দ্বিতীয় প্রকার উদ্ভিদ গোষ্ঠীর যে গোত্র বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে গুরত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে তা হলো আবৃতবীজী উদ্ভিদের Poaceae গোত্রের উদ্ভিদ। এদের কিছু গুরত্বপূর্ণ উদ্ভিদের তালিকা দেয়া হল:
Oryza sativa L. (ধান) চাষ করা হয়। বাঙালির প্রধান খাদ্য ভাত আসে ধানের চাল থেকে। পৃথিবীর প্রায় ৬০% লোকের প্রধান খাদ্য ভাত। চিড়া, মুড়ি, পিঠা, পায়েস সবই আসে ধান বা চাল থেকে। খড় উঁচু মানের গো-খাদ্য ও জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ধানের কুড়া থেকে ভোজ্য তেল ও হাঁস-মুরগির খাদ্য প্রস্তুত করা হয়।
Saccharum officinarum L. (আখ, ইক্ষু)। চাষ করা হয়। আখ থেকে গুড়, চিনি, জ্বালানি ইত্যাদি পাওয়া । চিনি কলের বর্জ্য পদার্থ চিটাগুড় (মলাসেস) থেকে ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল, মেথিলেটেড স্পিরিট, দেশী যায় মদ ও ভিনেগার তৈরি করা হয়। আখের ছোবড়া পার্টেক্স তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া জ্বালানির কাজেও ব্যবহার করা হয়।
Triticum aestivum L. (গম) চাষ করা হয়। আটা, সুজি, ময়দা ইত্যাদির জন্য চাষ করা হয়। রুটি, পরোটা,হয়।পাউরুটি, বিস্কুট প্রভৃতি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। গমের খড় গো-খাদ্য ও জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
Zea mays L. (ভুট্টা)। চাষ করা হয়। ভুট্টা থেকে পপকন ও খইসহ বিভিন্ন প্রকার খাদ্যসামগ্রী তৈরি করা হয়। থেকে কর্ণফ্লেক্স তৈরি হয়। হাঁস-মুরগির খাদ্য ও জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
Hordeum vulgare L. (যব বা বার্লি) চাষ করা হয়। যবের আটার জন্য চাষ করা হয়। যবের ছাতু উপাদেয় সহজপাচ্য ও স্বাস্থ্যপ্রদ খাদ্য। হরলিক্স ও কমপ্ল্যান জাতীয় খাদ্যদ্রব্যের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।