক্তিতেই মুক্তি। ভক্তি মানব হৃদয়ের একটি সুকুমার বৃত্তি। 'নারদীয় ভক্তিসূত্র'-এ বলা হয়েছে- ভগবানে ঐকান্তিক প্রেম বা ভালোবাসাকে ভক্তি বলে। ঈশ্বরের প্রতি প্রেমভাবকে ভক্তি বলে। 'শাণ্ডিল্য সূত্র'-এ ভক্তির লক্ষণ সম্বন্ধে বলা হয়েছে- ভগবানের পদে যে একান্ত রতি, তারই নাম ভক্তি। 'শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা'র দ্বাদশ অধ্যায়ের নাম ভক্তিযোগ। এর আগে কর্মজ্ঞানের কথা, ভগবানের বিভূতি ও বিশ্বরূপের পরিচয় পাওয়া গেছে। অর্জুন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ঈশ্বর, নির্গুণ ঈশ্বর সম্বন্ধে জেনেছেন। দ্বাদশ অধ্যায়ের শুরুতে অর্জুনের মনে প্রশ্ন জেগেছে- নির্গুণ নির্বিশেষে, অপরূপ ব্রহ্মের সাধনা আর ব্যক্ত ঈশ্বরকে সাকাররূপে আরাধনা করার মধ্যে কোনটি উত্তম পথ? উত্তরের ভগবান বলেছেন, সাধনার উভয় পথেই ক্লেশ আছে। তবে অব্যক্ত ব্রহ্মচিন্তার চেয়ে সগুণ মূর্তিমান সাকার ঈশ্বরের আরাধনা করা অপেক্ষাকৃত সহজ। ঈশ্বরকে যাঁরা সাকারে গুণময়রূপে আরাধনা করেন তাঁরাই মূলত ভক্তিপথের সাধক। ভক্তিকে অবলম্বন করে যিনি সাধনা করেন তিনিই ভক্ত। ভক্তিযোগে ভক্তের চিত্তে ভগবানের অশেষ করুণা ও সর্বশক্তিমত্তায় থাকে গভীর বিশ্বাস। এ বিশ্বাস অবলম্বন করে ভক্ত ভগবানকে একমাত্র আশ্রয়স্থল মনে করে। ভগবান একমাত্র গতি। এই অনুভূতি নিয়ে ভগবানে আত্মসমর্পণই ভক্তিযোগের প্রধান ভাব। সুতরাং বলা যায়, সুকোমল বাবুর ভক্তিযোগের মাধ্যমে মোক্ষপ্রাপ্তি সম্ভব।
SSC হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা পাঠ্যসূচি বহির্ভূত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা · পাঠ্যসূচি বহির্ভূত · সৃজনশীল
'সুকোমল বাবুর কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মোক্ষপ্রাপ্তি সম্ভব।' -পাঠ্যের আল…
উদ্দীপক
Mymensingh · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর