উল্লেখিত পদ্ধতিটি দ্বারা রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
রিকম্বিনেন্ট DNA বর্তমান বিশ্বের একটি সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি।এটি কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন কাজে ব্যাবহার করা হয়।যেমন-
ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ তৈরিতে,ফসলের গুণগত মান উন্নয়নে,ভিটামিন A সমৃদ্ধ সুপার রাইস বা গোল্ডেন রাইস তৈরিতে,রোগ প্রতিরোধক্ষম জাত উদ্ভাবনে,নাইট্রোজেন সংবন্ধনে, দ্যুতিময় উদ্ভিদ সৃষ্টিতে, বীজহীন ফল সৃষ্টিতে, ভুট্টাকে খরা প্রতিরোধী করা, 'পীনাট' উদ্ভিদকে লবণাক্ততা সহিষ্ণু করা রিকম্বিনেন্ট DNA এর মাধ্যমেই করা হয়েছে।এছাড়াও চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটির সম্ভাবনা অনেক।যেমন- এটির মাধ্যমে ইন্টারফেরনস,ইনসুলিন তৈরি করা হয়,
টিস্যু প্লাসমিনোজেন অ্যাকটিভেটর তৈরি করা হয়,
ইরিথ্রোপোইটিন তৈরি করা হয়। কৃষি ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এর পাশাপাশি পরিবেশ ব্যবস্থাপনাও এটির ভূমিকা আছে।
এটি দ্বারা কলকারখানা ও খনি থেকে নির্গত বর্জ্য অপসারণ, সমুদ্রে নির্গত তেল পরিশোধন
পয়ঃবর্জ্য বা সিউয়েজ আত্তীকরণ ইত্যাদি করা হয়।
সুতরাং বলা যায়,কৃষিক্ষেত্রে,চিকিৎসাক্ষেত্রে ও পরিবেশ ব্যাবস্থাপনায় রিকম্বিনেন্ট DNA অনবদ্য সাফল্যের পদচিহ্ন রেখেছে।