উদ্দীপকে বর্ণিত দ্বিতীয় অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। ব্যাকটেরিয়া অঙ্গজ, অযৌন এবং যৌন এই তিনটি পদ্ধতিতে জননকার্য সম্পন্ন করে থাকে। তার মধ্যে অঙ্গজ জনন দ্বিবিভাজন পদ্ধতি ব্যাকটেরিয়ার প্রধান জনন পদ্ধতি। অনুকূল পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া দ্বি-বিভাজন পদ্ধতিতে বংশবিস্তার করে থাকে। এ পদ্ধতিতে একটি ব্যাকটেরিয়া কোষ থেকে দুটিতে পরিণত হয় এবং এভাবেই দ্রুত সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটতে থাকে। নিচে দ্বি-বিভাজন প্রক্রিয়ায় ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাবৃদ্ধি বর্ণনা করা হলো-
১. প্রথমে DNA ব্যাকটেরিয়ার কোষের দুই প্রান্তের মাঝামাঝি অবস্থান নেয় এবং প্লাজমামেমব্রেনের সাথে যুক্ত হয়।
২. প্লাজমামেমব্রেনের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় DNA অনুর প্রতিলিপন ঘটে।
৩. এর ফলে কোষটি লম্বায় বৃদ্ধি পায়। কোষ প্রাচীর এবং প্লাজমামেমব্রেনের বৃদ্ধি কোষের দুই প্রান্তের মাঝখানে ঘটে থাকে।
৪. কোষ প্রাচীর ও প্লাজমামেমব্রেন লম্বায় বৃদ্ধির কারণে DNA রেপ্লিকা দুটি দুই দিকে সরে যায়।
৫. লম্বায় বৃদ্ধিপ্রাপ্ত কোষের মাঝখানে প্লাজমামেমব্রেন ক্রমশ ভেতরের দিকে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত থাকে এবং একই সাথে ঐ অংশে কোষ প্রাচীর সংশ্লেষিত হতে থাকে। এক সময়, একটি কোষ দুটি কোষে পরিণত হয়।
৬. শেষ পর্যায়ে টার্গার প্রেশারের ফলে নতুন অপত্য কোষ দুটি পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায়।
৭. পৃথক অপত্যকোষ দুটি বৃদ্ধি পেয়ে মাতৃকোষের সমান আকারের হয় এবং পুনরায় দ্বি-বিভাজন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে।