শেয়ারFacebookWhatsApp

অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে তব ঘৃণা যেন তারে তৃণ সম দহে।

উত্তর: ভাব-সম্প্রসারণ: অন্যায়কারী এবং অন্যায়কে নতশিরে সহ্যকারী উভয়েই সমান অপরাধী। এ সমাজে কেউ নিজে অন্যায় না করলেই তার কর্তব্য শেষ হয়ে যায় না। আপ্রাণ চেষ্টা দ্বারা অন্যায়কে প্রতিহত করাই সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য। প্রত্যেক মানুষেরই অন্তরে ন্যায়বোধের অস্তিত্ব বিদ্যমান। তার বিবেকের শুভ্র বেদীতে ন্যায়ের আসন পাতা। জগতের সকল কাজেই তার বিবেক থেকে আসে অমোঘ নির্দেশ। মানুষকে সেই নির্দেশ পালন করতে হয়। কিন্তু ভীতি ও দুর্বলতার কারণে অনেক সময় মানুষ ন্যায়ের সেই অমোঘ নির্দেশ পালনে পশ্চাৎপদ হয়, সেই পবিত্র দায়িত্ব পালনে কুণ্ঠিত হয়। তাই মুষ্টিমেয় মানুষের অপরাধের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের রয়েছে অন্যায়কে মানিয়ে চলার মানসিকতা। এ মানসিকতায় কতখানি ক্ষমাশীলতা আর কতখানি ভীরুতা, কতখানি সহনশক্তি আর কতখানি পলায়নপরতা বিদ্যমান তা পরিমাপ করা দুঃসাধ্য। বস্তুত মানুষ শুধু তিতিক্ষা ও করুণাবশতই অন্যায়কারীকে ক্ষমা করে না; তার এ মানসিকতার পেছনে রয়েছে এক আত্ম পলায়নী মনোভাব। নিজেকে অপরাধীর সংশ্রব থেকে দূরে সরিয়ে রাখাকেই সে নিরাপদ বলে মনে করে। ন্যায়ের নির্দেশ পালনে এ অক্ষমতার অর্থ অন্যায়কে প্রশ্রয় দান। তেমনই অন্যায়কে ক্ষমা করা বা উপেক্ষা করাও অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া। এর ফলে অন্যায়কারীরা আরও অন্যায় করার সাহস পায় এবং তাতে পৃথিবী থেকে ন্যায়বোধ ধীরে ধীরে লোপ পায়। কাজেই অন্যায়কারী এবং যে অন্যায় সহ্য করে, তারা উভয়েই দোষী, উভয়েই শাস্তির যোগ্য। অন্যায় আচরণে কেউ কেউ নীরব উদাসীন দর্শকের ভূ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাতে প্রশ্রয় পেয়ে অন্যায়কারী হয়ে ওঠে দুর্বিনীত ও শক্তিশালী। কিন্তু ন্যায়ের রক্ষাকারী বিধাতা বেশিদিন তা সহ্য করেন না। তাঁর রুদ্রতেজে একদিন না একদিন অন্যায়কারী এবং অন্যায়ের প্রশ্রয়দাতা উভয়কে ভোগ করতে হয় কঠিন শাস্তি। সৃষ্টিকর্তা অন্যায়কারীকে যেমন ঘৃণা করেন, তেমনই অন্যায় সহ্যকারীকেও ঘৃণা করেন। তাই আমাদের অন্যায় কাজের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

SSC বাংলা ২য় পত্র পরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ২য় পত্র · পরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ · সৃজনশীল

অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে তব ঘৃণা যেন তারে তৃণ সম দহে।

উত্তর

ভাব-সম্প্রসারণ: অন্যায়কারী এবং অন্যায়কে নতশিরে সহ্যকারী উভয়েই সমান অপরাধী। এ সমাজে কেউ নিজে অন্যায় না করলেই তার কর্তব্য শেষ হয়ে যায় না। আপ্রাণ চেষ্টা দ্বারা অন্যায়কে প্রতিহত করাই সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য। প্রত্যেক মানুষেরই অন্তরে ন্যায়বোধের অস্তিত্ব বিদ্যমান। তার বিবেকের শুভ্র বেদীতে ন্যায়ের আসন পাতা। জগতের সকল কাজেই তার বিবেক থেকে আসে অমোঘ নির্দেশ। মানুষকে সেই নির্দেশ পালন করতে হয়। কিন্তু ভীতি ও দুর্বলতার কারণে অনেক সময় মানুষ ন্যায়ের সেই অমোঘ নির্দেশ পালনে পশ্চাৎপদ হয়, সেই পবিত্র দায়িত্ব পালনে কুণ্ঠিত হয়। তাই মুষ্টিমেয় মানুষের অপরাধের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের রয়েছে অন্যায়কে মানিয়ে চলার মানসিকতা। এ মানসিকতায় কতখানি ক্ষমাশীলতা আর কতখানি ভীরুতা, কতখানি সহনশক্তি আর কতখানি পলায়নপরতা বিদ্যমান তা পরিমাপ করা দুঃসাধ্য। বস্তুত মানুষ শুধু তিতিক্ষা ও করুণাবশতই অন্যায়কারীকে ক্ষমা করে না; তার এ মানসিকতার পেছনে রয়েছে এক আত্ম পলায়নী মনোভাব। নিজেকে অপরাধীর সংশ্রব থেকে দূরে সরিয়ে রাখাকেই সে নিরাপদ বলে মনে করে। ন্যায়ের নির্দেশ পালনে এ অক্ষমতার অর্থ অন্যায়কে প্রশ্রয় দান। তেমনই অন্যায়কে ক্ষমা করা বা উপেক্ষা করাও অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া। এর ফলে অন্যায়কারীরা আরও অন্যায় করার সাহস পায় এবং তাতে পৃথিবী থেকে ন্যায়বোধ ধীরে ধীরে লোপ পায়। কাজেই অন্যায়কারী এবং যে অন্যায় সহ্য করে, তারা উভয়েই দোষী, উভয়েই শাস্তির যোগ্য। অন্যায় আচরণে কেউ কেউ নীরব উদাসীন দর্শকের ভূ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাতে প্রশ্রয় পেয়ে অন্যায়কারী হয়ে ওঠে দুর্বিনীত ও শক্তিশালী। কিন্তু ন্যায়ের রক্ষাকারী বিধাতা বেশিদিন তা সহ্য করেন না। তাঁর রুদ্রতেজে একদিন না একদিন অন্যায়কারী এবং অন্যায়ের প্রশ্রয়দাতা উভয়কে ভোগ করতে হয় কঠিন শাস্তি। সৃষ্টিকর্তা অন্যায়কারীকে যেমন ঘৃণা করেন, তেমনই অন্যায় সহ্যকারীকেও ঘৃণা করেন। তাই আমাদের অন্যায় কাজের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
SSCবাংলা ২য় পত্রপরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।

(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।

(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।

(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।

(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে; যে জাতি জীবনহারা অচল অসাড় পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে; যে জাতি জীবনহারা অচল অসাড় পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেইযেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনে(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈব

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।