অপরাধী শনাক্তকরণে জিনোম সিকোয়েন্সিং-এর ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: অপরাধ সংঘটনের পর প্রকৃত অপরাধী শনাক্ত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ক্ষেত্রেই খুন বা ধর্ষণের মতো ঘটনায় প্রকৃত অপরাধী শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। এসব ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্যভাবে জিনোম সিকুয়েন্সিং ব্যবহার করে প্রকৃত অপরাধী শনাক্ত করা যায়। এখানে ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত রক্তের ফোটা, চুল, সিমেন (বির্যরস), শরীরের কোনো অংশের খসে পড়া কোষ পাওয়া গেলে তা থেকে প্রাপ্ত ডিএনএ ফিঙ্গার প্রিন্টের সাথে সম্ভাব্য অপরাধীর ফিঙ্গার প্রিন্ট (জিনোম সিকুয়েন্স) মিলিয়ে দেখে সহজেই অপরাধী শনাক্ত করা যায়।
HSC Biology 1st Paper Chapter 11: জীবপ্রযুক্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Biology 1st Paper · Chapter 11: জীবপ্রযুক্তি · সৃজনশীল
অপরাধী শনাক্তকরণে জিনোম সিকোয়েন্সিং-এর ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক
হলিক্রস কলেজ · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর

উত্তর