শেয়ারFacebookWhatsApp

মনে করো, তুমি অনন্যা চৌধুরী, দৈনিক সমকাল পত্রিকায় কুমিল্লা প্রতিনিধি। 'মাদকাসক্তির বিস্তার' বিষয়ক একটি সংবাদ প্রতিবেদন তৈরি করো।

উত্তর: মাদক ব্যবসা চলছে অবাধে নিজস্ব প্রতিবেদক। যশোর। ১৯ জুন ২০২৩। যশোর বাংলাদেশের একটি সীমান্তবর্তী জেলা শহর। সম্প্রতি এখানে চলছে অবাধে ফেনসিডিল ও মাদক ব্যবসা। মাদকসেবীরা ছিনতাই ও চুরিতে সর্বস্বান্ত করছে এলাকাবাসীকে। সাম্প্রতিক সময়ে যশোরের সর্বত্রই ফেনসিডিল, হেরোইন, গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্যের ব্যবসা অবাধে চলছে। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের যোগসাজশে প্রকাশ্য দিবালোকেই চলছে এ ব্যাবসা। এটি নিয়ন্ত্রণ করছে কয়েকজন গডফাদার। অনুসন্ধান করে জানা গেছে, জেলা শহরে উঠতি বয়সের তরুণদের একটি অংশ এ নেশার জগতে পা দিয়ে ধ্বংসের পথে ধাবিত হচ্ছে। অনেক অভিভাবক তাঁর মাদকাসক্ত সন্তানকে পুলিশের হাতেও তুলে দিতে কুণ্ঠাবোধ করছেন না। শহরের বারান্দিপাড়া খালধার রোড বস্তিতে প্রকাশ্যে পুলিশের নাকের ডগায় বিক্রি হয় গাঁজা ও হেরোইন। তাছাড়া শহরের দড়াটানা রোডের একটি বাড়িতে প্রতিদিন বসে হেরোইন বিক্রির বাজার। যশোর মণিহার সিনেমা হল এলাকায় ফেনসিডিল বিক্রির কথা সবার জানা থাকলেও এ কাজে বাধা দেওয়ার কেউ নেই। এখান থেকে গোটা দক্ষিণবক্তোর ফেনসিডিলের বাজারও নিয়ন্ত্রিত হয় বলে জানা গেছে। সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে জানা গেছে, বেনাপোল সীমান্ত এবং সাতক্ষীরা জেলার ভোমরা সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য দেশে অনুপ্রবেশ করে। এসব অবৈধ মাল প্রথমে সীমান্তবর্তী এলাকার কয়েকটি চিহ্নিত স্থানে গুদামজাত করা হয়, পরে সুযোগ বুঝে তা বাজারে ছাড়া হয়। মাঝে মাঝে কর্তৃপক্ষ লোক দেখানো কিছু অভিযান চালালেও এতে অপরাধ প্রবণতা কমছে না। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় মাঝে মাঝেই জেলার মাদক ব্যবসার পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। যশোর জেলায় বর্তমানে অস্বাভাবিকভাবে চাঁদাবাজি, ডাকাতি, চুরি ও অন্যান্য অপরাধ চরমভাবে বেড়েছে। এসব অপরাধের পশ্চাতে মূলত মাদকদ্রব্যই দায়ী। মাদকদ্রব্যে বা নেশার টাকা জোগাড় করতে অনেক ভালো পরিবারের সন্তানরাও চাঁদাবাজি, চৌর্যবৃত্তিতে লিপ্ত হচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, অবিলম্বে এ পরিস্থিতি যদি সামাল দেওয়া না যায়, তাহলে সামাজিক অবস্থার যে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটবে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

SSC বাংলা ২য় পত্র পরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ২য় পত্র · পরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ · সৃজনশীল

মনে করো, তুমি অনন্যা চৌধুরী, দৈনিক সমকাল পত্রিকায় কুমিল্লা প্রতিনিধি। 'মাদকাসক্তির বিস্তার' বিষয়ক একটি সংবাদ প্রতিবেদন তৈরি করো।

উত্তর

মাদক ব্যবসা চলছে অবাধে নিজস্ব প্রতিবেদক। যশোর। ১৯ জুন ২০২৩। যশোর বাংলাদেশের একটি সীমান্তবর্তী জেলা শহর। সম্প্রতি এখানে চলছে অবাধে ফেনসিডিল ও মাদক ব্যবসা। মাদকসেবীরা ছিনতাই ও চুরিতে সর্বস্বান্ত করছে এলাকাবাসীকে। সাম্প্রতিক সময়ে যশোরের সর্বত্রই ফেনসিডিল, হেরোইন, গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্যের ব্যবসা অবাধে চলছে। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের যোগসাজশে প্রকাশ্য দিবালোকেই চলছে এ ব্যাবসা। এটি নিয়ন্ত্রণ করছে কয়েকজন গডফাদার। অনুসন্ধান করে জানা গেছে, জেলা শহরে উঠতি বয়সের তরুণদের একটি অংশ এ নেশার জগতে পা দিয়ে ধ্বংসের পথে ধাবিত হচ্ছে। অনেক অভিভাবক তাঁর মাদকাসক্ত সন্তানকে পুলিশের হাতেও তুলে দিতে কুণ্ঠাবোধ করছেন না। শহরের বারান্দিপাড়া খালধার রোড বস্তিতে প্রকাশ্যে পুলিশের নাকের ডগায় বিক্রি হয় গাঁজা ও হেরোইন। তাছাড়া শহরের দড়াটানা রোডের একটি বাড়িতে প্রতিদিন বসে হেরোইন বিক্রির বাজার। যশোর মণিহার সিনেমা হল এলাকায় ফেনসিডিল বিক্রির কথা সবার জানা থাকলেও এ কাজে বাধা দেওয়ার কেউ নেই। এখান থেকে গোটা দক্ষিণবক্তোর ফেনসিডিলের বাজারও নিয়ন্ত্রিত হয় বলে জানা গেছে। সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে জানা গেছে, বেনাপোল সীমান্ত এবং সাতক্ষীরা জেলার ভোমরা সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য দেশে অনুপ্রবেশ করে। এসব অবৈধ মাল প্রথমে সীমান্তবর্তী এলাকার কয়েকটি চিহ্নিত স্থানে গুদামজাত করা হয়, পরে সুযোগ বুঝে তা বাজারে ছাড়া হয়। মাঝে মাঝে কর্তৃপক্ষ লোক দেখানো কিছু অভিযান চালালেও এতে অপরাধ প্রবণতা কমছে না। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় মাঝে মাঝেই জেলার মাদক ব্যবসার পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। যশোর জেলায় বর্তমানে অস্বাভাবিকভাবে চাঁদাবাজি, ডাকাতি, চুরি ও অন্যান্য অপরাধ চরমভাবে বেড়েছে। এসব অপরাধের পশ্চাতে মূলত মাদকদ্রব্যই দায়ী। মাদকদ্রব্যে বা নেশার টাকা জোগাড় করতে অনেক ভালো পরিবারের সন্তানরাও চাঁদাবাজি, চৌর্যবৃত্তিতে লিপ্ত হচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, অবিলম্বে এ পরিস্থিতি যদি সামাল দেওয়া না যায়, তাহলে সামাজিক অবস্থার যে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটবে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
SSCবাংলা ২য় পত্রপরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।

(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।

(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।

(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।

(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে; যে জাতি জীবনহারা অচল অসাড় পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে; যে জাতি জীবনহারা অচল অসাড় পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেইযেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনে(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈব

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।