Chapter 7: নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ Biology 1st Paper

HSC Biology 1st Paper এর Chapter 7: নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৭৫৫

প্রশ্ন

Biology 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image
ক
সোরাস কী?

উত্তর

পরিণত টেরিস উদ্ভিদে পত্রক এর নিম্নতলে দুই কিনারা বরাবর সারিবদ্ধ ভাবে স্পোরাঞ্জিয়াম উৎপন্ন হয়, এগুলো পাতার কিনারায় একত্রিত হয়ে সোরাস গঠন করে।
খ
অসমরেণুপ্রসূতা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

টেরিডোফাইটায় সৃষ্ট রেণুগুলো সম ও অসম আকৃতির হয়ে থাকে।রেগুলো যখন অসম আকৃতির হয়ে থাকে তখন তাদের অসমরেণুপ্রসূ বা হেটারোস্পোরাস বলা হয়।এই অসম আকৃতির বৈশিষ্ট্যকে অসমরেণুপ্রসূতা বলা হয়। Lycopodium, Silaginella এসব উদ্ভিদে অসমরেনুপ্রসূতা দেখা যায়।
গ
উদ্দীপকের চিত্র 'M′M^{\prime} দ্বারা প্রতিনিধিত্বকারী উদ্ভিদের বিশেষ মূল সৃষ্টির কারণ বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দিপকে চিত্রে সাইকাসের মাইক্রোস্পোরোফিল দেখানো হয়েছে। প্রতিনিধিত্ব কারী উদ্ভিদ সাইকাসের বিশেষ মূল তথা কোরালয়েড মূল সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলোঃ প্রাথমিক পর্যায়ে পাম্ফার্ন নামে পরিচিত Cycas-এ প্রধান মূল থাকে। তবে এটা স্বল্পস্থায়ী হয় কারণ অল্প সময় পরেই প্রধান মূল নষ্ট হয়ে যায়। পরে সেখানে অস্থানিক মূল সৃষ্টি হয়। অস্থানিক মূল কখনো কখনো মাটির ঠিক নিচে বৃদ্ধি পায়। সেখানে ভূমিতলের উপর অসংখ্য খাটো খাটো শাখার সৃষ্টি করে। ভূমির উপরিতলে এই শাখা বিশিষ্ট মূল এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। মূলের মধ্যে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধির সাথে সাথে Nostoc, Anabaena নামক সায়ানোব্যাকটেরিয়া দ্বারাও আক্রান্ত হয়। ফলে আক্রান্ত মূলগুলো স্বাভাবিক সরু না হয়ে বিকৃত আকৃতি ধারণ করে। সে কারণে সামুদ্রিক প্রবাল বা কোরালের মতো দেখায়। কোরালাকৃতির এসব মূলকে কোরালয়েড মূল (coralloid root) বা রুট টিউবারকল (root tubercle) বলে । কোরালয়েড মূলের অন্তর্গঠনে মধ্যকর্টেক্সে Anabaena ও Nostoc অবস্থান করে, এ অংশকে শৈবাল স্তর বলে। সুতরাং আলোচনা থেকে বলা যায় M প্রতিনিধিত্বকারী উদ্ভিদে বিশেষ আকৃতির কোরালয়েড মূল দেখা যায় ।
ঘ
উদ্দীপকে নির্দেশিত M ও N এর মধ্যে তুলনা করো। অধ্যায় ৭- নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র M হলো Cycas উদ্ভিদের মাইক্রোস্পোরোফিল অর্থাৎ পুংরেণুপত্র এবং N হলো মেগাস্পোরোফিল অর্থাৎ স্ত্রীরেণুপত্র।question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image
ক
সোরাস কী?

উত্তর

পরিণত টেরিস উদ্ভিদে পত্রক এর নিম্নতলে দুই কিনারা বরাবর সারিবদ্ধ ভাবে স্পোরাঞ্জিয়াম উৎপন্ন হয়, এগুলো পাতার কিনারায় একত্রিত হয়ে সোরাস গঠন করে।
খ
অসমরেণুপ্রসূতা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

