X হতে Y অবস্থা প্রাপ্ত হওয়া একদিকে যেমন প্রয়োজনীয় তেমনি কিছু ক্ষেত্রে তা ক্ষতিরও কারণ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: পত্ররন্ধ্র বন্ধ অবস্থা থেকে খোলা অবস্থা প্রাপ্ত হওয়া একদিকে যেমন প্রয়োজনীয় তেমনি কিছু ক্ষেত্রে তা ক্ষতিকর। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- উপকারী দিক: উক্ত প্রক্রিয়ায় পত্ররন্দ্র খোলা ও বন্ধ হওয়ার মাধ্যমে পানি প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় বাষ্পায়িত হয়। ফলে অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম সঠিকভাবে চলতে পারে। পরোক্ষভাবে, এ প্রস্বেদন সালোকসংশ্লেষণে সাহায্য করে। সকল কোষে পানি ও খনিজ লবণের সরবরাহ নিশ্চিত হয় এ প্রক্রিয়ার জন্য। প্রস্বেদন গাছ এর তাপীয় সমতা বজায় রাখতে ও অভিস্রবণ প্রক্রিয়া চালু রাখতে ভূমিকা রাখে। ফলে খাদ্যরস উপরে উঠানো সহজ হয়। এছাড়াও খাদ্য পরিবহণ ও দৈহিক বৃদ্ধিতে প্রস্বেদনের ভূমিকা অনেক। অপকারী দিক : মাটিতে পানির অভাব দেখা দিলেই প্রস্বেদন উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। মাটিতে পানির অভাবের জন্যই হোক বা অন্য কোনো কারণেই হোক উদ্ভিদ মাটি হতে যে পরিমাণ পানি শোষণ করে তার অধিক পরিমাণ প্রস্বেদনে বের হয়ে গেলে তার অন্তঃচাপ কমে যায়; ফলে গাছটি নিস্তেজ হয়ে পড়ে (উইলটিং)। কয়েকদিনের জন্য এ অবস্থা চলতে থাকলে গাছটি মরে যায়। প্রস্বেদনের কারণে শোষিত পানির কিছুটা অপচয় হয়।
HSC Biology 1st Paper Chapter 9 : উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Biology 1st Paper · Chapter 9 : উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব · সৃজনশীল
X হতে Y অবস্থা প্রাপ্ত হওয়া একদিকে যেমন প্রয়োজনীয় তেমনি কিছু ক্ষেত্…
উদ্দীপক

ঢাকা কলেজ · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
অ্যানায়ন (ম্যালেট/R(COO-)2) রক্ষীকোষে সঞ্চিত থাকে, কিন্তু ক্যাটায়ন [প্রোটন (H+)] রক্ষীকোষ থেকে বেরিয়ে পার্শ্ববর্তী কোষে চলে যায়। এর ফলে রক্ষীকোষের ভেতর ঋণাত্মক আধানযুক্ত হয় এবং pH বেড়ে যায়। এ অবস্থা রক্ষীকোষকে আরো ম্যালিক অ্যাসিড সংশ্লেষণে উদ্বুদ্ধ করে। রক্ষীকোষের ভেতরে সৃষ্ট ঋণাত্মক আধানকে সমতাবিধান করার জন্য পার্শ্ববর্তী কোষ থেকে নিষ্ক্রিয়ভাবে K+ রক্ষীকোষের ভেতরে প্রবেশ করে এবং ম্যালেটের সাথে যুক্ত হয়ে পটাশিয়াম ম্যালেট [R(COOK)2] গঠন করে। এই পটাশিয়াম ম্যালেট যৌগ রক্ষীকোষের অভিস্রবণিক চাপ বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। এসময় রক্ষীকোষের রসস্ফীতি চাপ (TP) বেড়ে যায়। রক্ষীকোষের ভেতরের দিকের প্রাচীর অধিক পুরু এবং বাইরের দিকের প্রাচীর তুলনামূলক পাতলা হওয়ায় রসস্ফীতি চাপে রক্ষীকোষের বাইরের দিকে স্ফীত হয়ে ধনুকের মত বেঁকে যায় ফলে পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।
রাতের বেলা বিপরীতমুখী ঘটনা ঘটার কারণে রক্ষীকোষে ম্যালিক অ্যাসিড বৃদ্ধি পায়। ম্যালিক অ্যাসিড CO₂ ত্যাগ করে পাইরুভিক অ্যাসিডে পরিণত হয় যা কতগুলো ধারাবাহিক বিক্রিয়া শেষে অদ্রবণীয় শ্বেতসারে রূপান্তরিত হয়ে কোষে সঞ্চিত হতে থাকে। এর ফলে রক্ষীকোষের অভিস্রবণিক চাপ হ্রাস পেতে থাকে এবং পানি দ্রুত রক্ষীকোষ থেকে পার্শ্ববর্তী কোষসমূহে বের হয়ে আসে। এতে রক্ষীকোষ শিথিল হয়ে পত্ররন্ধ্রকে বন্ধ করে দেয়।
বিজ্ঞানী Noggle এবং Fritz(1976) প্রোটন প্রবাহ মতবাদের পক্ষে জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করে তা সমর্থন করেন।উত্তর