Chapter 2: কোষ বিভাজন Biology 1st Paper

HSC Biology 1st Paper এর Chapter 2: কোষ বিভাজন অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৫৯৩

প্রশ্ন

Biology 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image
ক
ক্রোমোসোম কী?

উত্তর

ক্রোমোজোম হলো বংশগতির প্রধান উপাদান।
খ
সমীকরণ বিভাজন বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

মাইটোসিস কোষ বিভাজনকে সমীকরণিক বিভাজন বলা হয় । যে বিভাজনে প্রকৃত কোষের নিউক্লিয়াস ও ক্রোমোজোম উভয়ই একবার করে বিভক্ত হয় সমআকৃতির, সমগুণসম্পন্ন, সমানসংখ্যক ক্রোমোজোম বিশিষ্ট দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি করে তাকে মাইটোসিস কোষ বিভাজন বলে। এক্ষেত্রে অপত্য কোষের ক্রোমোজম সংখ্যা, গঠন ও গুণাগুণ মাতৃকোষের অনুরূপ হয় বলে মাইটোসিসকে সমীকরণিক বিভজন বলা হয়।
গ
উদ্দীপকের চিত্র P-তে প্রদর্শিত ধাপটির বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্র P হলো মেটাফেজ ধাপ। মাইটোসিস কোষ বিভাজনের পাঁচটি দশা রয়েছে। এর মধ্যে মেটাফেজ হলো তৃতীয় দশা। নিচে এর বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো- ১) কোষ বিভাজনের মেটাফেজ দশায় মেটাকাইনেসিস ঘটে। ২) এ পর্যায়ে ক্রোমাটিডগুলো সবচেয়ে বেশি মোটা, খাটো ও স্পষ্ট দেখা যায়। ক্রোমোসামের এ খাটো ও মোটা হওয়াকে বলা হয় কন্ডেনসেশন। ৩) একটি অতিমাত্রায় কয়েলিং প্রক্রিয়ায় এটি হয়ে থাকে তাই একে বলা হয় সুপার কয়েলিং। ৪) মেটাফেজ পর্যায়ের শেষ ভাগে প্রতিটি সেন্ট্রোমিয়ার সম্পূর্ণ বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য সেন্ট্রোমিয়ার সৃষ্টি করে।
ঘ
উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্র 'Q′Q^{\prime} যে কোষ বিভাজনের ধাপ তার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত Q চিত্র মায়োসিস কোষ বিভাজনের ধাপ। যে কোষ বিভাজনে নিউক্লিয়াস দুইবার এবং ক্রোমোসোম একবার বিভাজিত হয়, তাকে মায়োসিস কোষ বিভাজন বলে। এ বিভাজনে অপত্য কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক হয়ে যায়। নিচে এর গুরুত্ব দেওয়া হলো- ১। জননকোষ সৃষ্টি: মায়োসিসের ফলে জননকোষ উৎপন্ন হয়, তাই যৌন জননক্ষম জীবে মায়োসিস না ঘটলে বংশবৃদ্ধি অসম্ভব। ২। ক্রোমোসোম সংখ্যা ধ্রুব রাখাঃ প্রজাতিতে বংশানুক্রমে ক্রোমোসোম সংখ্যা ধ্রুব রাখা এ প্রক্রিয়ার জন্যই সম্ভব হচ্ছে। হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদে জাইগোটে এবং ডিপ্লয়েড উদ্ভিদে জনন মাতৃকোষে মায়োসিস না ঘটলে পিতা-মাতা হতে সন্তান-সন্ততিতে ক্রমাগতভাবে পুরুষানুক্রমে ক্রোমোসোম সংখ্যা দ্বিগুণ, চারগুণ, আটগুণ, ষোলগুণ এভাবে বৃদ্ধি পেয়ে জীবজগতে একটি আমূল পরিবর্তন করেই ঘটে যেতো এবং পরিণামে জীবজগৎ ধ্বংস হয়ে যেতো । ৩। প্রজাতির স্বকীয়তা ঠিক রাখাঃ ক্রোমোসোম সংখ্যা সঠিক রাখার মাধ্যমে বংশানুক্রমে প্রতিটি প্রজাতির স্বকীয়তা রক্ষিত হচ্ছে। ৪। বৈচিত্র্যের সৃষ্টি: যৌন প্রজননসম্পন্ন কোনো দুটি জীবই হুবহু এক রকম হয় না। মায়োসিস প্রক্রিয়ায় ক্রসিং ওভারের ফলে পৃথিবীতে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয়েছে। ৫। অভিব্যক্তি: মায়োসিস বৈচিত্র্য, অভিব্যক্তির ধারা ও প্রবাহ বজায় রাখে। ৬। গ্যামিট সৃষ্টি ও বংশবৃদ্ধি: ডিপ্লয়েড জীবে মায়োসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্যামিট সৃষ্টি হয়। গ্যামিটের মিলনের মাধ্যমেই যৌন প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি ঘটে। ৭। জনুঃক্রম: যে সকল জীবের জীবনচক্রে জনুঃক্রম আছে সেখানে মায়োসিস প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে। ৮। মেন্ডেলের সূত্র: মেন্ডেলের সূত্রের ব্যাখ্যা দেয়া মায়োসিস ছাড়া সম্ভব নয়। তাই বলা যায়, জীবজগতে মায়োসিসের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image
ক
ক্রোমোসোম কী?

উত্তর

ক্রোমোজোম হলো বংশগতির প্রধান উপাদান।
খ
সমীকরণ বিভাজন বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

মাইটোসিস কোষ বিভাজনকে সমীকরণিক বিভাজন বলা হয় । যে বিভাজনে প্রকৃত কোষের নিউক্লিয়াস ও ক্রোমোজোম উভয়ই একবার করে বিভক্ত হয় সমআকৃতির, সমগুণসম্পন্ন, সমানসংখ্যক ক্রোমোজোম বিশিষ্ট দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি করে তাকে মাইটোসিস কোষ বিভাজন বলে। এক্ষেত্রে অপত্য কোষের ক্রোমোজম সংখ্যা, গঠন ও গুণাগুণ মাতৃকোষের অনুরূপ হয় বলে মাইটোসিসকে সমীকরণিক বিভজন বলা হয়।
গ
উদ্দীপকের চিত্র P-তে প্রদর্শিত ধাপটির বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্র P হলো মেটাফেজ ধাপ। মাইটোসিস কোষ বিভাজনের পাঁচটি দশা রয়েছে। এর মধ্যে মেটাফেজ হলো তৃতীয় দশা। নিচে এর বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো- ১) কোষ বিভাজনের মেটাফেজ দশায় মেটাকাইনেসিস ঘটে। ২) এ পর্যায়ে ক্রোমাটিডগুলো সবচেয়ে বেশি মোটা, খাটো ও স্পষ্ট দেখা যায়। ক্রোমোসামের এ খাটো ও মোটা হওয়াকে বলা হয় কন্ডেনসেশন। ৩) একটি অতিমাত্রায় কয়েলিং প্রক্রিয়ায় এটি হয়ে থাকে তাই একে বলা হয় সুপার কয়েলিং। ৪) মেটাফেজ পর্যায়ের শেষ ভাগে প্রতিটি সেন্ট্রোমিয়ার সম্পূর্ণ বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য সেন্ট্রোমিয়ার সৃষ্টি করে।
ঘ
উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্র 'Q′Q^{\prime} যে কোষ বিভাজনের ধাপ তার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত Q চিত্র মায়োসিস কোষ বিভাজনের ধাপ। যে কোষ বিভাজনে নিউক্লিয়াস দুইবার এবং ক্রোমোসোম একবার বিভাজিত হয়, তাকে মায়োসিস কোষ বিভাজন বলে। এ বিভাজনে অপত্য কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক হয়ে যায়। নিচে এর গুরুত্ব দেওয়া হলো- ১। জননকোষ সৃষ্টি: মায়োসিসের ফলে জননকোষ উৎপন্ন হয়, তাই যৌন জননক্ষম জীবে মায়োসিস না ঘটলে বংশবৃদ্ধি অসম্ভব। ২। ক্রোমোসোম সংখ্যা ধ্রুব রাখাঃ প্রজাতিতে বংশানুক্রমে ক্রোমোসোম সংখ্যা ধ্রুব রাখা এ প্রক্রিয়ার জন্যই সম্ভব হচ্ছে। হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদে জাইগোটে এবং ডিপ্লয়েড উদ্ভিদে জনন মাতৃকোষে মায়োসিস না ঘটলে পিতা-মাতা হতে সন্তান-সন্ততিতে ক্রমাগতভাবে পুরুষানুক্রমে ক্রোমোসোম সংখ্যা দ্বিগুণ, চারগুণ, আটগুণ, ষোলগুণ এভাবে বৃদ্ধি পেয়ে জীবজগতে একটি আমূল পরিবর্তন করেই ঘটে যেতো এবং পরিণামে জীবজগৎ ধ্বংস হয়ে যেতো । ৩। প্রজাতির স্বকীয়তা ঠিক রাখাঃ ক্রোমোসোম সংখ্যা সঠিক রাখার মাধ্যমে বংশানুক্রমে প্রতিটি প্রজাতির স্বকীয়তা রক্ষিত হচ্ছে। ৪। বৈচিত্র্যের সৃষ্টি: যৌন প্রজননসম্পন্ন কোনো দুটি জীবই হুবহু এক রকম হয় না। মায়োসিস প্রক্রিয়ায় ক্রসিং ওভারের ফলে পৃথিবীতে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয়েছে। ৫। অভিব্যক্তি: মায়োসিস বৈচিত্র্য, অভিব্যক্তির ধারা ও প্রবাহ বজায় রাখে। ৬। গ্যামিট সৃষ্টি ও বংশবৃদ্ধি: ডিপ্লয়েড জীবে মায়োসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্যামিট সৃষ্টি হয়। গ্যামিটের মিলনের মাধ্যমেই যৌন প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি ঘটে। ৭। জনুঃক্রম: যে সকল জীবের জীবনচক্রে জনুঃক্রম আছে সেখানে মায়োসিস প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে। ৮। মেন্ডেলের সূত্র: মেন্ডেলের সূত্রের ব্যাখ্যা দেয়া মায়োসিস ছাড়া সম্ভব নয়। তাই বলা যায়, জীবজগতে মায়োসিসের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2017

