উদ্দীপকের N হলো নিডোসাইট কোষ নিচে নিডোসাইট কোষটির বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করে গঠন ও কাজ ব্যাখ্যা করা হলো-
A চিহ্নিত অংশ = নিডোসিল; B চিহ্নিত অংশ বাট; C চিহ্নিত অংশ = প্যাঁচানো সূত্রক; D চিহ্নিত অংশ নেমাটোসিস্ট; E চিহ্নিত অংশ = নিউক্লিয়াস: চিহ্নিত অংশ = ল্যাসো; ৫ চিহ্নিত অংশ = অপারকুলাম।
নিডোসাইট কোষের গঠন:
১. আবরণ: প্রতিটি কোষ দ্বিস্তরী আবরণে আবৃত। স্তর দুটির মাঝখানে দানাদার সাইটোপ্লাজম এবং কোষের গোড়ার দিকে একটি নিউক্লিয়াস থাকে।
২. নেমাটোসিস্ট: নিডোসাইটের অভ্যন্তরে অবস্থিত কাইটিনের মতো পদার্থে নির্মিত 'আবরণে আবৃত ও সূত্রকযুক্ত একটি ক্যাপসুলের নাম নেমাটোসিস্ট। আদর্শ নিডোসাইটে ক্যাপসুলটি প্রোটিন ও ফেনল-এর সমন্বয়ে গঠিত বিষাক্ত তরল হিপনোটক্সিন-এ পূর্ণ থাকে। সূত্রকের চওড়া গোড়াটিকে বাট বা শ্যাফট বলে। এতে তিনটি বড় তীক্ষ্ণ কাঁটার মতো বার্ব এবং সর্পিল সারিতে বিন্যস্ত ক্ষুদ্রতর কাঁটার মতো অসংখ্য বার্বিওল দেখা যায়।
৩. অপারকুলাম: স্বাভাবিক অবস্থায় নেমাটোসিস্টের সূত্রক ও ক্যাপসুল যে ঢাকনা দিয়ে আবৃত থাকে তার নাম অপারকুলাম। উন্মুক্ত অবস্থায় এটি পাশে সরে যায়।
৪. নিডোসিল: নিডোসাইট কোষের মুক্ত প্রান্তের শক্ত, দৃঢ়, সংবেদনশীল কাঁটাটি নিডোসিল। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি রূপান্তরিত সিলিয়াম। নিডাসিল ট্রিগারের মতো। কাজ করে, ফলে অপারকুলাম সরে যায় এবং প্যাঁচানো সূত্রকটি বাইরে বেরিয়ে আসে।
৫. পেশিতন্তু ও ল্যাসো : কোষের সাইটোপ্লাজম ও নেমাটোসিস্টের প্রাচীরে সঙ্কোচনশীল কিছু পেশিতন্তু থাকে। এছাড়াও কোষের নিচের প্রান্তে ল্যাসো নামের প্যাঁচানো সূত্রক দেখা যায়।
নিডোসাইট কোষের কাজ :
আত্মরক্ষায় সহায্য করা; খাদ্য গ্রহণে সহায়তা করা; শিকার ধরতে সাহায্য করা; চলনে সাহায্য করা ইত্যাদি।