শেয়ারFacebookWhatsApp

যে জাতি জীবনহারা অচল অসার, পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

উত্তর: ভাব-সম্প্রসারণ: প্রবহমানতাই নদীর ধর্ম। নদী যেখানে তার গতিধারা হারিয়ে ফেলে সেখানে শৈবালসহ নানা ধরনের লতাগুল্মের জন্ম হয়। তেমনি কোনো জাতি বা মানবজীবন যখন স্থবির হয়ে পড়ে নানারকম কু-সংস্কার/লোকাচার এসে জীবনের স্বাভাবিক গতিকে রুদ্ধ করে দেয়।। স্রোতই নদীকে প্রবহমানতা বা গতি দান করে। আর এই প্রবহমানতা বা বহতা শক্তির অভাবই নদীর মৃত্যু। সব জঞ্জাল, মালিন্য আর ক্লেদাক্ত আবর্জনা নদীর গতিধারায় ভেসে চলে যায়। গতিশীল নদীর জলরাশি সকল পঙ্কিল মলিন্যকে ধৌত করে উৎস থেকে সমুদ্রসঙ্গম পর্যন্ত বয়ে চলে। আর এ স্রোতধারার দুই পাশে নতুন নতুন সভ্যতার বিকাশ সম্ভব করে। কোনো কারণে তার গতি মন্দীভূত হয়ে পড়লে স্রোতধারা রুদ্ধ হয়ে গতি স্থির হয়ে যায়। তখন তার বুকে শৈবাল বা আবর্জনা বাসা বাঁধে। তেমনিভাবে মানবজীবনও নদীর মতো আপন গতিতে প্রবাহিত। কিন্তু ব্যক্তিগত, সমাজ বা রাষ্ট্র জীবনে যদি স্থবির হয়ে পড়ে তখন জীবন হয় বিপর্যস্ত, অচল-অসার। জীবন ও সমাজের স্বাভাবিক বিকাশধারা ব্যাহত হয়। তখন সেখানে সংকীর্ণ আচার-প্রথা ও সংস্কার তথা লোকাচার এসে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতির গতিপ্রবাহকে রুদ্ধ করে দেয়। পদে পদে শাস্ত্রের অনুশাসনে ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সফল সম্ভাবনার অপমৃত্যু ঘটায়। ফলে জাতিসত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়। এতে করে অনেক জাতির অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায়। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন বহু জাতি বিস্মৃতির অতল গর্ভে হারিয়ে গেছে। তাই ব্যক্তি বা জাতিসত্তাকে এরূপ বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজন জাতীয় সংস্কৃতির চর্চা, শিক্ষার প্রসার, মুক্তবুদ্ধির জাগরণ ঘটানো। কারণ এসবের চর্চার ফলে জাতীয় স্বকীয়তা উপলব্ধি, অশিক্ষা-কুশিক্ষা ও কুসংস্কাররূপী সামাজিক ব্যাধি ও লোকাচারের হাত থেকে জাতি রক্ষা পাবে। জীবন স্রোতহীন স্থির জলের মতো মন্থর নয় বরং বহমান। তাই ব্যক্তি, সমাজ তথা জাতীয় জীবনে সকল কুসংস্কার, জড়তা, হীনম্মন্যতা, অন্ধবিশ্বাসকে তুচ্ছ জ্ঞান করে সম্মুখে এগিয়ে যেতে হবে।

SSC বাংলা ২য় পত্র পরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ২য় পত্র · পরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ · সৃজনশীল

যে জাতি জীবনহারা অচল অসার, পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

উত্তর

ভাব-সম্প্রসারণ: প্রবহমানতাই নদীর ধর্ম। নদী যেখানে তার গতিধারা হারিয়ে ফেলে সেখানে শৈবালসহ নানা ধরনের লতাগুল্মের জন্ম হয়। তেমনি কোনো জাতি বা মানবজীবন যখন স্থবির হয়ে পড়ে নানারকম কু-সংস্কার/লোকাচার এসে জীবনের স্বাভাবিক গতিকে রুদ্ধ করে দেয়।। স্রোতই নদীকে প্রবহমানতা বা গতি দান করে। আর এই প্রবহমানতা বা বহতা শক্তির অভাবই নদীর মৃত্যু। সব জঞ্জাল, মালিন্য আর ক্লেদাক্ত আবর্জনা নদীর গতিধারায় ভেসে চলে যায়। গতিশীল নদীর জলরাশি সকল পঙ্কিল মলিন্যকে ধৌত করে উৎস থেকে সমুদ্রসঙ্গম পর্যন্ত বয়ে চলে। আর এ স্রোতধারার দুই পাশে নতুন নতুন সভ্যতার বিকাশ সম্ভব করে। কোনো কারণে তার গতি মন্দীভূত হয়ে পড়লে স্রোতধারা রুদ্ধ হয়ে গতি স্থির হয়ে যায়। তখন তার বুকে শৈবাল বা আবর্জনা বাসা বাঁধে। তেমনিভাবে মানবজীবনও নদীর মতো আপন গতিতে প্রবাহিত। কিন্তু ব্যক্তিগত, সমাজ বা রাষ্ট্র জীবনে যদি স্থবির হয়ে পড়ে তখন জীবন হয় বিপর্যস্ত, অচল-অসার। জীবন ও সমাজের স্বাভাবিক বিকাশধারা ব্যাহত হয়। তখন সেখানে সংকীর্ণ আচার-প্রথা ও সংস্কার তথা লোকাচার এসে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতির গতিপ্রবাহকে রুদ্ধ করে দেয়। পদে পদে শাস্ত্রের অনুশাসনে ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সফল সম্ভাবনার অপমৃত্যু ঘটায়। ফলে জাতিসত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়। এতে করে অনেক জাতির অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায়। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন বহু জাতি বিস্মৃতির অতল গর্ভে হারিয়ে গেছে। তাই ব্যক্তি বা জাতিসত্তাকে এরূপ বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজন জাতীয় সংস্কৃতির চর্চা, শিক্ষার প্রসার, মুক্তবুদ্ধির জাগরণ ঘটানো। কারণ এসবের চর্চার ফলে জাতীয় স্বকীয়তা উপলব্ধি, অশিক্ষা-কুশিক্ষা ও কুসংস্কাররূপী সামাজিক ব্যাধি ও লোকাচারের হাত থেকে জাতি রক্ষা পাবে। জীবন স্রোতহীন স্থির জলের মতো মন্থর নয় বরং বহমান। তাই ব্যক্তি, সমাজ তথা জাতীয় জীবনে সকল কুসংস্কার, জড়তা, হীনম্মন্যতা, অন্ধবিশ্বাসকে তুচ্ছ জ্ঞান করে সম্মুখে এগিয়ে যেতে হবে।
SSCবাংলা ২য় পত্রপরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।

(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।

(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।

(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।

(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে; যে জাতি জীবনহারা অচল অসাড় পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে; যে জাতি জীবনহারা অচল অসাড় পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেইযেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনে(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈব

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

যে জাতি জীবনহারা অচল অসার, পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার। | Prosthuti