টেরিডোফাইটায় সৃষ্ট রেণুগুলো সম ও অসম আকৃতির হয়ে থাকে।রেগুলো যখন অসম আকৃতির হয়ে থাকে তখন তাদের অসমরেণুপ্রসূ বা হেটারোস্পোরাস বলা হয়।এই অসম আকৃতির বৈশিষ্ট্যকে অসমরেণুপ্রসূতা বলা হয়। Lycopodium, Silaginella এসব উদ্ভিদে অসমরেনুপ্রসূতা দেখা যায়।
গ
উদ্দীপকের চিত্র 'M′M^{\prime} দ্বারা প্রতিনিধিত্বকারী উদ্ভিদের বিশেষ মূল সৃষ্টির কারণ বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দিপকে চিত্রে সাইকাসের মাইক্রোস্পোরোফিল দেখানো হয়েছে। প্রতিনিধিত্ব কারী উদ্ভিদ সাইকাসের বিশেষ মূল তথা কোরালয়েড মূল সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলোঃ প্রাথমিক পর্যায়ে পাম্ফার্ন নামে পরিচিত Cycas-এ প্রধান মূল থাকে। তবে এটা স্বল্পস্থায়ী হয় কারণ অল্প সময় পরেই প্রধান মূল নষ্ট হয়ে যায়। পরে সেখানে অস্থানিক মূল সৃষ্টি হয়। অস্থানিক মূল কখনো কখনো মাটির ঠিক নিচে বৃদ্ধি পায়। সেখানে ভূমিতলের উপর অসংখ্য খাটো খাটো শাখার সৃষ্টি করে। ভূমির উপরিতলে এই শাখা বিশিষ্ট মূল এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। মূলের মধ্যে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধির সাথে সাথে Nostoc, Anabaena নামক সায়ানোব্যাকটেরিয়া দ্বারাও আক্রান্ত হয়। ফলে আক্রান্ত মূলগুলো স্বাভাবিক সরু না হয়ে বিকৃত আকৃতি ধারণ করে। সে কারণে সামুদ্রিক প্রবাল বা কোরালের মতো দেখায়। কোরালাকৃতির এসব মূলকে কোরালয়েড মূল (coralloid root) বা রুট টিউবারকল (root tubercle) বলে । কোরালয়েড মূলের অন্তর্গঠনে মধ্যকর্টেক্সে Anabaena ও Nostoc অবস্থান করে, এ অংশকে শৈবাল স্তর বলে। সুতরাং আলোচনা থেকে বলা যায় M প্রতিনিধিত্বকারী উদ্ভিদে বিশেষ আকৃতির কোরালয়েড মূল দেখা যায় ।
ঘ
উদ্দীপকে নির্দেশিত M ও N এর মধ্যে তুলনা করো। অধ্যায় ৭- নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র M হলো Cycas উদ্ভিদের মাইক্রোস্পোরোফিল অর্থাৎ পুংরেণুপত্র এবং N হলো মেগাস্পোরোফিল অর্থাৎ স্ত্রীরেণুপত্র।question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আবিদা ম্যাডাম ক্লাসে প্রথমে সমান্তরাল শিরাবিন্যাস পাতা ও পুষ্প স্পাইকলেট ধরনের উদ্ভিদ নিয়ে আলোচনা করছিলেন। পরে বৃক্কাকার পরাগধানীবিশিষ্ট একটি উদ্ভিদের চিত্র প্রদর্শন করেন।

Barisal · 2017

ক
আইসোগ্যামাস কাকে বলে?

উত্তর

যখন পুং ও স্ত্রী গ্যামিটের মধ্যে বাহ্যিক ও আচরণে কোনো পার্থক্য দেখা যায় না তখন তাকে আইসোগ্যামাস বলে।
খ
পরজীবী বলতে কী বোঝ?

উত্তর

যে জীব আজীবন বা জীবনের কোনো এক বা একাধিক পর্যায়ে জীবন ধারণের জন্য ভিন্ন প্রজাতিভুক্ত জীবদেহের ভেতরে বা বাইরে বাস করে পোষকের ক্ষতিসাধন করে তাকে পরজীবী বলে। যেমন: ম্যালেরিয়া জীবাণু, ইবোলা ভাইরাস ইত্যাদি।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত পরের উদ্ভিদের গোত্রের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তর

