উদ্দীপকে X হলো রুই মাছ। নিচে প্রকৃতিতে রুই মাছের সংরক্ষণে গৃহীত উপায়সমূহ দেওয়া হলো:
রুই মাছ বহমান থানিতে ডিম পাড়ে বলে দেশের বিভিন্ন নদীগুলোতে যেন এ মাছ অবাধে প্রজনন করতে পারে তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এ মাছ প্রজননের জন্য নির্দিষ্ট নদীর নির্দিষ্ট স্থানে দলগতভাবে পরিযান করে। প্রজননকে নিরবিচ্ছিন্ন করতে পরিযানের এ পথকে পুল, কালভার্ট ও সেতু নির্মাণের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।
চট্টগ্রামের হালদা নদী রুই মাছের একটি অবাধ ও প্রাকৃতিক প্রজনন ভূমি ৷ এছাড়াও যমুনা নদীর আরিচা ঘাট সংলগ্ন এলাকা পদ্মা, আদি ব্রহ্মপুত্র, গড়াই ও মধুমতি নদীর কিছু অঞ্চলসহ টাঙ্গুয়ার, হাকালুকি ও চলনবিল রুইমাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র ৷
সারা দেশে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত পোনা ছড়িয়ে দেয়ার জন্য মৎস্য চাষীদের মধ্যে এ পোনা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
হালদা নদী ও অন্যান্য জলাশয়ে সরকারি তত্ত্বাধানে প্রণোদিত প্রজননের মাধ্যমে উৎপাদিত বিপুল সংখ্যক পোনা প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন নদ-নদীতে নিয়মিতভাবে অবমুক্ত করা হচ্ছে।
এছাড়া রুই মাছ সংরক্ষণের নিমিত্তে একে বদ্ধ জলাশয়ে চাষের জন্য মত্স্যচাষীকে নানাভাবে উদ্বুদ্ধ করা হয়ে থাকে এ ব্যাপারে সহযোগিতার জন্য ঋণ ও প্রশিক্ষণ প্রদানসহ নানা রকম সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হয়েছে।
রুই মাছের সর্বোচ্চ সহনীয় আহার নিশ্চিত করলে মৎস্য আইন যথাযথভাবে প্রয়োগের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।