প্রথম ও দ্বিতীয় চিত্রে উল্লিখিত বিভাজন প্রক্রিয়ান্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকে আলোচিত কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া দুটি হলো মাইটোসিস ও মায়োসিস বিভাজন প্রক্রিয়া। এদের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা করা হল : পার্থক্যের বিষয় মাইটোসিস মায়োসিস ১। সংঘটন স্থান ২। অপত্য কোষের সংখ্যা ৩। অপত্য কোষের ক্রোমোসোেম সংখ্যা ৪। ইন্টারফেজ পর্যায় ৫। সিন্যাপসিস ও বাইভেলেন্ট ৬। ক্রসিং ওভার ৭। বিবর্তন ও জনুঃক্রম ৮। ক্রোমোমিয়ার ৯। পর্যায় মধ্যক দশা ১০। সেন্ট্রোমিয়ার ১১। DNA রেপ্লিকেশন ১২। নিউক্লিয়াস ও ক্রোমোসোম এর বিভাজন ১৩। সংঘটিত ১৪। মেন্ডেলের সূত্র জীবের দেহকোষে সংঘটিত হয়। ফলে দেহের বৃদ্ধি ঘটে। মাতৃকোষটি বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি হয়। এ বিভাজনে উৎপন্ন অপত্য কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার সমান থাকে। মাইটোসিসের পূর্বের ইন্টারফেজ পর্যায়টি দীর্ঘস্থায়ী। সমসংহ (হোমোলোগাস) ক্রোমোেসােমগুলোর মধ্যে আকর্ষণ না থাকার ফলে সিন্যাপসিস ঘটে না। ফলে বাইভেলেন্ট তৈরি হয় না। ক্রসিং ওভার ঘটে না। ফলে জিনের সজ্জাবিন্যাসের কোন পরিবর্তন ঘটে না। বিবর্তন ও জনুঃক্রমের সাথে মাইটোসিসের কোনো সম্পর্ক নেই। সাধারণত প্রোফেজ ক্রোমোসোমে ক্রোমোমিয়ার দেখা যায় না। নিউক্লিয়াসের পর্যায় মধ্যক দশা দীর্ঘস্থায়ী। মেটাফেজে সেন্ট্রোমিয়ারসহ ক্রোমোসোম অনুদৈর্ঘ্যে বিভক্ত হয়। DNA রেপ্লিকেশন ইন্টারফেজ দশায় সম্পন্ন হয়। নিউক্লিয়াস ও ক্রোমোসোম একবার বিভক্ত হয়। হ্যাপ্লয়েড, ডিপ্লয়েড এবং পলিপ্লয়েড যেকোনো কোষেই হতে পারে। ব্যাখ্যা করা যায় না। জীবের জনন মাতৃকোষে সংঘটিত হয়। ফলে গ্যামিট তৈরি হয়। মাতৃকোষটি বিভাজিত হয়ে চারটি অপত্য কোষের সৃষ্টি হয়। অপত্য কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের। ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক হয়। মায়োসিসের পূর্বের ইন্টারফেজ পর্যায়াট ক্ষণছায়া। সমসংস্থ ক্রোমোসোমগুলোর পারস্পরিক আকর্ষণের কারণে সিন্যাপসিস ঘটে এবং বাইভেলেন্ট তৈরি হয়। ক্রসিং ওভার ঘটে। ফলে জিনের সজ্জাবিন্যাসেরও পরিবর্তন ঘটে। ক্রসিং ওভারের ফলে জীবের মধ্যে নতুন বৈশিষ্ট্যের সৃষ্টি হয়, যা বিবর্তন ও জনুঃক্রমের পথকে সুগম করে। সাধারণত প্রোফেজ ক্রোমোসোমে ক্রোমোমিয়ার দেখা যায়। নিউক্লিয়াসের পর্যায় মধ্যক দশা স্বল্পস্থায়ী। মেটাফেজ-১ এ সেন্ট্রোমিয়ার অবিভক্ত থাকে। DNA রেপ্লিকেশন প্রোফেজ দশায় ঘটে নিউক্লিয়াস দু'বার ও ক্রোমেসোম একবার বিভক্ত হয়। কখনো হ্যাপ্লয়েড কোষে হয় না। ব্যাখ্যা করা যায়।
HSC Biology 1st Paper Chapter 2: কোষ বিভাজন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Biology 1st Paper · Chapter 2: কোষ বিভাজন · সৃজনশীল
প্রথম ও দ্বিতীয় চিত্রে উল্লিখিত বিভাজন প্রক্রিয়ান্বয়ের বৈসাদৃশ্য…
উদ্দীপক
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
● ক্রমাগত সংকোচনের ফলে এ উপ-পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলোকে আরও খাটো ও মোটা দেখা যায়।
● এ পর্যায়ে সর্বপ্রথম বাইভেলেন্টের প্রতিটি ক্রোমোসোমকে সেন্ট্রোমিয়ার ব্যতীত অনুদৈর্ঘ্যে দুটি ক্রোমাটিডে বিভক্ত দেখা যায়, অর্থাৎ প্রতি বাইভেলেন্টে দুটি সেন্ট্রোমিয়ার এবং চারটি ক্রোমাটিড থাকে। এ অবস্থাকে টেট্রাড বলে।
● প্যাকাইটিনের পূর্বে প্রতিটি ক্রোমোসোমের দুটি করে ক্রোমাটিড দৃষ্টিগোচর হয় না।
● একই ক্রোমোসোমের দুটি ক্রোমাটিডকে সিস্টার ক্রোমাটিড বলে এবং একই জোড়ার দুটি ভিন্ন ক্রোমোসোমের ক্রোমাটিডকে নন-সিস্টার ক্রোমাটিড বলে।
● এ উপ-পর্যায়ের শেষের দিকে বাইভেলেন্টের যে কোনো দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিড সম্ভবত একই স্থানে ভেঙে গিয়ে পুনরায় একটির সাথে অন্যটির জোড়া লাগে। ফলে ঐ জোড়ার স্থানে একটি ইংরেজি ' আকৃতির বা ক্রস চিহ্নের মতো অবস্থা সৃষ্টি হয়।
● দুটি (নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের ' আকৃতির তর বা ক্রস চিহ্নের মতো জোড়াস্থলকে একবচনে কায়াজমা এবং বহুবচনে কায়াজমাটা বলে।
● নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে পরস্পর অংশের বিনিময়কে ক্রসিং ওভার বা ক্রস ওভার বলে।উত্তর