ক
সিন্যাপসিস কী?

উত্তর

দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের মধ্যে জোড় সৃষ্টি হওয়াই হলো সিন্যাপসিস।
খ
উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি মায়োসিসে কেন ঘটে না?

উত্তর

উদ্দীপকের কোষচক্র প্রক্রিয়াটি মায়োসিসে ঘটে না, কারণ কোষচক্রের ইন্টারফেজ দশায় DNA অনুলিপন, প্রোটিন সংশ্লেষণ হয় যা মায়োসিসে ঘটার দরকার হয় না। এ কারণে কোষচক্র প্রক্রিয়াটি মায়োসিসে ঘটতে দেখা যায় না।
গ
উদ্দীপকের 'M′M^{\prime} পর্যায়ের যে ধাপে মেটাকাইনেসিস সংঘটিত হয় সে ধাপ বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'M′M^{\prime} পর্যায়টি হলো মাইটোসিস কোষ বিভাজন পর্যায়। এ পর্যায়ের মেটাফেজ ধাপে মেটাকাইনেসিস সংঘটিত হয়। নিচে মেটাফেজ ধাপের বর্ণনা দেওয়া হলো- এ ধাপের শুরুতে নিউক্লিওপর্দা ও নিউক্লিওলাসের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে। স্পিন্ডল যন্ত্রের গঠন সম্পন্ন হয়। স্পিন্ডল যন্ত্রের দু'মেরুর মধ্যবর্তী অংশকে নিরক্ষীয় অঞ্চল বলে। ক্রোমোসোমগুলোর সেন্ট্রোমিয়ার নিরক্ষীয় অঞ্চল বরাবর আসে এবং ক্রোমোসোমাল তন্তুর সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতি ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ার অঞ্চল বিপরীত মেরু থেকে আগত দুটি ট্রাকশন তন্তুর সাথে যুক্ত হয়। এ পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলো সর্বাধিক কুণ্ডলিত থাকায় বেশি খাটো এবং মোটা দেখায়। শেষ পর্যায়ে সেন্ট্রোমিয়ারের বিভাজন শুরু হয়।
ঘ
উদ্দীপকের চিত্রের 'S′S^{\prime} পর্যায়ে সংঘটিত প্রক্রিয়াটি কোষ বিভাজনে আবশ্যক- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'S′S^{\prime} পর্যায়ে সংঘটিত প্রক্রিয়াটি হলো কোষ চক্রের সংশ্লেষণ অর্থাৎ DNA অণুর অনুলিপন বা প্রতিলিপন। কোষ বিভাজনে এ প্রক্রিয়াটির গুরুত্ব অপরিসীম। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো- জীবকোষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বস্তু হলো DNA। বহুকোষী জীবের দেহ গঠনের জন্য জাইগোট কোষকে বারবার বিভাজিত হতে হয়। এককোষী জীবের প্রজনন তথা সংখ্যাবৃদ্ধির জন্যও কোষ বিভাজিত হয়। একটি কোষ বিভাজিত হয়ে দুটি কোষে পরিণত হওয়ার আগেই মাতৃকোষের DNA ডাবল হেলিক্সটিকে দুটি ডাবল হেলিক্সে পরিণত হতে হয়। কোষ বিভাজন শুরু হওয়ার আগে ইন্টারফেজ পর্যায়ে একটি DNA ডাবল হেলিক্স থেকে দুটি ডাবল হেলিক্স তৈরি হয়। কোষ চক্রের 'S′S^{\prime} পর্যায়ে DNA অনুলিপনের ঘটনাটি ঘটে থাকে, যা জীবজগতের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পর্যায়ে সময় ব্যয় হয় মোট সময়ের ৩০-৫০ ভাগ। দেহের বৃদ্ধি ও জনন এবং এর মাধ্যমে বৈশিষ্ট্য পূর্ব পুরুষ থেকে উত্তর পুরুষে স্থানান্তরের জন্য কোষ বিভাজন এবং গ্যামিট সৃষ্টির প্রয়োজন। আর DNA অনুলিপন ছাড়া কোষ বিভাজন অসম্ভব। সুতরাং, এ কথা বলা যায় যে, কোষ বিভাজনের জন্য DNA অনুলিপন প্রক্রিয়াটি আবশ্যক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2017

ক
সিন্যাপসিস কী?

উত্তর

দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের মধ্যে জোড় সৃষ্টি হওয়াই হলো সিন্যাপসিস।
খ
উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি মায়োসিসে কেন ঘটে না?

উত্তর

উদ্দীপকের কোষচক্র প্রক্রিয়াটি মায়োসিসে ঘটে না, কারণ কোষচক্রের ইন্টারফেজ দশায় DNA অনুলিপন, প্রোটিন সংশ্লেষণ হয় যা মায়োসিসে ঘটার দরকার হয় না। এ কারণে কোষচক্র প্রক্রিয়াটি মায়োসিসে ঘটতে দেখা যায় না।
গ
উদ্দীপকের 'M′M^{\prime} পর্যায়ের যে ধাপে মেটাকাইনেসিস সংঘটিত হয় সে ধাপ বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'M′M^{\prime} পর্যায়টি হলো মাইটোসিস কোষ বিভাজন পর্যায়। এ পর্যায়ের মেটাফেজ ধাপে মেটাকাইনেসিস সংঘটিত হয়। নিচে মেটাফেজ ধাপের বর্ণনা দেওয়া হলো- এ ধাপের শুরুতে নিউক্লিওপর্দা ও নিউক্লিওলাসের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে। স্পিন্ডল যন্ত্রের গঠন সম্পন্ন হয়। স্পিন্ডল যন্ত্রের দু'মেরুর মধ্যবর্তী অংশকে নিরক্ষীয় অঞ্চল বলে। ক্রোমোসোমগুলোর সেন্ট্রোমিয়ার নিরক্ষীয় অঞ্চল বরাবর আসে এবং ক্রোমোসোমাল তন্তুর সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতি ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ার অঞ্চল বিপরীত মেরু থেকে আগত দুটি ট্রাকশন তন্তুর সাথে যুক্ত হয়। এ পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলো সর্বাধিক কুণ্ডলিত থাকায় বেশি খাটো এবং মোটা দেখায়। শেষ পর্যায়ে সেন্ট্রোমিয়ারের বিভাজন শুরু হয়।
ঘ
উদ্দীপকের চিত্রের 'S′S^{\prime} পর্যায়ে সংঘটিত প্রক্রিয়াটি কোষ বিভাজনে আবশ্যক- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'S′S^{\prime} পর্যায়ে সংঘটিত প্রক্রিয়াটি হলো কোষ চক্রের সংশ্লেষণ অর্থাৎ DNA অণুর অনুলিপন বা প্রতিলিপন। কোষ বিভাজনে এ প্রক্রিয়াটির গুরুত্ব অপরিসীম। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো- জীবকোষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বস্তু হলো DNA। বহুকোষী জীবের দেহ গঠনের জন্য জাইগোট কোষকে বারবার বিভাজিত হতে হয়। এককোষী জীবের প্রজনন তথা সংখ্যাবৃদ্ধির জন্যও কোষ বিভাজিত হয়। একটি কোষ বিভাজিত হয়ে দুটি কোষে পরিণত হওয়ার আগেই মাতৃকোষের DNA ডাবল হেলিক্সটিকে দুটি ডাবল হেলিক্সে পরিণত হতে হয়। কোষ বিভাজন শুরু হওয়ার আগে ইন্টারফেজ পর্যায়ে একটি DNA ডাবল হেলিক্স থেকে দুটি ডাবল হেলিক্স তৈরি হয়। কোষ চক্রের 'S′S^{\prime} পর্যায়ে DNA অনুলিপনের ঘটনাটি ঘটে থাকে, যা জীবজগতের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পর্যায়ে সময় ব্যয় হয় মোট সময়ের ৩০-৫০ ভাগ। দেহের বৃদ্ধি ও জনন এবং এর মাধ্যমে বৈশিষ্ট্য পূর্ব পুরুষ থেকে উত্তর পুরুষে স্থানান্তরের জন্য কোষ বিভাজন এবং গ্যামিট সৃষ্টির প্রয়োজন। আর DNA অনুলিপন ছাড়া কোষ বিভাজন অসম্ভব। সুতরাং, এ কথা বলা যায় যে, কোষ বিভাজনের জন্য DNA অনুলিপন প্রক্রিয়াটি আবশ্যক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
সিন্যাপসিস কী?

উত্তর

দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের মধ্যে জোড় সৃষ্টি হওয়াই হলো সিন্যাপসিস।
খ
কোষচক্র বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

কোষ সৃষ্টি, এর বৃদ্ধি এবং পরবর্তীতে বিভাজন এ তিনটি কাজ যে চক্রের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় তাকে কোষচক্র বলে। কোষচক্র ইন্টারফেজ এবং মাইটোটিক ফেজ নিয়ে গঠিত। ইন্টারফেজ হলো কোষ বিভাজন শুরু করার প্রস্তুতি পর্ব। আর মাইটোটিক ফেজে প্রোফেজ, প্রো-মেটাফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ ও টেলোফেজ ধাপগুলো ঘটে থাকে।
গ
উদ্দীপকের Q চিহ্নিত ধাপটির চিত্রসহ বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত P চিহ্নিত ধাপটি হলো প্রো-মেটাফেজ। সুতরাং Q চিহ্নিত ধাপটি হলো মেটাফেজ। নিম্নে মেটাফেজ ধাপের চিত্রসহ বর্ণনা দেওয়া হলো- question image এ ধাপের শুরুতে নিউক্লিওপর্দা ও নিউক্লিওলাসের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে। স্পিন্ডল যন্ত্রের গঠন সম্পন্ন হয়। স্পিন্ডল যন্ত্রের দু'মেরুর মধ্যবর্তী অংশকে নিরক্ষীয় অঞ্চল বলে। ক্রোমোসোমগুলোর সেন্ট্রোমিয়ার নিরক্ষীয় অঞ্চল বরাবর আসে এবং ক্রোমোসোমাল তন্তুর সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতি ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ার অঞ্চল বিপরীত মেরু থেকে আগত দুটি ট্র্যাকশন তন্তুর সাথে যুক্ত হয়। এ পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলো সর্বাধিক কুণ্ডলিত থাকায় বেশি খাটো এবং মোটা দেখায়। শেষ পর্যায়ে সেন্ট্রোমিয়ারের বিভাজন শুরু হয়।
ঘ
উদ্দীপকের R চিহ্নিত ধাপটি কিভাবে জীবজগতের উন্নয়ন বিবর্তনে ভূমিকা রাখে তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'R′R^{\prime} চিহ্নিত ধাপটি হলো মায়োসিস কোষ বিভাজনের প্রোফেজ-১ পর্যায়ের প্যাকাইটিন উপ-পর্যায়। জীবজগতের উন্নয়ন ও বিবর্তনে প্যাকাইটিন উপ-পর্যায়ের ভূমিকা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- প্যাকাইটিন উপ-পর্যায়ে কায়াজমা সৃষ্টি মাধ্যমে ক্রসিংওভার সংঘটিত হয়। হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে অংশের বিনিময়কে বলা হয় ক্রসিংওভার। জীবের জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে এবং জীবজগতের উন্নয়ন ও বিবর্তনে ক্রসিংওভার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জীবের সব অদৃশ্য ও দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী একক হলো জিন। জিন-এর অবস্থান ক্রোমোসোমে। জিনগুলো সাধারণ নিয়মে ক্রোমোসোমের DNA অনুসূত্রের একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্ত পর্যন্ত পৃথক ও রৈখিকভাবে পরপর সাজানো থাকে। সাধারণত জনন কোষ মায়োসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। আবার ক্রসিংওভারের ফলে দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে অংশের বিনিময়ের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী জিনের আদান-প্রদান ঘটে। এই জিনের আদান-প্রদানের মাধ্যমে ক্রোমোসোমের বৈশিষ্ট্যেরও পরিবর্তন ঘটে। প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হলে পরবর্তীতে কোষ বিভাজনের শেষে উৎপন্ন অপত্য চারটি কোষেও জিনের বিন্যাসে পরিবর্তন ঘটে। অর্থাৎ জীবের জননকোষে জিনের বিন্যাস পরিবর্তিত হয়। ফলে যৌন জননে সৃষ্ট জীবকোষের ক্রোমোসোমেও দেখা যায় জিনের বিন্যাসের | আমূল পরিবর্তন। এভাবে যৌন জননের মাধ্যমে সৃষ্ট জীবে বৈচিত্র্যতা দেখা যায়। এ বৈচিত্র্য ক্রোমোসোমে জিন বিন্যাসের ভিন্নতার কারণেই ঘটে থাকে। এ বৈচিত্র্য সৃষ্টির মাধ্যমে জীবজগতের উন্নয়ন ও বিবর্তন সংঘটিত হয়। আর ক্রসিংওভারের মাধ্যমে ঘটনাগুলো ঘটে প্যাকাইটিন উপ-পর্যায়ে। তাই বলা যায়, জীবজগতের উন্নয়ন ও বিবর্তনে প্যাকাইটিন উপ- পর্যায়ের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
সিন্যাপসিস কী?

উত্তর

দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের মধ্যে জোড় সৃষ্টি হওয়াই হলো সিন্যাপসিস।
খ
কোষচক্র বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

