লেন্টিকুলার প্রস্বেদন বলতে কী বুঝ?
উত্তর: উদ্ভিদের সেকেন্ডারি বৃদ্ধির ফলে অনেক সময় কান্ডের কর্ক টিস্যুর স্থানে স্থানে ফেটে গিয়ে লেন্টিসেল এর সৃষ্টি হয়। লেন্টিসেল দিয়ে কিছু কিছু পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়। পানি যখন বাষ্পাকারে লেন্টিসেল পথে বেরিয়ে যায়, তখন তাকে লেন্টিকুলার প্রস্বেদন বলে। খুব কম পরিমাণ পানিই এ পথে বের হয়। লেন্টিসেল সবসময় খোলা থাকে, এজন্য দিবারাত্রি সমভাবে লেন্টিকুলার প্রস্বেদন চলতে থাকে। উদ্ভিদ প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় যে পরিমাণ পানি হারায় তার প্রায় ১% লেন্টিকুলার প্রস্বেদনের মাধ্যমে হয়ে থাকে।
HSC Biology 1st Paper Chapter 9 : উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Biology 1st Paper · Chapter 9 : উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব · সৃজনশীল
লেন্টিকুলার প্রস্বেদন বলতে কী বুঝ?
উদ্দীপক

শহিদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ, ঢাকা · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
অ্যানায়ন (ম্যালেট/R(COO-)2) রক্ষীকোষে সঞ্চিত থাকে, কিন্তু ক্যাটায়ন [প্রোটন (H+)] রক্ষীকোষ থেকে বেরিয়ে পার্শ্ববর্তী কোষে চলে যায়। এর ফলে রক্ষীকোষের ভেতর ঋণাত্মক আধানযুক্ত হয় এবং pH বেড়ে যায়। এ অবস্থা রক্ষীকোষকে আরো ম্যালিক অ্যাসিড সংশ্লেষণে উদ্বুদ্ধ করে। রক্ষীকোষের ভেতরে সৃষ্ট ঋণাত্মক আধানকে সমতাবিধান করার জন্য পার্শ্ববর্তী কোষ থেকে নিষ্ক্রিয়ভাবে K+ রক্ষীকোষের ভেতরে প্রবেশ করে এবং ম্যালেটের সাথে যুক্ত হয়ে পটাশিয়াম ম্যালেট [R(COOK)2] গঠন করে। এই পটাশিয়াম ম্যালেট যৌগ রক্ষীকোষের অভিস্রবণিক চাপ বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। এসময় রক্ষীকোষের রসস্ফীতি চাপ (TP) বেড়ে যায়। রক্ষীকোষের ভেতরের দিকের প্রাচীর অধিক পুরু এবং বাইরের দিকের প্রাচীর তুলনামূলক পাতলা হওয়ায় রসস্ফীতি চাপে রক্ষীকোষের বাইরের দিকে স্ফীত হয়ে ধনুকের মত বেঁকে যায় ফলে পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।
রাতের বেলা বিপরীতমুখী ঘটনা ঘটার কারণে রক্ষীকোষে ম্যালিক অ্যাসিড বৃদ্ধি পায়। ম্যালিক অ্যাসিড CO₂ ত্যাগ করে পাইরুভিক অ্যাসিডে পরিণত হয় যা কতগুলো ধারাবাহিক বিক্রিয়া শেষে অদ্রবণীয় শ্বেতসারে রূপান্তরিত হয়ে কোষে সঞ্চিত হতে থাকে। এর ফলে রক্ষীকোষের অভিস্রবণিক চাপ হ্রাস পেতে থাকে এবং পানি দ্রুত রক্ষীকোষ থেকে পার্শ্ববর্তী কোষসমূহে বের হয়ে আসে। এতে রক্ষীকোষ শিথিল হয়ে পত্ররন্ধ্রকে বন্ধ করে দেয়।
বিজ্ঞানী Noggle এবং Fritz(1976) প্রোটন প্রবাহ মতবাদের পক্ষে জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করে তা সমর্থন করেন।উত্তর