দৃশ্যকল্প-১ এ নান্দনিক মূল্যবোধ ও দৃশ্যকল্প-২ এ তাত্ত্বিক মূল্যবোধের বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।
মানব আচরণের উপর নান্দনিক মূল্যবোধের প্রভাব রয়েছে। আমরা কাকে বন্ধু হিসেবে নির্বাচিত করবো, কাকে জীবন সঙ্গী করবো, এসব নান্দনিক মূল্যবোধের দ্বারা প্রভাবিত হয়। বিভিন্ন অঞ্চলভিত্তিক মানুষের নান্দনিক মূল্যবোধের পার্থক্য দেখা যায়। সাধারণত নিগ্রো ও শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এই মূল্যবোধের পার্থক্য রয়েছে। নান্দনিক মূল্যবোধের ব্যক্তিরা তাত্ত্বিক ব্যক্তিদের ঠিক বিপরীত মাত্রাভিত্তিক। সৌন্দর্য পিপাসু ব্যক্তিদের মতে, সৌন্দর্য চিরকালই আনন্দের এবং তারা তাদের আচরণে এটা প্রকাশ করে। একেক ব্যক্তির কাছে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা একেক রকম। এটা নির্ধারিত হয় ব্যক্তি, সমাজ, সামাজিকীকরণ ও ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব দ্বারা। অন্যদিকে তাত্ত্বিক মূল্যবোধের প্রভাবেই ব্যক্তি সমাজে সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার মূল্যবোধের বাস্তব প্রয়োগ করেন। সত্যকে উদঘাটন ও সৃজনশীল বিশ্বাসের মাধ্যমে নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করেন। তাত্ত্বিক মূল্যবোধের একজন ব্যক্তির মধ্যে আধিপত্য বিস্তৃতির আগ্রহ প্রকাশ করে। একজন তাত্ত্বিক ব্যক্তির জ্ঞান অভিজ্ঞতামূলক, সমালোচনামূলক এবং বিচার-বুদ্ধি সম্পন্ন হয়ে থাকে। আমাদের সমাজজীবনে বহু মানুষের সম্পর্কে পরিচিতি লাভ করি। যারা বাস্তব জ্ঞান দ্বারা পারিপার্শ্বিক পরিবেশ বা পরিস্থিতি সম্পর্কে বাস্তব ও যুক্তিযুক্ত ব্যাখ্যা দিয়ে থাকে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন ভাষাবিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী, পদার্থবিদ বা গণিতবিদ এর তাত্ত্বিক জ্ঞান ও ব্যাখ্যা বাস্তবধর্মী।