উদ্দীপকের শেষোক্ত উদ্ভিদ দুটি হলো ভুট্টা ও ইক্ষু যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় হ্যাচ ও স্ন্যাক (C4 চক্র) চক্রের মাধ্যমে শর্করা উৎপাদন করে। আবার প্রথম দুটি উদ্ভিদ হলো ধান ও কলা যা ক্যালভিন চক্রের (C3 চক্র) মাধ্যমে শর্করা উৎপন্ন করে। ভুট্টা ও ইক্ষু উদ্ভিদ দুটির শর্করা উৎপাদন ক্ষমতা ধান ও কলা উদ্ভিদের চাইতে বেশি । নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- C3. চক্রের উদ্ভিদে অধিক তাপমাত্রায় (৩০° সে. - ৪৫° সে.) সালোকসংশ্লেষণ ঘটতে পারে। C3 উদ্ভিদের CO2 গ্রহীতা ফসফোইনোল পাইরুভিক এসিড,C4 উদ্ভিদের CO₂ গ্রহীতা রাইবুলোজ ১, ৫-বিসফসফেট অপেক্ষা বেশি কার্যকরি। CO2 এর ঘনত্ব কম থাকলেও C4 গতিপথ সচল থাকে। C4 উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ ও প্রস্বেদন কম হয় বলে CO2 বিজারণ বেশি হয়। সালোকসংশ্লেষণের হারও বেশি। পাতায় ফ্রাঞ্জ অ্যানাটমি এর জন্য খাদ্য উৎপাদন ক্ষমতা বেশি। কাজেই দেখা যায়, উদ্ভিদে একই সাথে C4 চক্র এবং C3 চক্র উভয়ই দেখা যায়। বাণ্ডল সিথ কোষে CO2 এর অভাব হয় না। তাই কোনো ফটোরেসপিরেশন হয় না, ফলে কার্বন বিজারণ হার অধিক হওয়ায় C4 উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের হার বেশি এবং শর্করা উৎপাদন ক্ষমতাও বেশি হয়ে থাকে।