উদ্দীপকের B-চিত্রটি Malvaceae গোত্রের। নিচে Malvaceae গোত্রের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো- i. এ গোত্রের উদ্ভিদের কচি অঙ্গ পিচ্ছিল পদার্থযুক্ত। ii. এদের সাধারণত মুক্তপার্শ্বীয় উপপত্র থাকে। iii. পাপড়ির বিন্যাস টুইস্টেড। iv. পুংকেশর বহু, একগুচ্ছ, পুংকেশরীয় নালিকা গঠন করে। V. পরাগধানী বৃক্কাকার ও এক প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। vi. পরাগরেণু বড় ও কণ্টকিত। vii. অমরাবিন্যাস অক্ষীয়।
ঘ
ভূমিক্ষয় রোধ, গবাদি পশুর পালন, খাদ্যের যোগান ও শিল্পে প্রথম গোত্রের উদ্ভিদের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম গোত্রটি হলো Poaceae। এই গোত্রের উদ্ভিদের গুরুত্ব সর্বাধিক। ধান, গম, ভুট্টা, জোয়ার, যব, বার্লি, চিনি, কাউন ইত্যাদি মানুষের প্রধান খাদ্য যোগান দিয়ে থাকে। পৃথিবীর ৬০% লোকের প্রধান খাদ্য ভাত এবং বহু লোকের প্রধান খাদ্য রুটি, হাজার প্রজাতির ঘাস, খড়, গমের ভূমি ইত্যাদি গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি গৃহপালিত পশুর প্রধান খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সুতার সাইজিং করার জন্য বস্ত্র শিল্পে গমের আটা ব্যবহৃত হয়। ভুট্টার জেইন প্রোটিন থেকে কৃত্রিম সুতা তৈরি হয়। শিল্প কারখানায় ভুট্টা খুবই মূল্যবান। বাঁশ, নলখাগড়া ও আখের ছোবড়া থেকে কাগজ তৈরি করা হয়। কিছু ঘাস হতে সুগন্ধি তেল পাওয়া যায়, যা প্রসাধন শিল্পে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও ভূমিক্ষয় রোধে বাঁশ, আখ, ঝাড়ুঘাস ইত্যাদি উদ্ভিদ ব্যবহৃত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আবিদা ম্যাডাম ক্লাসে প্রথমে সমান্তরাল শিরাবিন্যাস পাতা ও পুষ্প স্পাইকলেট ধরনের উদ্ভিদ নিয়ে আলোচনা করছিলেন। পরে বৃক্কাকার পরাগধানীবিশিষ্ট একটি উদ্ভিদের চিত্র প্রদর্শন করেন।

Barisal · 2017

ক
আইসোগ্যামাস কাকে বলে?

উত্তর

যখন পুং ও স্ত্রী গ্যামিটের মধ্যে বাহ্যিক ও আচরণে কোনো পার্থক্য দেখা যায় না তখন তাকে আইসোগ্যামাস বলে।
খ
পরজীবী বলতে কী বোঝ?

উত্তর

যে জীব আজীবন বা জীবনের কোনো এক বা একাধিক পর্যায়ে জীবন ধারণের জন্য ভিন্ন প্রজাতিভুক্ত জীবদেহের ভেতরে বা বাইরে বাস করে পোষকের ক্ষতিসাধন করে তাকে পরজীবী বলে। যেমন: ম্যালেরিয়া জীবাণু, ইবোলা ভাইরাস ইত্যাদি।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত পরের উদ্ভিদের গোত্রের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তর

উদ্দীপকের B-চিত্রটি Malvaceae গোত্রের। নিচে Malvaceae গোত্রের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো- i. এ গোত্রের উদ্ভিদের কচি অঙ্গ পিচ্ছিল পদার্থযুক্ত। ii. এদের সাধারণত মুক্তপার্শ্বীয় উপপত্র থাকে। iii. পাপড়ির বিন্যাস টুইস্টেড। iv. পুংকেশর বহু, একগুচ্ছ, পুংকেশরীয় নালিকা গঠন করে। V. পরাগধানী বৃক্কাকার ও এক প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। vi. পরাগরেণু বড় ও কণ্টকিত। vii. অমরাবিন্যাস অক্ষীয়।
ঘ
ভূমিক্ষয় রোধ, গবাদি পশুর পালন, খাদ্যের যোগান ও শিল্পে প্রথম গোত্রের উদ্ভিদের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম গোত্রটি হলো Poaceae। এই গোত্রের উদ্ভিদের গুরুত্ব সর্বাধিক। ধান, গম, ভুট্টা, জোয়ার, যব, বার্লি, চিনি, কাউন ইত্যাদি মানুষের প্রধান খাদ্য যোগান দিয়ে থাকে। পৃথিবীর ৬০% লোকের প্রধান খাদ্য ভাত এবং বহু লোকের প্রধান খাদ্য রুটি, হাজার প্রজাতির ঘাস, খড়, গমের ভূমি ইত্যাদি গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি গৃহপালিত পশুর প্রধান খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সুতার সাইজিং করার জন্য বস্ত্র শিল্পে গমের আটা ব্যবহৃত হয়। ভুট্টার জেইন প্রোটিন থেকে কৃত্রিম সুতা তৈরি হয়। শিল্প কারখানায় ভুট্টা খুবই মূল্যবান। বাঁশ, নলখাগড়া ও আখের ছোবড়া থেকে কাগজ তৈরি করা হয়। কিছু ঘাস হতে সুগন্ধি তেল পাওয়া যায়, যা প্রসাধন শিল্পে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও ভূমিক্ষয় রোধে বাঁশ, আখ, ঝাড়ুঘাস ইত্যাদি উদ্ভিদ ব্যবহৃত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
সবচেয়ে বড় শুক্রাণু পাওয়া যায় কোন উদ্ভিদে?

উত্তর

সবচেয়ে বড় শুক্রাণু পাওয়া যায় Cycas নামক উদ্ভিদে।
খ
পুষ্প সংকেত বলতে কী বোঝ?

উত্তর

পুষ্পের লিঙ্গ, বিভিন্ন স্তবক, প্রত্যেক স্তবকের সদস্য সংখ্যা ও অবস্থান, তাদের সম ও অসম সংযুক্তি, মঞ্জরিপত্রের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতি প্রভৃতি তথ্য যে সংকেতের সাহায্যে প্রকাশ করা হয় তাকে পুষ্প সংকেত বলে। যেমন- জবা ফুলের পুষ্প সংকেত: question imagequestion image
গ
চিত্র A যে উদ্ভিদাংশ তার মূলের বিশেষ গঠনের কারণ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র 'A′A^{\prime} দ্বারা Cycas -এর মেগাস্পোরোফিলকে নির্দেশ করা হয়েছে। Cycas -এর মূলের গঠন বিশেষ ধরনের, কোরালয়েড প্রকৃতির। প্রাথমিক পর্যায়ে Cycas-এর প্রধান মূল থাকে। ইহা স্বল্পস্থায়ী কারণ কিছু দিনের মধ্যে প্রধান মূল নষ্ট হয়ে যায়। পরে সেখানে অস্থানিক মূল সৃষ্টি হয়। অস্থানিক মূল কখনো কখনো মাটির ঠিক নিচে বৃদ্ধি পায়। সেখানে ভূমিতলের উপর অসংখ্য খাটো খাটো দ্ব্যাগ্র শাখার সৃষ্টি করে। ভূমির উপরিতলে দ্ব্যাগ্র শাখাবিশিষ্ট এ সকল মূল এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। মূলের মধ্যে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধির সাথে সাথে Nostoc, Anabaena নামক সায়ানোব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। ফলে আক্রান্ত মূলগুলো স্বাভাবিক সরু না হয়ে বিকৃত আকৃতি ধারণ করে, যা সামুদ্রিক কোরালের মতো দেখতে। এমন মূলকে কোরালয়েড মূল বলে। কোরালয়েড মূলের অন্তর্গঠনে মধ্য কর্টেক্সে Anabaena ও Nostoc অবস্থান করে, এবং এই অংশকে শৈবাল স্তর বলে।
ঘ
চিত্র A এবং চিত্র B ভিন্ন ভিন্ন উদ্ভিদ গোষ্ঠীর অন্তর্গত- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র 'A′A^{\prime} হলো নগ্নবীজী উদ্ভিদ Cycas-এর মেগাস্পোরোফিল এবং চিত্র 'B′B^{\prime} হলো আবৃতবীজী উদ্ভিদের ফুলের লম্বচ্ছেদ। নগ্নবীজী উদ্ভিদ ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ নিম্নলিখিত বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের কারণে ভিন্ন ভিন্ন উদ্ভিদ গোষ্ঠীর অন্তর্গত। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- নগ্নবীজী উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকে না। গর্ভাশয় না থাকায় ফল উৎপন্ন হয় না। কিন্তু আবৃতবীজী উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকে। আর গর্ভাশয় পরবর্তীতে ফলে পরিণত হয়। ফল হয় তাই আবৃতবীজী উদ্ভিদের বীজ ফলের ভেতরে থাকে। কিন্তু নগ্নবীজী উদ্ভিদের ফল হয় না বলে বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে। নগ্নবীজী উদ্ভিদের পরাগরেণু সরাসরি ডিম্বক রন্দ্রে পতিত হলেও আবৃতবীজী উদ্ভিদের পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে পতিত হয়। আবৃতবীজী উদ্ভিদের দ্বিনিষেক ঘটে, তাই সস্য ট্রিপ্লয়েড। কিন্তু নগ্নবীজী উদ্ভিদের দ্বি-নিষেক ঘটে না, তাই শাঁস হ্যাপ্লয়েড এবং নিষেকের পূর্বে সৃষ্টি হয়। আবৃতবীজী উদ্ভিদের জাইলেম টিস্যুতে প্রকৃত ভেসেল কোষ এবং ফ্লোয়েম টিস্যুতে সঙ্গীকোষ থাকে। কিন্তু নগ্নবীজী উদ্ভিদের জাইলেম টিস্যুতে সত্যিকার ভেসেল কোষ থাকে না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2017

ক
সবচেয়ে বড় শুক্রাণু পাওয়া যায় কোন উদ্ভিদে?

