উদ্দীপকে আছে, জ্বর এর কারনে সমস্ত শরীরে বিশেষ করে মেরুদন্ডে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়।রক্তে অনুচক্রিকার সংখ্যা করে যায়। অর্থাৎ এটি ডেঙ্গু জ্বর। ফ্ল্যাভিভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে এ জ্বর হয়।
ভাইরাস হলো রোগ সৃষ্টিকারী, অতি আণুবীক্ষণিক, অকোষীয় বাধ্যতামূলক পরজীবী। ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য নিচে উল্লেখ করা হলো-
১। ভাইরাসের সাইটোপ্লাজম, কোষঝিল্লি, কোষপ্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া এসব নেই।
২। এদের নিজস্ব কোনো বিপাকীয় এনজাইম নেই।
৩। ভাইরাস জীবকোষের সাহায্য ছাড়া স্বাধীনভাবে প্রজননক্ষম নয়।
৪। ব্যাকটেরিয়ারোধক ফিল্টারে ভাইরাস ফিল্টারযোগ্য নয়।
৫। ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায়, তলানিকরণ করা যায়।
৬। জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার মতো নিষ্ক্রিয়।
৭। ভাইরাসের দৈহিক বৃদ্ধি নেই।
৮। পোষক কোষের অভ্যন্তরে ভাইরাস সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে।
৯। ভাইরাসের দেহ জেনেটিক বস্তু DNA বা RNA এবং প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
১০। ভাইরাস সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্যতামূলক পরজীবী।
১১। ভাইরাস পরিব্যক্তি ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে পারে।
১২। এদের অভিযোজন ক্ষমতা রয়েছে।
১৩। এদের জিনগত পুনর্বিন্যাস ঘটতে দেখা যায়।