উদ্দীপকে ইন্টারস্টিসিয়াল কোষের কথা বলা হয়েছে।এই কোষটি হাইড্রার টটিপটেন্ট ক্ষমতার জন্য দায়ী।এই কোষটি প্রয়োজনে যে কোন কোষে রূপান্তরিত হয়ে বংশবৃদ্ধি ও অন্যান্য কাজে সাহায্যকরে। ।নিচে বিস্তারিত দেয়া হল:
ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ (Interstitial Cell) : পেশি-আবরণী কোষের অন্তর্মুখী সরু প্রান্তের ফাঁকে ফাঁকে, গুচ্ছাকারে, মেসোগ্লিয়া ঘেঁষে এসব কোষ অবস্থান করে । এগুলো গোল, ডিম্বাকার বা তিনকোণা, ৫um ব্যাস বিশিষ্ট এবং সুস্পষ্ট নিউক্লিয়াস, মসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা, রাইবোজোম ও কিছু মাইটোকন্ড্রিয়া যুক্ত ।
হাইড্রার প্রজনন প্রক্রিয়া ২ ধরনের। তথা মুকুলোদগম ও বিভাজন।উভয়ক্ষেত্রেই ইন্টারস্টিসিয়াল কোষ প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।
বিভাজন (Fission) : বিভাজন কোনো স্বাভাবিক জনন প্রক্রিয়া নয় কারণ এটি দৈবাৎ সংঘটিত হয়। কোন বাহ্যিক কারণে হাইড্রার দেহ দুই বা ততোধিক খণ্ডে বিভক্ত হলে প্রত্যেক ২০ থেকে নতুন হাইড্রা জন্মায়। একে পুনরুৎপত্তি (regeneration) বলে, কারণ এ প্রক্রিয়ায় দেহের হারানো বা বিনষ্ট অংশ পুনর্গঠিত হয়।অংশের ইন্টারস্টিশিয়াল কোষে অতিদ্রুত বিভক্ত ও রূপান্তরিত হয়ে বিভিন্ন কোষ সৃষ্টি করে। এসব কোষ দিয়ে দেহের এই বিভিন্ন অংশ গঠনের মাধ্যমে অপতা হাইড্রার বিকাশ ঘটে। সুতরাং হাইড্রার স্বাভাবিক মৃত্যু নেই। বিভাজন দুভাবে হতে পারে, যথা-অনুদৈর্ঘ্য বিভাজন ও অনুপ্রস্থ বিভাজন ।