উদ্দীপকে উল্লেখিত সমস্যাটি হলো রুই মাছের সংখ্যা হ্রাস। এই সমস্যা সমাধানে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
১. প্রজনন ক্ষেত্র সংরক্ষণ : নদ-নদীগুলোকে নির্দিষ্ট করে মৎস্য অভয়াশ্রম তৈরি করে মাছের প্রজননের সুযোগ করে দিতে হবে।
২. মা মাছ ধরা বন্ধ করা: ডিমওয়ালা মাছ ধরা নিষিদ্ধ করতে হবে।
৩. কলকারখানার বর্জ্য: বর্জ্য যাতে নদীর পানিতে না মিশতে পারে সেই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
৪. সেচ নিয়ন্ত্রণ: সেচ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে যাতে জলাশয় শুকিয়ে না যায়।
৫. বাজার নিয়ন্ত্রণ : ৯ ইঞ্চির নিচে রুইমাছ যাতে বাজারে বিক্রি না হয় তা লক্ষ রাখতে হবে।
৬. নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি: নাব্যতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সব ঋতুতে পানি প্রবাহ ঠিক রাখতে হবে।
৭. জনসচেতনতা সৃষ্টি: সেমিনার, সভা, সিম্ফজিয়াম, ইলেকট্রনিক মিডিয়া, পেপার পত্রিকার মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। যাতে রুইমাছ বিলুপ্ত হয়ে না যায়।
৮. মৎস্য আইন: মৎস্য আইনের মাধ্যমে অপরাধীদের বিচার করতে হবে।
৯. হালদা নদী সংরক্ষণ: হালদা নদী সংরক্ষণের মাধ্যমেও রুই মাছ সংরক্ষণ করা যাবে।