উদ্দীপকের-২ সক্রিয় পরিশোষণ। বিপাকীয় শক্তির প্রত্যক্ষ প্রয়োগ হয়। আধুনিক ধারণার মতবাদটি প্রোটন অ্যানায়ন কো-ট্রান্সপোর্ট।
প্রোটন -অ্যানায়ন কো ট্রান্সপোর্টঃ আধুনিক ধারনায়, কোষঝিল্লির উভয় দিকে একটি তড়িৎ রাসায়নিক নতিমাত্রা (Electrochemical gradient) সৃষ্টির মাধ্যমে আয়নগুলো কোষের ভিতরে স্থানান্তরিত হয়।
এ আধুনিক মতবাদ অনুসারে, আয়ন নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক প্রোটিন বাহক দ্বারা বাহিত হয়ে বাইরের দ্রবণ কোষের ভিতরের দ্রবণে প্রবেশ করে। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রোটিন নির্দিষ্ট আয়নের বাহক হিসেবে কাজ করে।
ধারণা করা হয় কোষঝিল্লীর ভেতরের তলের দিকে ATP -ase এনজাইমের ক্রিয়ায় ATP ভেঙ্গে শক্তি নির্গত হয় যার প্রভাবে প্রোটন (H+) কোষের বাইরে নিক্ষিপ্ত হয়। একে প্রোটন পাম্প বলে।
প্রোটন পাম্পের কারণে কোষের বাইরের সাথে ভেতরের দিকে pH gradient (বাইরে pH কম) এবং potential gradient ( বাইরে +ve চার্জ বেশি, কোষের ভিতরে +ve চার্জ কম) তৈরি হয় যাকে Electrochemical potential gradient বা Proton motive force বলে।
কোষ পর্দার অভ্যন্তরে Proton motive force তৈরি হলেই বাহক প্রোটিন গুলো সক্রিয় হয় এবং ক্যাটায়নগুলোকে বহন করে বাইরের দ্রবণ থেকে কোষের ভেতরে নিয়ে আসে। প্রোটিনও বাইরের থেকে ভেতরে ঢুকতে চায়, আর সে সময় অ্যানায়নগুলো প্রোটিনের সাথে (প্রোটন ও অ্যানায়ন একসঙ্গে প্রোটিন বাহকের মাধ্যমে কোষাভ্যন্তরে প্রবেশ করে। এজন্য একে প্রোটন-অ্যানায়ন কো-ট্রান্সপোর্ট বলা হয়।