উত্তর

সবচেয়ে বড় শুক্রাণু পাওয়া যায় Cycas নামক উদ্ভিদে।
খ
পুষ্প সংকেত বলতে কী বোঝ?

উত্তর

পুষ্পের লিঙ্গ, বিভিন্ন স্তবক, প্রত্যেক স্তবকের সদস্য সংখ্যা ও অবস্থান, তাদের সম ও অসম সংযুক্তি, মঞ্জরিপত্রের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতি প্রভৃতি তথ্য যে সংকেতের সাহায্যে প্রকাশ করা হয় তাকে পুষ্প সংকেত বলে। যেমন- জবা ফুলের পুষ্প সংকেত: question imagequestion image
গ
চিত্র A যে উদ্ভিদাংশ তার মূলের বিশেষ গঠনের কারণ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র 'A′A^{\prime} দ্বারা Cycas -এর মেগাস্পোরোফিলকে নির্দেশ করা হয়েছে। Cycas -এর মূলের গঠন বিশেষ ধরনের, কোরালয়েড প্রকৃতির। প্রাথমিক পর্যায়ে Cycas-এর প্রধান মূল থাকে। ইহা স্বল্পস্থায়ী কারণ কিছু দিনের মধ্যে প্রধান মূল নষ্ট হয়ে যায়। পরে সেখানে অস্থানিক মূল সৃষ্টি হয়। অস্থানিক মূল কখনো কখনো মাটির ঠিক নিচে বৃদ্ধি পায়। সেখানে ভূমিতলের উপর অসংখ্য খাটো খাটো দ্ব্যাগ্র শাখার সৃষ্টি করে। ভূমির উপরিতলে দ্ব্যাগ্র শাখাবিশিষ্ট এ সকল মূল এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। মূলের মধ্যে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধির সাথে সাথে Nostoc, Anabaena নামক সায়ানোব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। ফলে আক্রান্ত মূলগুলো স্বাভাবিক সরু না হয়ে বিকৃত আকৃতি ধারণ করে, যা সামুদ্রিক কোরালের মতো দেখতে। এমন মূলকে কোরালয়েড মূল বলে। কোরালয়েড মূলের অন্তর্গঠনে মধ্য কর্টেক্সে Anabaena ও Nostoc অবস্থান করে, এবং এই অংশকে শৈবাল স্তর বলে।
ঘ
চিত্র A এবং চিত্র B ভিন্ন ভিন্ন উদ্ভিদ গোষ্ঠীর অন্তর্গত- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র 'A′A^{\prime} হলো নগ্নবীজী উদ্ভিদ Cycas-এর মেগাস্পোরোফিল এবং চিত্র 'B′B^{\prime} হলো আবৃতবীজী উদ্ভিদের ফুলের লম্বচ্ছেদ। নগ্নবীজী উদ্ভিদ ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ নিম্নলিখিত বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের কারণে ভিন্ন ভিন্ন উদ্ভিদ গোষ্ঠীর অন্তর্গত। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- নগ্নবীজী উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকে না। গর্ভাশয় না থাকায় ফল উৎপন্ন হয় না। কিন্তু আবৃতবীজী উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকে। আর গর্ভাশয় পরবর্তীতে ফলে পরিণত হয়। ফল হয় তাই আবৃতবীজী উদ্ভিদের বীজ ফলের ভেতরে থাকে। কিন্তু নগ্নবীজী উদ্ভিদের ফল হয় না বলে বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে। নগ্নবীজী উদ্ভিদের পরাগরেণু সরাসরি ডিম্বক রন্দ্রে পতিত হলেও আবৃতবীজী উদ্ভিদের পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে পতিত হয়। আবৃতবীজী উদ্ভিদের দ্বিনিষেক ঘটে, তাই সস্য ট্রিপ্লয়েড। কিন্তু নগ্নবীজী উদ্ভিদের দ্বি-নিষেক ঘটে না, তাই শাঁস হ্যাপ্লয়েড এবং নিষেকের পূর্বে সৃষ্টি হয়। আবৃতবীজী উদ্ভিদের জাইলেম টিস্যুতে প্রকৃত ভেসেল কোষ এবং ফ্লোয়েম টিস্যুতে সঙ্গীকোষ থাকে। কিন্তু নগ্নবীজী উদ্ভিদের জাইলেম টিস্যুতে সত্যিকার ভেসেল কোষ থাকে না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো