উদ্দীপকের শেষ উক্তি মতে, বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে অর্থাৎ ট্রাকিয়ার উপস্থিতির কারণে প্রাণীদের শ্বসনতন্ত্র আমাদের থেকে ভিন্ন।
আমাদের দেহে ফুসফুস থাকে যা উদ্দীপকের প্রাণীর ট্রাকিয়া থেকে আলাদা। ফুসফুসের সাহায্যে আমাদের শ্বসনতন্ত্র শ্বাসরঞ্জকের মাধ্যমে সারা দেহেই O2 সরবরাহ করে। কিন্তু উল্লেখিত প্রাণী বা ধরে নেয়া যায় ঘাসফড়িং এর ট্রাকিয়ালতন্ত্র বিদ্যমান যার প্রধান শাসন অঙ্গ ট্রাকিয়া শ্বসন এ ভূমিকা রাখে। তবে এর কোন শ্বাস রঞ্জক থাকে না যার কারণে ঘাসফড়িং এর রক্ত শোষণে তেমন কোন ভূমিকা পালন করে না। ট্রাকিয়া আ্যট্রিয়াম থেকে উৎপন্ন হয়, যা সূক্ষ্ম শাখা প্রশাখা যুক্ত ও স্থিতিস্থাপক। বহিঃত্বকীয় ট্রাকি আর সারা দেহে জালিকাকারে বিস্তৃত।
মানবদেহের ট্রাকিয়া থাকলেও তা সারাদেশে বিস্তৃত নয়, শুধুমাত্র ফুসফুস পর্যন্ত বিস্তৃত। ঘাসফড়িং এ2 এবং CO2 বিনিময়ের ট্রাকিওল রস ভূমিকা রাখে। মানবদেহে হিমোগ্লোবিন যার লোহিত রক্ত কণিকা উপস্থিত O2 এবং CO2 বিনিময় কাজ করে।
উপরোক্ত ট্রাকিয়ার বৈশিষ্ট্যের কারণে উল্লিখিত প্রাণীটির শ্বসনতন্ত্র মানুষের থেকে ভিন্ন।র O