কোষ সৃষ্টি, এর বৃদ্ধি এবং পরবর্তীতে বিভাজন এ তিনটি কাজ যে চক্রের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় তাকে কোষচক্র বলে। কোষচক্র ইন্টারফেজ এবং মাইটোটিক ফেজ নিয়ে গঠিত। ইন্টারফেজ হলো কোষ বিভাজন শুরু করার প্রস্তুতি পর্ব। আর মাইটোটিক ফেজে প্রোফেজ, প্রো-মেটাফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ ও টেলোফেজ ধাপগুলো ঘটে থাকে।
গ
উদ্দীপকের Q চিহ্নিত ধাপটির চিত্রসহ বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত P চিহ্নিত ধাপটি হলো প্রো-মেটাফেজ। সুতরাং Q চিহ্নিত ধাপটি হলো মেটাফেজ। নিম্নে মেটাফেজ ধাপের চিত্রসহ বর্ণনা দেওয়া হলো- question image এ ধাপের শুরুতে নিউক্লিওপর্দা ও নিউক্লিওলাসের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে। স্পিন্ডল যন্ত্রের গঠন সম্পন্ন হয়। স্পিন্ডল যন্ত্রের দু'মেরুর মধ্যবর্তী অংশকে নিরক্ষীয় অঞ্চল বলে। ক্রোমোসোমগুলোর সেন্ট্রোমিয়ার নিরক্ষীয় অঞ্চল বরাবর আসে এবং ক্রোমোসোমাল তন্তুর সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতি ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ার অঞ্চল বিপরীত মেরু থেকে আগত দুটি ট্র্যাকশন তন্তুর সাথে যুক্ত হয়। এ পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলো সর্বাধিক কুণ্ডলিত থাকায় বেশি খাটো এবং মোটা দেখায়। শেষ পর্যায়ে সেন্ট্রোমিয়ারের বিভাজন শুরু হয়।
ঘ
উদ্দীপকের R চিহ্নিত ধাপটি কিভাবে জীবজগতের উন্নয়ন বিবর্তনে ভূমিকা রাখে তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'R′R^{\prime} চিহ্নিত ধাপটি হলো মায়োসিস কোষ বিভাজনের প্রোফেজ-১ পর্যায়ের প্যাকাইটিন উপ-পর্যায়। জীবজগতের উন্নয়ন ও বিবর্তনে প্যাকাইটিন উপ-পর্যায়ের ভূমিকা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- প্যাকাইটিন উপ-পর্যায়ে কায়াজমা সৃষ্টি মাধ্যমে ক্রসিংওভার সংঘটিত হয়। হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে অংশের বিনিময়কে বলা হয় ক্রসিংওভার। জীবের জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে এবং জীবজগতের উন্নয়ন ও বিবর্তনে ক্রসিংওভার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জীবের সব অদৃশ্য ও দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী একক হলো জিন। জিন-এর অবস্থান ক্রোমোসোমে। জিনগুলো সাধারণ নিয়মে ক্রোমোসোমের DNA অনুসূত্রের একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্ত পর্যন্ত পৃথক ও রৈখিকভাবে পরপর সাজানো থাকে। সাধারণত জনন কোষ মায়োসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। আবার ক্রসিংওভারের ফলে দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে অংশের বিনিময়ের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী জিনের আদান-প্রদান ঘটে। এই জিনের আদান-প্রদানের মাধ্যমে ক্রোমোসোমের বৈশিষ্ট্যেরও পরিবর্তন ঘটে। প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হলে পরবর্তীতে কোষ বিভাজনের শেষে উৎপন্ন অপত্য চারটি কোষেও জিনের বিন্যাসে পরিবর্তন ঘটে। অর্থাৎ জীবের জননকোষে জিনের বিন্যাস পরিবর্তিত হয়। ফলে যৌন জননে সৃষ্ট জীবকোষের ক্রোমোসোমেও দেখা যায় জিনের বিন্যাসের | আমূল পরিবর্তন। এভাবে যৌন জননের মাধ্যমে সৃষ্ট জীবে বৈচিত্র্যতা দেখা যায়। এ বৈচিত্র্য ক্রোমোসোমে জিন বিন্যাসের ভিন্নতার কারণেই ঘটে থাকে। এ বৈচিত্র্য সৃষ্টির মাধ্যমে জীবজগতের উন্নয়ন ও বিবর্তন সংঘটিত হয়। আর ক্রসিংওভারের মাধ্যমে ঘটনাগুলো ঘটে প্যাকাইটিন উপ-পর্যায়ে। তাই বলা যায়, জীবজগতের উন্নয়ন ও বিবর্তনে প্যাকাইটিন উপ- পর্যায়ের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো