উদ্দীপকে Y এ ATP তৈরি হয়। এ প্রক্রিয়াটি প্রোটন-অ্যানায়ন কো-ট্রান্সপোর্ট মতবাদ অনুযায়ী হয়।এ প্রক্রিয়াটি ব্যাবহারযোগ্য শক্তি অর্থাৎ ATP উৎপাদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ মতবাদ অনুসারে, আয়ন নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক প্রোটিন বাহক দ্বারা বাহিত হয়ে বাইরের দ্রবণ থেকে কোষের ভেতরের দ্রবণে প্রবেশ করে। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রোটিন নির্দিষ্ট আয়নের বাহক হিসেবে কাজ করে।ধারণা করা হয় কোষঝিল্লির ভেতরের তলের দিকে ATP-ase এনজাইমের ক্রিয়ায় ATP ভেঙ্গে শক্তি নির্গত হয়।
ATP-এর রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে যে শক্তি বের হয়, সেই শক্তি দিয়ে জীবদেহের প্রতিটি জৈবনিক কাজ সম্পন্ন হয়। আমরা যে খাবার খাই তা জারিত হয়ে সেখান থেকে নির্গত শক্তি দ্বারা ফসফোরাইলেশনের মাধ্যমে আবার ATP তৈরি হয়। শক্তির প্রয়োজন হলে তা আবার ভাঙ্গে। ATP শক্তি জমা করে রাখে এবং প্রয়োজন অনুসারে অন্য বিক্রিয়ায় শক্তি সরবরাহ করে। এজন্য ATP-কে অনেক সময় জৈবমুদ্রা বা শক্তি মুদ্রা বলা হয়। উদ্ভিদ ফটোফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়ায় সূর্যশক্তির সাহায্যে ADP এর সাথে এক অণু ফসফেট সংযুক্ত হয়ে ATP তৈরি করে। এভাবে সৃষ্ট ATP ব্যবহার করে সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে থাকে। সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, ATP জীবজগতের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং এই ATP প্রোটন-অ্যানায়ন কো-ট্রান্সপোর্ট প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। সুতরাং এই প্রক্রিয়াটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ।