" উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র-P দ্বারা পত্ররন্ধ্রকে বুঝানো হয়েছে। নিচে পত্ররন্ধ্রের গঠন চিত্রসহ বর্ণনা করা হলো- উদ্ভিদের বায়বীয় অংশের অর্থাৎ পাতার উর্ধ্ব ও নিম্নত্বকে বিদ্যমান দুটি অর্ধচন্দ্রাকৃতির রক্ষীকোষ দিয়ে বেষ্টিত ও নিয়ন্ত্রিত বিশেষ ছিদ্রকে স্টোম্যাটা বা পত্ররন্ধ্র বলে। রক্ষীকোষের চারদিকে অবস্থিত কোষ সাধারণ ত্বকীয় কোষ থেকে একটু ভিন্ন যাদের সহকারী কোষ বলা হয়। পত্ররন্দ্রের নিচে একটি বড় বায়ুকুঠুরী থাকে যা শ্বাসকুঠুরী নামেও পরিচিত। পত্ররন্ধ্র খোলা বা বন্ধ হওয়া নির্ভর করে রক্ষীকোষদ্বয়ের উপর। রক্ষীকোষদ্বয়ের রন্ধ্র সংলগ্ন প্রাচীর বেশ পুরু কিন্তু বাইরের প্রাচীর বেশ পাতলা হয় এবং এদের মধ্যে একটি বড় নিউক্লিয়াস, ঘন সাইটোপ্লাজম ও বহু ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে। রক্ষীকোষে প্রচুর ক্লোরোপ্লাস্ট থাকায় এটি খাদ্য তৈরি করে।