উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তিটি হলো টিস্যু কালচার প্রযুক্তি। টিস্যু কালচার প্রযুক্তি নিম্নলিখিত বিভিন্নক্ষেত্রে অবদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাতে পারে-
i. রোগমুক্ত চারা তৈরি: টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রোগমুক্ত সতেজ চারা উৎপাদন করা যায়।
ii . বছরের সবসময় চারা উৎপাদন: একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বছরের সবসময়ই টিস্যু কালচারের মাধ্যমে উদ্ভিদ চারা উৎপাদন সম্ভব। কালচারের মাধ্যমে চারা তৈরি করা হলে উৎপন্ন চারা ভাইরাসমুক্ত
iii. ভাইরাসমুক্ত চারা তৈরি: উদ্ভিদের শীর্ষ মুকুল থেকে টিস্যু হয়ে থাকে।
iv. বিলুপ্ত উদ্ভিদকে সংরক্ষণ: যেসব উদ্ভিদ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে, টিস্যু কালচারের মাধ্যমে তাদেরকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব।
V. হোমোজাইগাস উদ্ভিদ সৃষ্টি: পরাগরেণু কালচার করে হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ তৈরির মাধ্যমে পরবর্তীতে অতি সহজেই হোমোজাইগাস ডিপ্লয়েড উদ্ভিদ তৈরি করা যায়।
vi. মাতৃ উদ্ভিদের সমগুণ সম্পন্ন উদ্ভিদ তৈরি: উদ্ভিদের কচি অঙ্গ বা দৈহিক কোষ থেকে টিস্যু কালচারের মাধ্যমে চারা তৈরি করা হয়। ফলে উৎপন্ন চারা মাতৃ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য পেয়ে থাকে।
উপরের আলোচনা হতে এটা স্পষ্ট যে, টিস্যু কালচার পদ্ধতি বাংলাদেশের কৃষিতে রোগমুক্ত চারা তৈরি, বছরের সবসময় চারা উৎপাদন, ভাইরাসমুক্ত চারা তৈরি, বিলুপ্ত উদ্ভিদ সংরক্ষণ, মাতৃ উদ্ভিদের সমগুণ সম্পন্ন উদ্ভিদ তৈরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে অবদান রেখে কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।