উদ্দীপকে উল্লিখিত B চিহ্নিত অংশটি হলো ক্ষুদ্রান্ত্র। নিচে ক্ষুদ্রান্তে আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাক বর্ণনা করা হলো-
যান্ত্রিক পরিপাক : মিউসিন খাদ্যকে পিচ্ছিল করে, পিত্তরস জীবাণুর কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। পিত্তলবণগুলো ক্ষুদ্রান্ত্রের পেশি সংকোচন বাড়িয়ে খাদ্যের গতিকে বৃদ্ধি করে।
রাসায়নিক পরিপাক : ক্ষুদ্রান্তে অগ্ন্যাশয় রস ক্ষুদ্রান্ত্রে অগ্ন্যাশয় রস থেকে নিঃসৃত এনজাইমগুলো হলো- ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন, কার্বোক্সিপেপটাইডেজ, অ্যামিনোপেপটাইডেজ, ডাইপেপটাইডেজ, ইলাস্টেজ। এরা আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।
১. ট্রিপসিন : প্রোটিওজ ও পেপটোন(ট্রিপসিন) → পলিপেপটাইড।
২. কাইমোট্রিপসিন : প্রোটিওজ ও পেটোন (কাইমোট্রিপসিন) → পলিপেপটাইড ।
৩ অ্যামিনোপেপটাইডেজ : পলিপেপটাইড( অ্যামিনোপেপটাইডেজ )→ অ্যামিনো এসিড।
৪. ডাইপেপটাইডেজ : ডাইপেপটাইড (ডাইপেপটাইডেজ) → অ্যামিনো এসিড।
৫. ইলাস্টেজ: ইলাস্টিন( ইলাস্টেজ) → পেপটাইড।
আন্ত্রিক রসের অ্যামিনোপেপটাইডেজ পলিপেপটাইডকে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে আমিষ জাতীয় খাদ্যের চূড়ান্ত পরিপাক সম্পন্ন করে।