উদ্দীপকের প্রাণীটির যথাযথ সংরক্ষণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখা যায়-বিশ্লেষণ কর ।
উত্তর: উদ্দীপকের রুই মাছের যথাযথ সংরক্ষণের মাধ্যমে অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখা সম্ভব। রুই মাছ সংরক্ষণের পদক্ষেপ- ১. দেশের বিভিন্ন প্রজননক্ষেত্রগুলোর নদ-নদী প্লাবন ভূমির প্রাকৃতিক সঠিক সীমানা নির্ধারণ করে। এসব অঞ্চলকে মাছের অভয়ারণ্য ঘোষণা করা। এসব অভয়ারণ্যকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা এবং মাছের প্রজননের সময় (জুন-জুলাই) মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা। 2. পরিকল্পিত উপায়ে নদী বা উপকূলীয় বাঁধ বা সড়ক নির্মাণ করতে হবে। যাতে মাছের প্রজনন ও যাতায়াতের কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়। ৩. জলাশয় সংলগ্ন জমিতে কীটনাশক এবং রাসায়নিক সার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। কোনোভাবে যেন এসব দ্রব্যাদি পানিতে মিশতে না পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে। ৪. কলকারখানার নিক্ষিপ্ত বর্জ্য যাতে সরাসরি জলাশয়ে মিশে পানিকে দূষিত করতে না পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ৫. রুই জাতীয় মাছ চাষের গুরুত্ব, প্রজননক্ষম মাতৃ মাছের গুরুত্ব । মাছের জীবনচক্রু, মাছ সংরক্ষনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কিত জ্ঞান সাধারণ মানুষকে অবহিত করতে হবে। ৬. জাতির বৃহত্তর স্বার্থে মৎস্য সংক্রান্ত আইনের সঠিক প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করা এবং প্রয়োজনে আইন সংশোধন করতে হবে। অর্থনীতিতে অবদান : রুই মাছ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে অর্থনীতিতে অবদান আনা যায়। ১. বর্তমানে রুই মাছ একটি জনপ্রিয় মাছ। রুইমাছ রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হচ্ছে ২. রুইমাছের আঁইশ থেকে বিভিন্ন প্রকার সৌখিন দ্রব্য ও ঘর সাজানোর দ্রব্যাদি তৈরি করা হচ্ছে। ৩.এই রুই মাছের আঁইশ গুড়া করে পোল্ট্রি খাবার ও সার তৈরি হচ্ছে। যা বিক্রি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হচ্ছে। ৪. বড় বড় মাছের কাঁটা গুড়া করে গাছের জন্য সার তৈরি করা হচ্ছে। যা বিক্রি করে কর্মসংস্থানের জোগাড় হচ্ছে । যা বিভিন্নভাবে আমাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।
HSC Biology 2nd Paper Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি · সৃজনশীল
উদ্দীপকের প্রাণীটির যথাযথ সংরক্ষণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান …
উদ্দীপক
Rajshahi · 2021
উত্তর
উত্তর
উত্তর
রুইমাছের মেরুদণ্ডের নিচে এবং পৌষ্টিকনালির উপরে অবস্থিত পাতলা প্রাচীরবিশিষ্ট থলির নাম বায়ুথলি বা পটকা। এটি দেখতে চকচকে সাদা থলির মতো এবং বিভিন্ন ধরনের গ্যাসে (অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড) পূর্ণ থাকে । বায়ুথলিটি সম্মুখস্থ ছোট ও পেছনের বড় প্রকোষ্ঠে বিভক্ত। দুটি প্রকোষ্ঠের মাঝখানে একটি খাঁজ রয়েছে। সম্মুখ প্রকোষ্ঠ একটি সরু নল দিয়ে অন্ননালির সাথে যুক্ত থাকে । এ নলের নাম নিউম্যাটিক নালি। এটি অন্তঃকর্ণের ওয়েবেরিয়ান অসিকলের সাথে যুক্ত থাকে। বায়ুথলির বাইরের দিক ঘনসন্নিবিষ্ট রক্তজালক সমৃদ্ধ। এর প্রাচীর দুটি স্তর নিয়ে গঠিত । বাইরের যোজক টিস্যু দ্বারা গঠিত স্তর টিউনিকা এক্সটার্না এবং ভিতরে মসৃণ পেশি নির্মিত স্তর টিউনিকা ইন্টারনা। বায়ুথলির অন্তঃপ্রাচীরের এপিথেলিয়াম সংলগ্ন একটি লাল বর্ণের গ্যাস গ্রন্থি থাকে। গ্রন্থিতে ঘনসন্নিবিষ্ট অসংখ্য কৈশিকনালি দেখা যায় যাদের রেটিয়া মিরাবিলিয়া বলা হয় । সামনের প্রকোষ্ঠের এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত গ্যাস দ্বারা বায়ুথলি পূর্ণ হয়। কিন্তু পেছনের প্রকোষ্ঠে বিদ্যমান এ গ্রন্থি গ্যাস শোষণ করে।উত্তর