উদ্দীপকে বর্ণিত মডেলে দৃশ্যমান অবস্থার ক্রিয়াকলাপটি হলো ক্রসিং ওভার। মিয়োসিস কোষ বিভাজনের ক্রসিং ওভার জীবকুলে বৈচিত্র্য আনয়ন করে।
জীবজগতে এর গুরুত্ব অপরিসীম. কিছু সংখ্যক নিম্নশ্রেণির জীব ছাড়া সব উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে ক্রসিং ওভার ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হয়। ক্রসিং ওভারের ফলে দুটি ক্রোমাটিডের মধ্যে অংশের বিনিময় ঘটে, ফলে জিনগত পরিবর্তন সাধিত হয়। জিনগত পরিবর্তন সাধনের ফলে সৃষ্ট জীবে বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তন সাধিত হয় ।বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্টিকুলে আসে বৈচিত্র্য, সৃষ্টি হয় নতুন পরিবেশে টিকে থাকার ক্ষমতা, আবার কখনো সৃষ্টি হয় নতুন প্রজাতি।ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত উন্নত বৈশিষ্ট্যবিশিষ্ট নতুন প্রকরণ সৃষ্টি করা যায়। এভাবেই ফসলি উদ্ভিদের ক্রমাগত উন্নতি সাধন করা হয়।কৃত্রিম উপায়ে ক্রসিং ওভার ঘটিয়ে বংশগতিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব। কাজেই প্রজননবিদ্যায় ক্রসিং ওভারের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।গবেষণার ক্ষেত্রেও ক্রসিং ওভারের গুরুত্ব রয়েছে। কারণ, ক্রোমোসোম দেহে জিনের রেখাকার বিন্যাস/অবস্থান প্রমাণে বা ক্রোমোসোম ম্যাপিং-এ ক্রসিং ওভার বৈশিষ্ট্য ব্যবহৃত হয়।ক্রোমোসোমে জিনের অবস্থান নির্ণয়জেনেটিক ম্যাপ তৈরি করা। ক্রোমোসোমে জিনের নতুন বিন্যাসের ফলে জেনেটিক ভ্যারিয়েশন সৃষ্টি হয় ।অর্থাৎ জীবের জননকোষে জিনের বিন্যাস পরিবর্তিত হয়। ফলে যৌন জননে সৃষ্ট জীবকোষের ক্রোমোসোমেও দেখা যায় জিনের বিন্যাসের আমূল পরিবর্তন। এভাবে যৌন জননের মাধ্যমে সৃষ্ট জীবে বৈচিত্র্য দেখা যায়। এ বৈচিত্র্য ক্রোমোসোমে জিন বিন্যাসের ভিন্নতার কারণেই ঘটে থাকে। আর এ জিন বিন্যাসের ভিন্নতার মূলে রয়েছে ক্রসিং ওভার। যার ফলে জীবকুলে অর্থাৎ জীবের জননকোষে জিনের বিন্যাস পরিবর্তিত হয়। ফলে যৌন জননে সৃষ্ট জীবকোষের ক্রোমোসোমেও দেখা যায় জিনের বিন্যাসের আমূল পরিবর্তন। এভাবে যৌন জননের মাধ্যমে সৃষ্ট জীবে বৈচিত্র্য দেখা যায়। এ বৈচিত্র্য ক্রোমোসোমে জিন বিন্যাসের ভিন্নতার কারণেই ঘটে থাকে। আর এ জিন বিন্যাসের ভিন্নতার মূলে রয়েছে ক্রসিং ওভার।
সুতরাং জীবজগতে জীবকুলে বৈচিত্র্য আনয়নে ক্রসিং ওভারের গুরুত্ব অপরিসীম ।