উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হচ্ছে পত্ররন্ধ্র। পত্ররন্ধ্র উদ্ভিদের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া সংঘটনে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক। যেমন-
১। উদ্ভিদের ভেতর ও বাইরের পরিবেশের মধ্যে গ্যাসের আদান-প্রদান করাই এর কাজ।
২। সালোকসংশ্লেষণের সময় রন্ধ্রপথে বায়ু হতে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস গ্রহণ ও অক্সিজেন গ্যাস ত্যাগ করে।
৩। শ্বসনের সময় রন্ধ্রপথে বায়ু হতে অক্সিজেন গ্যাস গ্রহণ ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস ত্যাগ করে।
৪। মূল কর্তৃক সংগৃহীত পানি প্রস্বেদনের সাহায্যে বাষ্পাকারে বের করে দেয়াই এ রন্ধ্রের প্রধান কাজ।এর ফলে মাটি থেকে উদ্ভিদদেহে পানি ও খনিজ লবণ পৌঁছায়।
৫। রক্ষীকোষ পত্ররন্ধ্রের খোলা ও বন্ধ হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
৬। পত্ররেন্ধ্রর রক্ষীকোষ ক্লোরোপ্লাস্টে খাদ্য তৈরি করে।
কাজেই সালোকসংশ্লেষণ, শ্বসন ও প্রস্বেদন- এ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াতেই প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে পত্ররন্ধ্র অংশগ্রহণ করে থাকে।এগুলো সঠিকভাবে না চললে উদ্ভিদ সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে পারবে না এবং উদ্ভিদের মৃত্যু ঘটবে।সুতরাং বলা যায়,পত্ররন্ধ্র উদ্ভিদের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া সংঘটনে গুরুত্বপূর্ণভাবে সহয়তা করে।