উদ্দীপকে সুমনার রোগের লক্ষণগুলো দেখে সহজেই বোঝা যায় সে ম্যালেরিয়া রোগে আক্রান্ত। ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিরোধে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে।
মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস: মশকী বদ্ধ, পচা পানিতে ডিম পাড়ে এবং সেখানে ডিম ফুটে লার্ভা ও পিউপা দশার বিকাশ ঘটে। তাই মশা নিধনের জন্য মশার জননক্ষেত্রগুলো বিনাশ করাই উত্তম।
মশার লার্ভা ও পিউপা ধ্বংস: যেসব জলাশয়ে মশকী ডিম পাড়ে সেখানে পানির ওপর কেরোসিন বা পেট্রোল জাতীয় তেল ছিটিয়ে দিলে পানির উপর একটি পাতলা স্তর সৃষ্টি হয়। ফলে এ স্তর ভেদ করে মশকীর লার্ভাগুলোর পক্ষে বাতাস গ্রহণ সম্ভবপর না হওয়ায় তারা মারা যায়। বি এইচ সি, ডায়েলড্রিন ইত্যাদি কীটনাশক ওষুধ তেলের সাথে মিশিয়ে পানিতে ছিটিয়ে দিলে মশকীর লার্ভা ও পিউপা মারা যায়। জলাশয়ে কই, খলসে, তেলাপিয়া জাতীয় লার্ভা খাদক মাছ চাষের মাধ্যমে মশকীর লার্ভা ও পিউপা ধ্বংস করা যায়।
পূর্ণাঙ্গ মশকী নিধন: দংশন উদ্যত মশকী হাত বা মসকুইটো র্যাকেট দিয়ে মেরে ফেলা। বিভিন্ন ফাঁদের সাহায্যে মশকী ধরা। বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান যেমন- সালফার ডাইঅক্সাইডের ধোঁয়া মশা তাড়াতে বা মেরে ফেলতে পারে। বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ও বিকিরণ দিয়ে বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টির মাধ্যমে মশার বংশ বিস্তার রোধ করা যায়।
কাজেই, উপরিউক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।