অণুজীব 'L [গণিত] এর সংখ্যাবৃদ্ধির ধাপসমূহ চিত্রের সাহায্যে দেখাও।
উত্তর: উদ্দিপকের "L" অনুজীব টি হচ্ছে ভাইরাস এবং এর সংখ্যা বৃদ্ধির কিছু ধাপ রয়েছে। ভাইরাস হলো প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে গঠিত অকোষীয়, অতিআণুবীক্ষণিক রোগজীবাণু বা রাসায়নিক বস্তু যা শুধুমাত্র উপযুক্ত পোষক কোষের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করতে সক্ষম কিন্তু জীবকোষের বাইরে জড়পদার্থের মতো নিষ্ক্রিয় অবস্থায় বিরাজ করে। এর সংখ্যা বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে লাইটিক চক্র বলে। একে তিনটি ধাপে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো: ১. সংক্রামণ পর্যায়: ব্যাকটেরিয়া কোষের সংস্পর্শে আসা হতে ভাইরাস DNA ব্যাকটেরিয়ামের কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ পর্যন্ত এ পর্যায়ের বিস্তৃতি। i) স্পর্শক তন্তুর সাহায্যে এটি E. coli ব্যাকটেরিয়ামের গায়ে লেগে যায়। ii) লেগে থাকা স্থানের কোষপ্রাচীর ছিদ্র হয়ে যায় এবং ভাইরাস শুধুমাত্র তার DNA ব্যাকটেরিয়াম কোষে অন্তঃক্ষেপ দ্বারা প্রবেশ করিয়ে দেয়। [চিত্র] চিত্র: লাইটিক চক্র ২. সংখ্যাবৃদ্ধি পর্যায়: ভাইরাস DNA ও প্রোটিন আবরণ গঠন এবং নতুন ভাইরাস গঠন পর্যন্ত এ পর্যায়ের বিস্তৃতি। i) অতি অল্প সময়ের মধ্যে ভাইরাস DNA ব্যাকটেরিয়ামের এনজাইমকে এমনভাবে সংঘটিত করে যে তখন সেই কোষের ব্যাকটেরিয়ামের মধ্যে বেশি বেশি শুধু ভাইরাসের DNA এবং সেই সাথে প্রোটিন আবরণ তৈরি হতে থাকে। ii) শেষ পর্যায়ে DNA ও প্রোটিন আবরণ মিলে নতুন ভাইরাস সৃষ্টি করে। ৩. বিগলন পর্যায়: ব্যাকটেরিয়ামের কোষপ্রাচীর ছিন্ন করে নতুন ভাইরাসগুলোর বের হয়ে আসাকে বিগলন পর্যায় বলে । i) সর্বশেষে ব্যাকটেরিয়ামের কোষ ছিন্ন করে নতুন ভাইরাসগুলো বের হয়ে আসে। এভাবে মাত্র ৩০ মিনিট সময়ের মধ্যে ৩০০ নতুন ভাইরাস সৃষ্টি হতে পারে।
HSC Biology 1st Paper Chapter 4: অণুজীব CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Biology 1st Paper · Chapter 4: অণুজীব · সৃজনশীল
অণুজীব 'L এর সংখ্যাবৃদ্ধির ধাপসমূহ চিত্রের সাহায্যে দেখাও।
উদ্দীপক

Jessore · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
চিত্র: লাইটিক চক্র
২. সংখ্যাবৃদ্ধি পর্যায়: ভাইরাস DNA ও প্রোটিন আবরণ গঠন এবং নতুন ভাইরাস গঠন পর্যন্ত এ পর্যায়ের বিস্তৃতি।
i) অতি অল্প সময়ের মধ্যে ভাইরাস DNA ব্যাকটেরিয়ামের এনজাইমকে এমনভাবে সংঘটিত করে যে তখন সেই কোষের ব্যাকটেরিয়ামের মধ্যে বেশি বেশি শুধু ভাইরাসের DNA এবং সেই সাথে প্রোটিন আবরণ তৈরি হতে থাকে।
ii) শেষ পর্যায়ে DNA ও প্রোটিন আবরণ মিলে নতুন ভাইরাস সৃষ্টি করে।
৩. বিগলন পর্যায়: ব্যাকটেরিয়ামের কোষপ্রাচীর ছিন্ন করে নতুন ভাইরাসগুলোর বের হয়ে আসাকে বিগলন পর্যায় বলে ।
i) সর্বশেষে ব্যাকটেরিয়ামের কোষ ছিন্ন করে নতুন ভাইরাসগুলো বের হয়ে আসে। এভাবে মাত্র ৩০ মিনিট সময়ের মধ্যে ৩০০ নতুন ভাইরাস সৃষ্টি হতে পারে।উত্তর