উদ্দীপকের দ্বিতীয় রন্ধ্রটির মাধ্যমে প্রস্বেদন হয় । পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধের কৌশল pH দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
বিজ্ঞানী স্যায়েরি এর মতবাদ অনুসারে, শ্বেতসার ও চিনির আন্তঃপরিবর্তন কোষ রসের pH এর জন্য ঘটে থাকে। রাত্রিতে সূর্যালোক না থাকায় সালোকসংশ্লেষণ বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু শ্বসন চলতে থাকে। শ্বসনের ফলে সৃষ্ট CO2 রক্ষীকোষের কোষরসে দ্রবীভূত হয়ে কার্বনিক অ্যাসিড সৃষ্টি করে, তাই pH কমে যায় (pHs)। কোষরসের pH কম হলে কোষস্থ দ্রবণীয় চিনি অদ্রবণীয় শ্বেতসারে পরিণত হয়। রক্ষীকোষে অদ্রবণীয় শ্বেতসার জমা হলে পানির বহিঃঅভিস্রবণ ঘটে, তাই রক্ষীকোষদ্বয় স্ফীতি হারিয়ে শিথিল হয়; ফলে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
দিনের বেলায় সূর্যালোকের কারণে আবার সালোকসংশ্লেষণ শুরু হয়, ফলে কোষরসে দ্রবীভূত CO2 ব্যবহৃত হয়ে যায় এবং pH বেড়ে যায় (pH)। কোষরসস্থ pH বেড়ে গেলে অদ্রবণীয় শ্বেতসারকে পুনরায় দ্রবণীয় চিনিতে পরিণত করে। ফলে অন্তঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ার পার্শ্ববর্তী কোষ হতে পানি রক্ষীকোষে প্রবেশ করে। তাই রক্ষীকোষ স্ফীত হয়, এবং পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।
অদ্রবণীয় শ্বেতসার + অজৈব ফসফেট=========== ফসফোরাইলেজ, আলো, pH7 / অন্ধকার, pH5 ===========দ্রবণীয় চিনি (গুকোজ ১-ফসফেট) ।
তাই বলা যায়, পত্ররন্ধ্রের খোলা ও বন্ধের কৌশল pH দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।