"ঈম্বর চিন্তায় মগ্ন থাকলেই ভোগাসক্তি ও কর্মফলাসক্তি ত্যাগ হয়”- সজল বাবুর ধারণা শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার আলোকে বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: "ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন থাকলেই ভোগাসক্তি ও কর্ম-ফলাসক্তি ত্যাগ হয়”- উক্তিটি যথার্থ। কারণ উদ্দীপকের সজল বাবুর ধারণা সন্ন্যাস আশ্রমের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। পবিত্র শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে, অনাশ্রিতঃ কর্মফলং কার্যং কর্ম করোতি যঃ। স সন্ন্যাসী চ যোগী চ ন নিরগ্নি চাক্রিয়ঃ ॥ (৬/১) অর্থাৎ, কর্মফলের বাসনা না করে যিনি কর্তব্যকর্ম করেন, তিনিই সন্ন্যাসী, তিনিই যোগী, শুধু গৃহাদি কর্ম বা শরীর ধারণের উপকরণ সংগ্রহে কর্মত্যাগই সন্ন্যাস নয়। গীতার এই চরণে বলা হয়েছে, কর্মফলের বাসনা না করে যিনি কর্তব্যকর্ম করেন তিনিই সন্ন্যাসী। বস্তুত কর্ম-ফলাসক্তি ও ভোগাসক্তি ত্যাগ না করে কর্ম করলে সেটি হয়ে যায় সকাম কর্ম। আর একজন ব্যক্তি কখনো সকাম কর্মের মাধ্যমে সন্ন্যাসী হতে পারেন না। তাই বলা যায়, সন্ন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে কর্ম-ফলাসক্তি ও ভোগাসক্তি ত্যাগ। পরিশেষে বলা যায়, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার চরণ ও উদ্দীপকের সজল বাবুর চিন্তা-ধারা একে অপরের পরিপূরক। সন্ন্যাস গ্রহণ করলে একজন মানুষ দেবতা হয়ে যায়। যেহেতু সন্ন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে কর্ম-ফলাসক্তি ও ভোগাসিক্ত ত্যাগ। আর ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন থাকার মাধ্যমে ভোগাসক্তি ও কর্ম-ফলাসক্তি ত্যাগ করা সম্ভব। তাই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সন্ন্যাস আশ্রমের ক্ষেত্রে যথার্থ।
SSC হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা পাঠ্যসূচি বহির্ভূত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা · পাঠ্যসূচি বহির্ভূত · সৃজনশীল
"ঈম্বর চিন্তায় মগ্ন থাকলেই ভোগাসক্তি ও কর্মফলাসক্তি ত্যাগ হয়”- সজল …
উদ্দীপক
Barisal · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর