উদ্দীপকে উল্লেখিত ড. আহসানের প্রযুক্তিটি হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং রা রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি। চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নয়নে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
হরমোন উৎপাদনে: মানবদেহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমোন-ইনসুলিন জিন প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপন্ন করা হয়। এছাড়াও ভাইরাস ও ক্যান্সার প্রতিরোধী ইন্টারফেরনও একইভাবে উৎপন্ন করা হয়।
টিকা উৎপাদনে: রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন উৎপন্ন করা সম্ভব হয়েছে। এই পদ্ধতিতে স্বল্প খরচে অধিক পরিমাণে প্রতিষেধক তৈরি করা যায়।
বংশগতীয় রোগ নিরাময়: হিমোফিলিয়া, থ্যালাসেমিয়া, ইউরোকাইনেজ ইত্যাদি জিনঘটিত বংশগত রোগ নির্ণয় ও গর্ভাবস্থার শুরুতে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফেনিলকেটোনুরিয়া নিরাময় সম্ভব।
রোগ নির্ণয়ে: বিভিন্ন রোগ শনাক্তকরণের প্রচলিত পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে DNA প্রোব, মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ও এন্টেনেটাল ডায়াগোনোসিস সরাসরি ও কার্যকরভাবে রোগ শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
জিন থেরাপিতে: জিনঘটিত রোগসমূহ জিনের প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব। বর্তমানে বহু দুরারোগ্য রোগ জিন থেরাপির মাধ্যমে নিরাময়ের চেষ্টা চলছে।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিটি চিকিৎসা ক্ষেত্রে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।