উদ্দীপকের ড. আসিফের প্রযুক্তিটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে – বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকের ড. আসিফের প্রযুক্তিটি হলো জিনোম সিকোয়েন্সিং। বর্তমানে জিনোম সিকোয়েন্সিং বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। নিচে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জিনোম সিকোয়েন্সিং এর প্রয়োগ বিশ্লেষণ করা হলো- ১. জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রয়োগ করে বর্তমানে বিভিন্ন বংশগত রোগ নির্ণয় করে জিন থেরাপির মাধ্যমে এসব রোগের চিকিৎসা করা হচ্ছে। ২. জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তি প্রয়োগ করে বর্তমানে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন অণুজীবের জিনোম সিকোয়েন্সিং দ্বারা সুনির্দিষ্ট সংখ্যক জিন প্রয়োগ করে রোগবালাই ও রোগ প্রতিরোধী ফসলী উদ্ভিদ সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে। ৩. ফরেনসিক বিজ্ঞানে জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তি প্রয়োগ করে অপরাধী শনাক্তকরণ, পিতৃত্ব নির্ধারণে এবং স্বজন নির্ধারণে ব্যবহার করা হচ্ছে। ৪. অনেক ক্ষেত্রে মৃতদেহ শনাক্তকরণে জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রয়োগ করা হয়। ৫. ক্যান্সার গবেষণায় এবং তা নির্ণয়ে সবচেয়ে দ্রুত ও সফল ব্যবহার হচ্ছে জিনোম সিকোয়েন্সিং। ৬. বর্তমানে জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রজাতির মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে। ৭. বন্য জীবজন্তু যেমন- সিংহ, বাঘ, হাতি ইত্যাদি ভালো ব্যবস্থাপনা বিশেষ করে প্রজনন ক্ষেত্রে DNA সিকোয়েন্সিং কৌশল প্রয়োগ করা হচ্ছে। ৮. এছাড়া জৈব জ্বালানি উদ্ভাবন, ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণ, ইনসুলিন ও ইন্টারফেরন উৎপাদন ইত্যাদি গবেষনায় জিনোম সিকোয়েন্সিং সাফল্যের সাথে প্রয়োগ করা হচ্ছে।
HSC Biology 1st Paper Chapter 11: জীবপ্রযুক্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Biology 1st Paper · Chapter 11: জীবপ্রযুক্তি · সৃজনশীল
উদ্দীপকের ড. আসিফের প্রযুক্তিটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা…
উদ্দীপক
Jessore · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
৫. পোষক নির্বাচন ও রিকম্বিনেন্ট প্লাসমিড DNA পোষককোষে প্রবেশ করানো: রিকম্বিনেন্ট DNA অণুকে পরে কোনো পোষক ব্যাকটেরিয়ামে প্রবেশ করানো হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় কম ব্যাকটেরিয়া অন্য প্লাসমিড গ্রহণ করে না। ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ করে heat shock-এর মাধ্যমে বিশেষ পরিবেশ সৃষ্টি করলে প্লাসমিড গ্রহণ করতে পারে। প্লাসমিড গ্রহণ করল ঐ ব্যাকটেরিয়ামকে ট্রান্সফরম্ভ ব্যাকটেরিয়াম বলে। পরবর্তীতে ট্রান্সফরম্ভ ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে রিকম্বিনেন্ট প্লাসমিডটিও সংখ্যাবৃদ্ধি করে বলে একে ক্লোনিংও বলা হয়।DNA অনুপ্রবেশের অন্য একটি আধুনিক পদ্ধতি হলো Electroporation।
৬. রিকম্বিনেন্ট DNA-কে Agrobacterium-এ স্থানান্তর: রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরির সময় বাহক হিসেবে Ti প্লাসমিড ব্যবহার করে থাকলে ঐ DNA-কে Agrobacterium-এ স্থানান্তর করতে হয়।
৭. কাঙ্ক্ষিত উদ্ভিদকোষে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রবেশ করানো: কাঙ্ক্ষিত জিন সমৃদ্ধ কোনো কাঙ্ক্ষিত উদ্ভিদ সৃষ্টি করতে হলে কাঙ্ক্ষিত জিনকে কাঙ্ক্ষিত উদ্ভিদকোষ Agrobacterium tumefacians-এর মাধ্যমে বা অন্য পদ্ধতিতে স্থানান্তর করতে হবে এবং পরে টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় ঐ কোষ থেকে নতুন ও কাঙ্ক্ষিত জিনসহ নতুন প্রকৃতির উদ্ভিদ সৃষ্টি করা হয় এবং সংখ্যাবৃদ্ধি করা হয়। এরূপ উদ্ভিদকে ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ বলে।উত্তর