উদ্দীপকের চিত্র দ্বারা নির্দেশিত গোত্রের উদ্ভিদ সমূহ হচ্ছে আবৃতবীজী উদ্ভিদ। যা বিশ্বের খাদ্য চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে।
আবৃতবীজী উদ্ভিদের গর্ভাশয় থাকে এবং বীজ ফলাবরণ দ্বারা আবৃত থাকে। এরা দুই প্রকার যথা: একবীজপত্রী ও দিবীজপত্রী উদ্ভিদ। খাদ্য হিসেবে বিশ্বজুড়ে এর ব্যবহার দৈনন্দিন পরিলক্ষিত হয়ে থাকে।
খাদ্য হিসেবে ব্যবহার:
১. Oryza sativa (ধান): বাঙালির প্রধান খাদ্য ভাত আসে ধানের চাল হয় থেকে। চিড়া, মুড়ি সবই আসে ধান বা চাল থেকে।
২. Saccharum officiarum (আখ, ইক্ষু): আখ থেকে গুড়, চিনি, জ্বালানি ইত্যাদি পাওয়া যায়।
৩. Triticum aestivum (গম): আটা, সুজি, ময়দা ইত্যাদির জন্য চাষ করা হয়।
৪. Zea mays (ভুট্টা): ভুট্টা থেকে খই জাতীয় বিভিন্ন প্রকার খাদ্য তৈরি করা হয়।
৫. Hordeum vulgare (যব): যবের আটার জন্য চাষ করা হয়।
৬. Cymbopogon citratus (লেমন ঘাষ): লেবুর গন্ধযুক্ত ঘাস। সুপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
৭. শিম, বরবটি, ঢেঁড়স, মটরশুঁটি ইত্যাদি সবজি চাষ করা হয়। ঢেঁড়স শারীরিক দুর্বলতা সারতে এবং বহুমূত্র রোগের নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়।
৮.আম, জাম, কাঁঠাল, পেয়ারা, বরই ইত্যাদি ফল চাষ করা হয়।
উপরিউক্ত আলোচনার মাধ্যমে বলা যায় যে, আবৃতবীজী উদ্ভিদ বিশ্বজুড়ে খাদ্য চাহিদা মেটাতে সহায়তা করে। দৈনন্দিন জীবনে এ সকল পুষ্টিকর খাদ্য এজাতীয় উদ্ভিদের অন্তর্গত। খাদ্য মানুষের মৌলিক চাহিদা হিসেবে বিবেচিত। উক্ত গোত্রটি এক্ষেত্রে খাদ্য যোগানের মাধ্যম হিসেবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।