উদ্দীপকের 'Q [গণিত] এর কারনে মৃত ও বিকৃত ব্যক্তিদেরও শনাক্ত করা সম্ভব- বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকে DNA সিকোয়েন্সিং এর কথা বলা হয়েছে যার মাধ্যমে মৃত ব্যাক্তিও শনাক্তকরণ সম্ভব। DNA অণুর অনুদৈর্ঘ্যে ATGC বেসগুলো কোন অনুক্রমে (কোনটির পর কোনটি) সজ্জিত থাকে তা হলো জিনোম সিকোয়েন্স, আর এই সিকোয়েন্সটি (সাজানো পদ্ধতিটি) উদঘাট করাই হলো জিনোম সিকোয়েন্সিং বা DNA সিকোয়েন্সিং। কোনো নির্দিষ্ট প্রজাতির জিনোম সিকোয়েন্সিং-এর মাধ্যমে জানা যায় ঐ প্রজাতির DNA অণুতে অবস্থিত ATGC গুলো কোনটার পর কোনটার অবস্থান অর্থাৎ এদের অনুক্রম। DNA অণুর অনুদৈর্ঘ্যে সব অংশে ATGC একই অনুক্রমে অবস্থান করে না, কখনো কখনো একই সাথে পরপর একাধিক A বা একাধিক। থাকতে পারে। কোনো জীবের জীবনরহস্য জানার প্রথম ধাপ হলো জিনোম সিকোয়েন্সিং। জিনোম সিকোয়েন্সিং জানলেই জীবের সমস্ত জেনেটিক তথ্য জানা যায় না। সিকোয়েন্সিং এর পর জানা সহজ হয় কোথায় কোন জিনের অবস্থান, জিনের গঠন, জিনের পরিধি এবং কোন জিনের কি কাজ। কোনো জিনের অবস্থান, গঠন, পরিধি ও কাজ জানতে পারলেই ঐ জিনটিকে ব্যবহার করা যায়। ভিক্টিম বা অপরাধ সংঘটিত হবার স্থান থেকে আলামত সংগ্রহ করে জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়। এর পর সন্দেহভাজন তালিকা ধরে তাদের জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়। যার জিনোম সিকোয়েন্সিং এর সাথে আলামত থেকে নেয়া সিকোয়েন্সিং এর মিল হবে সেই প্রকৃত অপরাধী। অজ্ঞাত বা খুন হওয়া ব্যক্তির পরিচয় জানতে DNA সিকোয়েন্সিং পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশে মৃত অজ্ঞাত ব্যক্তির DNA সিকোয়েন্সিং করে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়ে থাকে। অনেক সময় সন্তানের পিতৃত্ব নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে সন্তানের জিনোম সিকোয়েন্সিং এর সাথে পিতৃত্ব দাবিকৃত ব্যক্তিদের জিনোম সিকোয়েন্সিং মিলিয়ে দেখা হয়। যার জিনোমের সাথে সন্তানের জিনোম সিকোয়েন্সিং মিল সম্পন্ন হবে, তিনিই হবেন সন্তানের প্রকৃত পিতা।
HSC Biology 1st Paper Chapter 11: জীবপ্রযুক্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Biology 1st Paper · Chapter 11: জীবপ্রযুক্তি · সৃজনশীল
উদ্দীপকের 'Q এর কারনে মৃত ও বিকৃত ব্যক্তিদেরও শনাক্ত করা সম্ভব- বি…
উদ্দীপক
সোনার বাংলা কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর