Chapter 3: পরিপাক ও শোষণ Biology 2nd Paper

HSC Biology 2nd Paper এর Chapter 3: পরিপাক ও শোষণ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৫৯৩

প্রশ্ন

Biology 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

Dinajpur · 2017

স্পাইরাকল কী?

উত্তর

কঘাসফড়িংয়ের ট্রাকিয়ালতন্ত্রের উন্মুক্ত ছিদ্রপথই হলো স্পাইরাকল।
"পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রভুগ্রন্থি বলা হয়।"- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

অগ্রমস্তিষ্কে অবস্থিত মানবদেহের সকল গ্রন্থি নিয়ন্ত্রণকারী একটি ক্ষুদ্র গ্রন্থি হলো পিটুইটারি গ্রন্থি। এই গ্রন্থি কর্তৃক নিঃসৃত হরমোনের সংখ্যা অনেক। এসব হরমোন দেহের অন্যান্য অনেক হরমোন নিঃস্রাবী গ্রন্থির কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য পিটুইটারিকে প্রভুগ্রন্থি বলা হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত B অংশে খাদ্যের পরিপাকে পৌষ্টিক গ্রন্থির ভূমিকা বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত B অংশটি হলো পাকস্থলি। পাকস্থলির প্রাচীর পেশিবহুল এবং গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি সমৃদ্ধ। এসব গ্রন্থি পাকস্থলির পরিপাকের বিভিন্ন এনজাইম ও হরমোন ক্ষরণ করে। গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি এক ধরনের নলাকার গ্রন্থি এবং তিন ধরনের কোষ নিয়ে গঠিত। এদের মধ্যে প্যারাইটাল কোষ থেকে HCI, জাইমোজেনিক কোষ থেকে পেপসিনোজেন ও প্রোরেনিন এবং মিউকাস কোষ থেকে মিউকাস নিঃসৃত হয়। সম্মিলিতভাবে গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থির ক্ষরণকে গ্যাস্ট্রিক জুস বলে। গ্যাস্ট্রিন নামক হরমোন এই জুস ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। পাকস্থলি থেকে শর্করাবিশ্লেষী কোনো এনজাইম নিঃসৃত হয় না। গ্যাস্ট্রিক জুসে পেপসিনোজেন এবং প্রোরেনিন নামক প্রোটিওলাইটিক এনজাইম থাকে। এ দুটি নিষ্ক্রিয় এনজাইম, যা HCI-এর সংস্পর্শে সক্রিয় হয়ে যথাক্রমে পেপসিন ও রেনিনে পরিণত হয়। পেপসিন অম্লীয় মাধ্যমে জটিল আমিষের আর্দ্র বিশ্লেষণ ঘটিয়ে প্রোটিওজ ও পেপটোন তৈরি করে। রেনিন দুধের আমিষ কেসিনকে প্যারাকেসিনে পরিণত করে। এভাবে বিভিন্ন পৌষ্টিকগ্রন্থি পাকস্থলিতে খাদ্য পরিপাকে ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকের C অংশে খাদ্যের পরিণতি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের C অংশ হলো ক্ষুদ্রান্ত্র। খাদ্যের অধিকাংশ উপাদান ক্ষুদ্রান্ত্রে পরিপাক ও শোষিত হয়। এখানে খাদ্যের উপর তিন ধরনের রস একসঙ্গে কাজ করে, যেমন- পিত্তরস, অগ্ন্যাশয় রস ও আন্ত্রিক রস। পিত্তরস ক্ষারজাতীয় তরল পদার্থ। এতে কোন এনজাইম থাকে না। পিত্তরসের সোডিয়াম বাইকার্বনেট উপাদানটি পাকস্থলি থেকে আগত HCI-কে প্রশমিত করে ক্ষুদ্রান্তে ক্ষারীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে। পিত্তরসের অবস্থিত পিত্তলবণের প্রভাবে চর্বি জাতীয় খাদ্যগুলো ভেঙ্গে অতি ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়াকে ইমালসিফিকেশন বলে। অগ্ন্যাশয় রসে ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন, কার্বোক্সিপেপটাইডেজ, অ্যামাইলেজ, লাইপেজ, নিউক্লিয়েজ ইত্যাদি এনজাইম থাকে। ট্রিপসিন আন্তিকরসের এন্টারোকাইনেজ এনজাইমের প্রভাবে সক্রিয় হয়ে প্রোটিওজ ও পেপটোন নামক আমিষকে ভেঙ্গে পলিপেপটাইডে পরিণত করে। কার্বোক্সিপেপটাইডেজ পলিপেপটাইডকে ভেঙ্গে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে। অ্যামাইলেজ স্টার্চকে ভেঙ্গে মন্টোজে পরিণত করে। অগ্ন্যাশয়িক লাইপেজ চর্বিকে ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে। অন্ত্রের প্রাচীরে মিউকোসা স্তরের এককোষী গ্রন্থি থেকে আন্ত্রিক রস নিঃসৃত হয়। আন্ত্রিক রসের মধ্যে এন্টারোকাইনেজ, মল্টেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ, অ্যামাইলেজ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম থাকে। এই এনজাইমগুলো জটিল খাদ্য উপাদানগুলোকে শোষণযোগ্য সরল এককে পরিণত করে। পরিপাক ক্রিয়া সম্পন্ন হলে ক্ষুদ্রান্তের অন্তঃপ্রাচীরে অবস্থিত অসংখ্য ক্ষুদ্র অভিক্ষেপ বা ভিলাই এর মাধ্যমে শর্করা, আমিষ, লিপিড শোষিত হয়। শর্করা, গ্লুকোজ ও গ্যালাকটোজ হিসেবে এবং আমিষ, অ্যামিনো এসিড হিসেবে পোর্টাল শিরার মাধ্যমে রক্তে প্রবেশ করে। চর্বির ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারল কাইলোমাইক্রন গঠন করে ভিলাইয়ের লসিকা বাহিকায় শোষিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

Dinajpur · 2017

স্পাইরাকল কী?

উত্তর

কঘাসফড়িংয়ের ট্রাকিয়ালতন্ত্রের উন্মুক্ত ছিদ্রপথই হলো স্পাইরাকল।
"পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রভুগ্রন্থি বলা হয়।"- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

অগ্রমস্তিষ্কে অবস্থিত মানবদেহের সকল গ্রন্থি নিয়ন্ত্রণকারী একটি ক্ষুদ্র গ্রন্থি হলো পিটুইটারি গ্রন্থি। এই গ্রন্থি কর্তৃক নিঃসৃত হরমোনের সংখ্যা অনেক। এসব হরমোন দেহের অন্যান্য অনেক হরমোন নিঃস্রাবী গ্রন্থির কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য পিটুইটারিকে প্রভুগ্রন্থি বলা হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত B অংশে খাদ্যের পরিপাকে পৌষ্টিক গ্রন্থির ভূমিকা বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত B অংশটি হলো পাকস্থলি। পাকস্থলির প্রাচীর পেশিবহুল এবং গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি সমৃদ্ধ। এসব গ্রন্থি পাকস্থলির পরিপাকের বিভিন্ন এনজাইম ও হরমোন ক্ষরণ করে। গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি এক ধরনের নলাকার গ্রন্থি এবং তিন ধরনের কোষ নিয়ে গঠিত। এদের মধ্যে প্যারাইটাল কোষ থেকে HCI, জাইমোজেনিক কোষ থেকে পেপসিনোজেন ও প্রোরেনিন এবং মিউকাস কোষ থেকে মিউকাস নিঃসৃত হয়। সম্মিলিতভাবে গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থির ক্ষরণকে গ্যাস্ট্রিক জুস বলে। গ্যাস্ট্রিন নামক হরমোন এই জুস ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। পাকস্থলি থেকে শর্করাবিশ্লেষী কোনো এনজাইম নিঃসৃত হয় না। গ্যাস্ট্রিক জুসে পেপসিনোজেন এবং প্রোরেনিন নামক প্রোটিওলাইটিক এনজাইম থাকে। এ দুটি নিষ্ক্রিয় এনজাইম, যা HCI-এর সংস্পর্শে সক্রিয় হয়ে যথাক্রমে পেপসিন ও রেনিনে পরিণত হয়। পেপসিন অম্লীয় মাধ্যমে জটিল আমিষের আর্দ্র বিশ্লেষণ ঘটিয়ে প্রোটিওজ ও পেপটোন তৈরি করে। রেনিন দুধের আমিষ কেসিনকে প্যারাকেসিনে পরিণত করে। এভাবে বিভিন্ন পৌষ্টিকগ্রন্থি পাকস্থলিতে খাদ্য পরিপাকে ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকের C অংশে খাদ্যের পরিণতি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের C অংশ হলো ক্ষুদ্রান্ত্র। খাদ্যের অধিকাংশ উপাদান ক্ষুদ্রান্ত্রে পরিপাক ও শোষিত হয়। এখানে খাদ্যের উপর তিন ধরনের রস একসঙ্গে কাজ করে, যেমন- পিত্তরস, অগ্ন্যাশয় রস ও আন্ত্রিক রস। পিত্তরস ক্ষারজাতীয় তরল পদার্থ। এতে কোন এনজাইম থাকে না। পিত্তরসের সোডিয়াম বাইকার্বনেট উপাদানটি পাকস্থলি থেকে আগত HCI-কে প্রশমিত করে ক্ষুদ্রান্তে ক্ষারীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে। পিত্তরসের অবস্থিত পিত্তলবণের প্রভাবে চর্বি জাতীয় খাদ্যগুলো ভেঙ্গে অতি ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়াকে ইমালসিফিকেশন বলে। অগ্ন্যাশয় রসে ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন, কার্বোক্সিপেপটাইডেজ, অ্যামাইলেজ, লাইপেজ, নিউক্লিয়েজ ইত্যাদি এনজাইম থাকে। ট্রিপসিন আন্তিকরসের এন্টারোকাইনেজ এনজাইমের প্রভাবে সক্রিয় হয়ে প্রোটিওজ ও পেপটোন নামক আমিষকে ভেঙ্গে পলিপেপটাইডে পরিণত করে। কার্বোক্সিপেপটাইডেজ পলিপেপটাইডকে ভেঙ্গে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে। অ্যামাইলেজ স্টার্চকে ভেঙ্গে মন্টোজে পরিণত করে। অগ্ন্যাশয়িক লাইপেজ চর্বিকে ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে। অন্ত্রের প্রাচীরে মিউকোসা স্তরের এককোষী গ্রন্থি থেকে আন্ত্রিক রস নিঃসৃত হয়। আন্ত্রিক রসের মধ্যে এন্টারোকাইনেজ, মল্টেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ, অ্যামাইলেজ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম থাকে। এই এনজাইমগুলো জটিল খাদ্য উপাদানগুলোকে শোষণযোগ্য সরল এককে পরিণত করে। পরিপাক ক্রিয়া সম্পন্ন হলে ক্ষুদ্রান্তের অন্তঃপ্রাচীরে অবস্থিত অসংখ্য ক্ষুদ্র অভিক্ষেপ বা ভিলাই এর মাধ্যমে শর্করা, আমিষ, লিপিড শোষিত হয়। শর্করা, গ্লুকোজ ও গ্যালাকটোজ হিসেবে এবং আমিষ, অ্যামিনো এসিড হিসেবে পোর্টাল শিরার মাধ্যমে রক্তে প্রবেশ করে। চর্বির ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারল কাইলোমাইক্রন গঠন করে ভিলাইয়ের লসিকা বাহিকায় শোষিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

Chittagong · 2017

ইমপ্ল্যান্টেশন কাকে বলে?

উত্তর

যে প্রক্রিয়ায় নিষেকের পর ৬ থেকে ৯ দিনের মধ্যে জাইগোটটি ব্লাস্টোসিস্ট অবস্থায় জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়ামে সংস্থাপিত হয় তাকে ইমপ্ল্যান্টেশন বলে।
মালপিজিয়ান বডি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

বৃক্কের কর্টেক্স অঞ্চলে অবস্থিত থলে আকৃতির অংশকে মালপিজিয়ান বডি বলে। এটি নেফ্রনের অগ্রভাগে অবস্থিত। বোম্যান্স ক্যাপসুল ও গ্লোমেরুলাসের সমন্বয়ে মালপিজিয়ান বডি গঠিত। বোম্যান্স ক্যাপসুল পেয়ালাকৃতির এবং এর অভ্যন্তরে কৈশিক জালিকার গুচ্ছ হলো গ্লোমেরুলাস। মালপিজিয়ান বডির অপর নাম রেনাল করপাসল।
উদ্দীপকে 'PP^{\prime} চিহ্নিত অংশে খাদ্য পরিপাকে সংশ্লিষ্ট গ্রন্থি কোষগুলোর নাম ও কাজ লেখো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত P অংশটি হলো পাকস্থলি। পাকস্থলির প্রাচীর পেশিবহুল এবং গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি সমৃদ্ধ। এসব গ্রন্থি পাকস্থলিতে পরিপাকে প্রধান ভূমিকা পালন করে। গ্যাস্ট্রিক বা পাকস্থলির গ্রন্থি এক ধরনের নলাকার গ্রন্থি এবং তিন ধরনের কোষ নিয়ে গঠিত। কোষগুলো হলো প্যারাইটাল কোষ, মিউকাস কোষ এবং জাইমোজেনিক বা পেপটিক কোষ। প্যারাইটাল কোষ হাইড্রোক্লোরিক এসিড ক্ষরণ করে। পেপটিক ও মিউকাস কোষ পেপসিনোজেন ও প্রোরেনিন নামক নিষ্ক্রিয় এনজাইম ক্ষরণ করে, যা HCI-র সংস্পর্শে সক্রিয় পেপসিন ও রেনিনে পরিণত হয়। মিউকাস কোষ মিউকাস ক্ষরণ করে। এই তিনটি কোষের সম্মিলিত ক্ষরণকে গ্যাস্ট্রিক জুস বলে। এছাড়া পাকস্থলি প্রাচীরের মিউকাস স্তর গ্যাস্ট্রিন হরমোন ক্ষরণ করে যা গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থিগুলোর ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
উদ্দীপকের 'QQ^{\prime} অংশ কীভাবে প্রোটিন পরিপাকে ভূমিকা রাখে- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে চিহ্নিত অংশটি হলো অগ্ন্যাশয়, এটি মানুষের পরিপাকতন্ত্রের অন্তর্গত গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থি। আমিষজাতীয় খাদ্য পরিপাকে এ গ্রন্থিটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত অগ্ন্যাশয় রসের এনজাইমগুলো নিম্নরূপে প্রোটিন পরিপাক করে থাকে- ট্রিপসিন এনজাইম প্রোটিওজ ও পেপটোনজাতীয় আমিষ অণুকে পলিপেপটাইডে পরিণত করে। কাইমোট্রিপসিন এনজাইম প্রোটিওজ ও পেপটোনজাতীয় আমিষ অণুকে পলিপেপটাইডে পরিণত করে। কার্বক্সিপেপটাইডেজ এনজাইম পলিপেপটাইডের প্রান্তীয় লিঙ্কেজকে সরল পেপটাইড ও অ্যামিনো এসিডে রূপান্তরিত করে। অ্যামিনোপেপটাইডেজ এনজাইম পলিপেপটাইডকে ভেঙ্গে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে। ট্রাইপেপটাইডেজ এনজাইম ট্রাইপেপটাইডকে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে। ডাইপেপটাইডেজ এনজাইম ডাইপেপটাইডকে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে। কোলাজিনেজ কোলাজেনজাতীয় প্রোটিনকে সরল পেপটাইডে রূপান্তরিত করে। ইলাস্টেজ যোজক কলার প্রোটিন ইলাস্টিনকে ভেঙ্গে পেপটাইড উৎপন্ন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

Chittagong · 2017

ইমপ্ল্যান্টেশন কাকে বলে?

উত্তর

যে প্রক্রিয়ায় নিষেকের পর ৬ থেকে ৯ দিনের মধ্যে জাইগোটটি ব্লাস্টোসিস্ট অবস্থায় জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়ামে সংস্থাপিত হয় তাকে ইমপ্ল্যান্টেশন বলে।
মালপিজিয়ান বডি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

বৃক্কের কর্টেক্স অঞ্চলে অবস্থিত থলে আকৃতির অংশকে মালপিজিয়ান বডি বলে। এটি নেফ্রনের অগ্রভাগে অবস্থিত। বোম্যান্স ক্যাপসুল ও গ্লোমেরুলাসের সমন্বয়ে মালপিজিয়ান বডি গঠিত। বোম্যান্স ক্যাপসুল পেয়ালাকৃতির এবং এর অভ্যন্তরে কৈশিক জালিকার গুচ্ছ হলো গ্লোমেরুলাস। মালপিজিয়ান বডির অপর নাম রেনাল করপাসল।
উদ্দীপকে 'PP^{\prime} চিহ্নিত অংশে খাদ্য পরিপাকে সংশ্লিষ্ট গ্রন্থি কোষগুলোর নাম ও কাজ লেখো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত P অংশটি হলো পাকস্থলি। পাকস্থলির প্রাচীর পেশিবহুল এবং গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি সমৃদ্ধ। এসব গ্রন্থি পাকস্থলিতে পরিপাকে প্রধান ভূমিকা পালন করে। গ্যাস্ট্রিক বা পাকস্থলির গ্রন্থি এক ধরনের নলাকার গ্রন্থি এবং তিন ধরনের কোষ নিয়ে গঠিত। কোষগুলো হলো প্যারাইটাল কোষ, মিউকাস কোষ এবং জাইমোজেনিক বা পেপটিক কোষ। প্যারাইটাল কোষ হাইড্রোক্লোরিক এসিড ক্ষরণ করে। পেপটিক ও মিউকাস কোষ পেপসিনোজেন ও প্রোরেনিন নামক নিষ্ক্রিয় এনজাইম ক্ষরণ করে, যা HCI-র সংস্পর্শে সক্রিয় পেপসিন ও রেনিনে পরিণত হয়। মিউকাস কোষ মিউকাস ক্ষরণ করে। এই তিনটি কোষের সম্মিলিত ক্ষরণকে গ্যাস্ট্রিক জুস বলে। এছাড়া পাকস্থলি প্রাচীরের মিউকাস স্তর গ্যাস্ট্রিন হরমোন ক্ষরণ করে যা গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থিগুলোর ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
উদ্দীপকের 'QQ^{\prime} অংশ কীভাবে প্রোটিন পরিপাকে ভূমিকা রাখে- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে চিহ্নিত অংশটি হলো অগ্ন্যাশয়, এটি মানুষের পরিপাকতন্ত্রের অন্তর্গত গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থি। আমিষজাতীয় খাদ্য পরিপাকে এ গ্রন্থিটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত অগ্ন্যাশয় রসের এনজাইমগুলো নিম্নরূপে প্রোটিন পরিপাক করে থাকে- ট্রিপসিন এনজাইম প্রোটিওজ ও পেপটোনজাতীয় আমিষ অণুকে পলিপেপটাইডে পরিণত করে। কাইমোট্রিপসিন এনজাইম প্রোটিওজ ও পেপটোনজাতীয় আমিষ অণুকে পলিপেপটাইডে পরিণত করে। কার্বক্সিপেপটাইডেজ এনজাইম পলিপেপটাইডের প্রান্তীয় লিঙ্কেজকে সরল পেপটাইড ও অ্যামিনো এসিডে রূপান্তরিত করে। অ্যামিনোপেপটাইডেজ এনজাইম পলিপেপটাইডকে ভেঙ্গে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে। ট্রাইপেপটাইডেজ এনজাইম ট্রাইপেপটাইডকে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে। ডাইপেপটাইডেজ এনজাইম ডাইপেপটাইডকে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে। কোলাজিনেজ কোলাজেনজাতীয় প্রোটিনকে সরল পেপটাইডে রূপান্তরিত করে। ইলাস্টেজ যোজক কলার প্রোটিন ইলাস্টিনকে ভেঙ্গে পেপটাইড উৎপন্ন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

Jessore · 2017

লালা কী?

উত্তর

লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত এক ধরনের তরল পদার্থই হলো লালা।
BMI বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

BMI (Body Mass Index) হলো দেহের উচ্চতার সাথে ওজনের সামঞ্জস্য রক্ষা করার সূচক। question image এর মাধ্যমে দেহের স্থূলতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। BMI-র মান বেশি হলে তা স্থূলতাজনিত সমস্যা নির্দেশ করে।
উদ্দীপকে A অংশটির পরিপাকে ভূমিকা উল্লেখ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের এ অংশটি হলো যকৃত। পরিপাকে যকৃতের ভূমিকা নিম্নে উল্লেখ করা হলো- দেহের বৃহত্তম গ্রন্থি যকৃত পিত্তরস তৈরি করে যা পিত্তথলিতে জমা থাকে। পিত্তথলি থেকে পিত্তনালি এসে অগ্ন্যাশয় নালির সাথে মিলিত হয়ে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। পিত্তনালি বাহিত পিত্তরস একটি ক্ষারীয় রাসায়নিক পদার্থ। পিত্তরসের পিত্তলবণের প্রভাবে ইমালসিফিকেশন প্রক্রিয়ায় চর্বি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। পিত্তরসে কোনো এনজাইম থাকে না। এই রসের সোডিয়াম বাইকার্বনেট উপাদানটি পাকস্থলি থেকে আগত পাকমন্ডের HCI-কে প্রশমিত করে এবং এর প্রভাবে ডিওডেনামে ক্ষারীয় মাধ্যম সূচিত হয়। এই ক্ষারীয় মাধ্যমে পরিপাককারী বিভিন্ন এনজাইমসমূহ ডিওডেনামে সক্রিয় হয়। এভাবেই উদ্দীপকে চিত্রিত A অংশ অর্থাৎ যকৃত পরিপাকে ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত B অংশটিতে যান্ত্রিক পরিপাক প্রক্রিয়া উল্লেখ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত B অংশটি হলো পাকস্থলি। পাকস্থলিতে যান্ত্রিক পরিপাক তিনভাবে ঘটে থাকে যা নিম্নরূপ- খাদ্য জমা রাখা: খাবার যখন পাকস্থলিতে প্রবেশ করে তখন এর পেশিবহুল দেয়াল ক্রমশ প্রসারিত হতে থাকে। ফলে নতুন গৃহীত খাবার পাকস্থলির প্রথম অংশে প্রবেশ করলে পূর্বের গৃহীত খাবার এর পরবর্তী অংশে অগ্রসর হয়। খাদ্যের মিশ্রণ ও প্রচলন: যে পর্যন্ত খাবার পাকস্থলিতে জমা থাকে সে পর্যন্ত পাকস্থলিতে একটি দুর্বল পেরিস্টালটিক সংকোচনমূলক ঢেউ কাজ করে। প্রতিবার ক্রম সংকোচন ঢেউয়ের ফলে খাবার পাকস্থলির অ্যাট্রাম অংশ হতে পাইলোরাস অংশের মুখে চলে যায় এবং অল্প পরিমাণ খাবার ডিওডেনামে পৌঁছায়। বাকি অধিকাংশ খাবার ঊর্ধ্বমুখী ক্রমসংকোচনের মাধ্যমে অ্যাট্রাম অংশে ফিরে আসে। এভাবে ঘূর্ণায়মান ক্রমসংকোচক বলয়ের সাথে ঊর্ধ্বমুখী সংকোচনমূলক ক্রিয়ার ফলে পাকস্থলির খাবার গ্যাস্ট্রিক রসের সাথে পুনঃ পুনঃ মিশ্রিত হয়। ফলে পাকস্থলির খাবার অর্ধতরল কাইম বা পাকমণ্ডে পরিণত হয়। পাকস্থলি খালিকরণ: পাকস্থলির খালি হওয়া নির্ভর করে পাকস্থলি কতটা খাদ্য পূর্ণ হয়েছে এবং পাকস্থলির ক্রমসংকোচনে ফলে নিঃসৃত গ্যাস্ট্রিন হরমোন কতটা উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে তার উপর। এভাবে পরিপাককৃত খাবার ক্রমশ পাকস্থলির পাইলোরিক স্ফিংকটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে পাকস্থলি থেকে ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনামে প্রবেশ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

Jessore · 2017

লালা কী?

উত্তর

লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত এক ধরনের তরল পদার্থই হলো লালা।
BMI বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

BMI (Body Mass Index) হলো দেহের উচ্চতার সাথে ওজনের সামঞ্জস্য রক্ষা করার সূচক। question image এর মাধ্যমে দেহের স্থূলতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। BMI-র মান বেশি হলে তা স্থূলতাজনিত সমস্যা নির্দেশ করে।
উদ্দীপকে A অংশটির পরিপাকে ভূমিকা উল্লেখ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের এ অংশটি হলো যকৃত। পরিপাকে যকৃতের ভূমিকা নিম্নে উল্লেখ করা হলো- দেহের বৃহত্তম গ্রন্থি যকৃত পিত্তরস তৈরি করে যা পিত্তথলিতে জমা থাকে। পিত্তথলি থেকে পিত্তনালি এসে অগ্ন্যাশয় নালির সাথে মিলিত হয়ে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। পিত্তনালি বাহিত পিত্তরস একটি ক্ষারীয় রাসায়নিক পদার্থ। পিত্তরসের পিত্তলবণের প্রভাবে ইমালসিফিকেশন প্রক্রিয়ায় চর্বি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। পিত্তরসে কোনো এনজাইম থাকে না। এই রসের সোডিয়াম বাইকার্বনেট উপাদানটি পাকস্থলি থেকে আগত পাকমন্ডের HCI-কে প্রশমিত করে এবং এর প্রভাবে ডিওডেনামে ক্ষারীয় মাধ্যম সূচিত হয়। এই ক্ষারীয় মাধ্যমে পরিপাককারী বিভিন্ন এনজাইমসমূহ ডিওডেনামে সক্রিয় হয়। এভাবেই উদ্দীপকে চিত্রিত A অংশ অর্থাৎ যকৃত পরিপাকে ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত B অংশটিতে যান্ত্রিক পরিপাক প্রক্রিয়া উল্লেখ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত B অংশটি হলো পাকস্থলি। পাকস্থলিতে যান্ত্রিক পরিপাক তিনভাবে ঘটে থাকে যা নিম্নরূপ- খাদ্য জমা রাখা: খাবার যখন পাকস্থলিতে প্রবেশ করে তখন এর পেশিবহুল দেয়াল ক্রমশ প্রসারিত হতে থাকে। ফলে নতুন গৃহীত খাবার পাকস্থলির প্রথম অংশে প্রবেশ করলে পূর্বের গৃহীত খাবার এর পরবর্তী অংশে অগ্রসর হয়। খাদ্যের মিশ্রণ ও প্রচলন: যে পর্যন্ত খাবার পাকস্থলিতে জমা থাকে সে পর্যন্ত পাকস্থলিতে একটি দুর্বল পেরিস্টালটিক সংকোচনমূলক ঢেউ কাজ করে। প্রতিবার ক্রম সংকোচন ঢেউয়ের ফলে খাবার পাকস্থলির অ্যাট্রাম অংশ হতে পাইলোরাস অংশের মুখে চলে যায় এবং অল্প পরিমাণ খাবার ডিওডেনামে পৌঁছায়। বাকি অধিকাংশ খাবার ঊর্ধ্বমুখী ক্রমসংকোচনের মাধ্যমে অ্যাট্রাম অংশে ফিরে আসে। এভাবে ঘূর্ণায়মান ক্রমসংকোচক বলয়ের সাথে ঊর্ধ্বমুখী সংকোচনমূলক ক্রিয়ার ফলে পাকস্থলির খাবার গ্যাস্ট্রিক রসের সাথে পুনঃ পুনঃ মিশ্রিত হয়। ফলে পাকস্থলির খাবার অর্ধতরল কাইম বা পাকমণ্ডে পরিণত হয়। পাকস্থলি খালিকরণ: পাকস্থলির খালি হওয়া নির্ভর করে পাকস্থলি কতটা খাদ্য পূর্ণ হয়েছে এবং পাকস্থলির ক্রমসংকোচনে ফলে নিঃসৃত গ্যাস্ট্রিন হরমোন কতটা উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে তার উপর। এভাবে পরিপাককৃত খাবার ক্রমশ পাকস্থলির পাইলোরিক স্ফিংকটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে পাকস্থলি থেকে ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনামে প্রবেশ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ষাটোর্ধ বয়সী 'SS^{\prime}-এর পছন্দনীয় খাবার চর্বিযুক্ত মাংস। প্যাথোলজিক্যাল পর্যবেক্ষণ শেষে ডাক্তার তাকে শারীরিক সমস্যার কারণে চর্বিযুক্ত মাংস পরিহার করার পাশাপাশি শর্করাজাতীয় খাদ্য পরিমিত গ্রহণ করার পরামর্শ দিলেন। তিনি আরও বললেন- "খাদ্য পরিপাকে শুধুমাত্র এনজাইম নয় বরং হরমোনও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।"

Comilla · 2017

ওমাটিডিয়াম কী?

উত্তর

ঘাসফড়িংয়ের পুঞ্জাক্ষির দর্শনের গঠন ও কার্যকরী এককই হলো ওমাটিডিয়াম।
যকৃতকে জৈব রসায়নাগার বলা হয় কেন?

উত্তর

যকৃতে বিভিন্ন ধরনের জৈবরাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে যা দেহের বিপাক প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন- শর্করা বিপাক, ফ্যাট বিপাক, প্রোটিন বিপাক, ইউরিয়া প্রস্তুতি, রক্তের প্রোটিন তৈরি, রক্ত জমাট বাঁধানোর উপাদান প্রস্তুতি, চর্বির অসম্পৃক্তকরণ, লোহিত কণিকার গঠন ও ভাঙন ইত্যাদি। এছাড়া হরমোনের ভাঙন, তাপোৎপাদন, ভিটামিন সংশ্লেষ, পিত্ত উৎপাদন ইত্যাদি বহুবিধ বিক্রিয়াসমূহ যকৃতে ঘটে থাকে। এজন্যই যকৃতকে জৈব রসায়নাগার বলা হয়।
উদ্দীপকে ডাক্তার যে খাদ্য পরিমিত গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছিল সে খাদ্যের মানুষের ক্ষুদ্রান্ত্রে পরিপাক বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে ডাক্তার শর্করাজাতীয় খাদ্য পরিমিত গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। পৌষ্টিকনালির অন্যতম অংশ ক্ষুদ্রান্তে শর্করাজাতীয় খাদ্য পরিপাক হয় মূলত অগ্ন্যাশয় রস ও আন্ত্রিক রসের এনজাইমের প্রভাবে। এসব এনজাইমসমূহ নিম্নরূপে পরিপাকে ভূমিকা রাখে: i. অ্যামাইলেজ এনজাইম স্টার্চ ও গ্লাইকোজেন জাতীয় জটিল শর্করাকে ভেজো মল্টোজে পরিণত করে। ii. মল্টেজ এনজাইম মল্টোজ জাতীয় শর্করাকে গ্লুকোজে পরিণত করে। iii. আইসোমল্টেজ এনজাইম আইসোমল্টোজ জাতীয় শর্করাকে আদ্রবিশিষ্ট করে মল্টোজ ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। iv. সুক্রেজ এনজাইম সুক্রোজ নামক ডাইস্যাকারাইডকে ভেঙে এক অণু গ্লুকোজ ও এক অণু ফ্রুক্টোজ তৈরি করে। V. ল্যাকটেজ দুধের ল্যাকটোজ নামক ডাইস্যাকারাইডকে ভেঙে এক অণু গ্লুকোজ ও এক অণু গ্যালাকটোজ উৎপন্ন করে। এভাবেই ক্ষুদ্রান্তে এনজাইমসমূহের ক্রিয়ায় জটিল শর্করা শোষণ উপযোগী সরল উপাদানে বিশ্লিষ্ট হয়।
উদ্দীপকে ডাক্তারের শেষোক্ত উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে ডাক্তার শেষোক্ত উক্তির মাধ্যমে মানুষের খাদ্য পরিপাকে এনজাইমের পাশাপাশি হরমোনের বিশেষ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন। খাদ্য পরিপাকে নানা ধরনের এনজাইম ভূমিকা রাখলেও এসব এনজাইমকে নিঃসৃত হতে উদ্দীপনা যোগায় এবং নিঃসরণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে বিভিন্ন ধরনের হরমোন। নিচে পরিপাকে হরমোনসমূহের ভূমিকা উল্লেখ করা হলো- i. গ্যাস্ট্রিন: পাকস্থলির প্রাচীর হতে গ্যাস্ট্রিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয়ে পাকস্থলিতে গ্যাস্ট্রিক রস ও HCI ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। ii. সিক্রেটিন: অন্ত্রের প্রাচীর থেকে নিঃসৃত সিক্রেটিন হরমোন এর প্রভাবে অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয় রস ক্ষরিত হয়। এছাড়া এটি রক্ত দ্বারা বাহিত হয়ে পাকস্থলির প্রাচীরকে পেপসিন এনজাইম এবং যকৃতকে পিত্তরস ক্ষরণে উদ্দীপিত করে। iii . কোলেসিস্টোকাইনিন: ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাচীর হতে কোলেসিস্টোকাইনিন হরমোন ক্ষরিত হয়। এটি অগ্ন্যাশয়ের বৃদ্ধি ও বিকাশ এবং অগ্ন্যাশয় রস ক্ষরণে উদ্দীপনা যোগায়। এছাড়া এটি পিত্তথলি থেকে পিত্তরস বের হতে উদ্দীপনা প্রদান করে। iv. এন্টেরোকাইনিন: ইলিয়ামের প্রাচীর থেকে ক্ষরিত এন্টেরোকাইনিন হরমোনের প্রভাবে ইলিয়ামের প্রাচীরে বিদ্যমান আন্ত্রিক গ্রন্থি থেকে মন্টেজ, সুক্রেজ, ইনভারটেজ ও ল্যাকটেজ এনজাইম নিঃসৃত হয়। V. পেপটাইড YY: ইলিয়ামের প্রাচীর থেকে এ হরমোন ক্ষরিত হয়। এর প্রভাবে অন্ত্রের ভেতর দিয়ে ধীর গতিতে খাদ্য প্রবাহিত হয়, যাতে দক্ষতার সাথে খাদ্যের পরিপাক ও শোষণ সম্পন্ন হয়। vi. গ্যাস্ট্রিক ইনহিবিটরি পেপটাইড: ডিউডেনামের প্রাচীর থেকে এ হরমোন ক্ষরিত হয়। এটি পাকস্থলি থেকে খাদ্য অন্ত্রে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে। কাজেই উদ্দীপকে ডাক্তার সাহেব যথার্থই বলেছেন যে, খাদ্য পরিপাকে শুধু এনজাইম নয় বরং হরমোনও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ষাটোর্ধ বয়সী 'SS^{\prime}-এর পছন্দনীয় খাবার চর্বিযুক্ত মাংস। প্যাথোলজিক্যাল পর্যবেক্ষণ শেষে ডাক্তার তাকে শারীরিক সমস্যার কারণে চর্বিযুক্ত মাংস পরিহার করার পাশাপাশি শর্করাজাতীয় খাদ্য পরিমিত গ্রহণ করার পরামর্শ দিলেন। তিনি আরও বললেন- "খাদ্য পরিপাকে শুধুমাত্র এনজাইম নয় বরং হরমোনও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।"

Comilla · 2017

ওমাটিডিয়াম কী?

উত্তর

ঘাসফড়িংয়ের পুঞ্জাক্ষির দর্শনের গঠন ও কার্যকরী এককই হলো ওমাটিডিয়াম।
যকৃতকে জৈব রসায়নাগার বলা হয় কেন?

উত্তর

যকৃতে বিভিন্ন ধরনের জৈবরাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে যা দেহের বিপাক প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন- শর্করা বিপাক, ফ্যাট বিপাক, প্রোটিন বিপাক, ইউরিয়া প্রস্তুতি, রক্তের প্রোটিন তৈরি, রক্ত জমাট বাঁধানোর উপাদান প্রস্তুতি, চর্বির অসম্পৃক্তকরণ, লোহিত কণিকার গঠন ও ভাঙন ইত্যাদি। এছাড়া হরমোনের ভাঙন, তাপোৎপাদন, ভিটামিন সংশ্লেষ, পিত্ত উৎপাদন ইত্যাদি বহুবিধ বিক্রিয়াসমূহ যকৃতে ঘটে থাকে। এজন্যই যকৃতকে জৈব রসায়নাগার বলা হয়।
উদ্দীপকে ডাক্তার যে খাদ্য পরিমিত গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছিল সে খাদ্যের মানুষের ক্ষুদ্রান্ত্রে পরিপাক বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে ডাক্তার শর্করাজাতীয় খাদ্য পরিমিত গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। পৌষ্টিকনালির অন্যতম অংশ ক্ষুদ্রান্তে শর্করাজাতীয় খাদ্য পরিপাক হয় মূলত অগ্ন্যাশয় রস ও আন্ত্রিক রসের এনজাইমের প্রভাবে। এসব এনজাইমসমূহ নিম্নরূপে পরিপাকে ভূমিকা রাখে: i. অ্যামাইলেজ এনজাইম স্টার্চ ও গ্লাইকোজেন জাতীয় জটিল শর্করাকে ভেজো মল্টোজে পরিণত করে। ii. মল্টেজ এনজাইম মল্টোজ জাতীয় শর্করাকে গ্লুকোজে পরিণত করে। iii. আইসোমল্টেজ এনজাইম আইসোমল্টোজ জাতীয় শর্করাকে আদ্রবিশিষ্ট করে মল্টোজ ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। iv. সুক্রেজ এনজাইম সুক্রোজ নামক ডাইস্যাকারাইডকে ভেঙে এক অণু গ্লুকোজ ও এক অণু ফ্রুক্টোজ তৈরি করে। V. ল্যাকটেজ দুধের ল্যাকটোজ নামক ডাইস্যাকারাইডকে ভেঙে এক অণু গ্লুকোজ ও এক অণু গ্যালাকটোজ উৎপন্ন করে। এভাবেই ক্ষুদ্রান্তে এনজাইমসমূহের ক্রিয়ায় জটিল শর্করা শোষণ উপযোগী সরল উপাদানে বিশ্লিষ্ট হয়।
উদ্দীপকে ডাক্তারের শেষোক্ত উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে ডাক্তার শেষোক্ত উক্তির মাধ্যমে মানুষের খাদ্য পরিপাকে এনজাইমের পাশাপাশি হরমোনের বিশেষ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন। খাদ্য পরিপাকে নানা ধরনের এনজাইম ভূমিকা রাখলেও এসব এনজাইমকে নিঃসৃত হতে উদ্দীপনা যোগায় এবং নিঃসরণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে বিভিন্ন ধরনের হরমোন। নিচে পরিপাকে হরমোনসমূহের ভূমিকা উল্লেখ করা হলো- i. গ্যাস্ট্রিন: পাকস্থলির প্রাচীর হতে গ্যাস্ট্রিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয়ে পাকস্থলিতে গ্যাস্ট্রিক রস ও HCI ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। ii. সিক্রেটিন: অন্ত্রের প্রাচীর থেকে নিঃসৃত সিক্রেটিন হরমোন এর প্রভাবে অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয় রস ক্ষরিত হয়। এছাড়া এটি রক্ত দ্বারা বাহিত হয়ে পাকস্থলির প্রাচীরকে পেপসিন এনজাইম এবং যকৃতকে পিত্তরস ক্ষরণে উদ্দীপিত করে। iii . কোলেসিস্টোকাইনিন: ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাচীর হতে কোলেসিস্টোকাইনিন হরমোন ক্ষরিত হয়। এটি অগ্ন্যাশয়ের বৃদ্ধি ও বিকাশ এবং অগ্ন্যাশয় রস ক্ষরণে উদ্দীপনা যোগায়। এছাড়া এটি পিত্তথলি থেকে পিত্তরস বের হতে উদ্দীপনা প্রদান করে। iv. এন্টেরোকাইনিন: ইলিয়ামের প্রাচীর থেকে ক্ষরিত এন্টেরোকাইনিন হরমোনের প্রভাবে ইলিয়ামের প্রাচীরে বিদ্যমান আন্ত্রিক গ্রন্থি থেকে মন্টেজ, সুক্রেজ, ইনভারটেজ ও ল্যাকটেজ এনজাইম নিঃসৃত হয়। V. পেপটাইড YY: ইলিয়ামের প্রাচীর থেকে এ হরমোন ক্ষরিত হয়। এর প্রভাবে অন্ত্রের ভেতর দিয়ে ধীর গতিতে খাদ্য প্রবাহিত হয়, যাতে দক্ষতার সাথে খাদ্যের পরিপাক ও শোষণ সম্পন্ন হয়। vi. গ্যাস্ট্রিক ইনহিবিটরি পেপটাইড: ডিউডেনামের প্রাচীর থেকে এ হরমোন ক্ষরিত হয়। এটি পাকস্থলি থেকে খাদ্য অন্ত্রে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে। কাজেই উদ্দীপকে ডাক্তার সাহেব যথার্থই বলেছেন যে, খাদ্য পরিপাকে শুধু এনজাইম নয় বরং হরমোনও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

Rajshahi · 2017

লালা কী?

উত্তর

লালাগ্রন্থিসমূহ কর্তৃক নিঃসৃত গন্ধ ও স্বাদবিহীন, স্বচ্ছ, সামান্য ক্ষারীয় পিচ্ছিল তরলই হলো লালা।
স্থূলতা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

দেহের ওজন অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার কারণে যে স্বাস্থ্যগত সমস্যা সৃষ্টি হয় তাকেই স্থূলতা বলে। BMI-র মান ৩০ কেজি/মি' অতিক্রম করলে একজন মানুষ স্থূলতাজনিত সমস্যায় ভুগছে বলে ধরে নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে চর্বি জমার কারণে দেহের উচ্চতার তুলনায় ওজন অনেক বেড়ে যায় যা বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করে।
উদ্দীপকের 'AA^{\prime} অংশের পরিপাকে ভূমিকা উল্লেখ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের A অংশটি হলো যকৃত। দেহের বৃহত্তম গ্রন্থি যকৃত পিত্তরস তৈরি করে যা পিত্তথলিতে জমা থাকে। পিত্তথলি থেকে পিত্তনালি এসে অগ্ন্যাশয় নালির সাথে মিলিত হয়ে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। পিত্তনালি বাহিত পিত্তরস একটি ক্ষারীয় রাসায়নিক পদার্থ। পিত্তরসের পিত্তলবণের প্রভাবে ইমালসিফিকেশন প্রক্রিয়ায় চর্বি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। পিত্তরসে কোনো এনজাইম থাকে না। এই রসের সোডিয়াম বাইকার্বনেট উপাদানটি পাকস্থলি থেকে আগত পাকমন্ডের HCI-কে প্রশমিত করে এবং এর প্রভাবে ডিওডেনামে ক্ষারীয় মাধ্যম সূচিত হয়। এই ক্ষারীয় মাধ্যমে পরিপাককারী বিভিন্ন এনজাইমসমূহ ডিওডেনামে সক্রিয় হয়। এভাবেই উদ্দীপকে চিত্রিত A অংশ অর্থাৎ যকৃত পরিপাকে ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'BB^{\prime} অংশটিতে যান্ত্রিক পরিপাক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত B অংশটি হলো পাকস্থলি। পাকস্থলিতে যান্ত্রিক পরিপাক তিনভাবে ঘটে থাকে যা নিম্নরূপ- খাদ্য জমা রাখা: খাবার যখন পাকস্থলিতে প্রবেশ করে তখন এর পেশিবহুল দেয়াল ক্রমশ প্রসারিত হতে থাকে। ফলে নতুন গৃহীত খাবার পাকস্থলির প্রথম অংশে প্রবেশ করলে পূর্বের গৃহীত খাবার এর পরবর্তী অংশে অগ্রসর হয়। খাদ্যের মিশ্রণ ও প্রচলন: যে পর্যন্ত খাবার পাকস্থলিতে জমা থাকে সে পর্যন্ত পাকস্থলিতে একটি দুর্বল পেরিস্টালটিক সংকোচনমূলক ঢেউ কাজ করে। প্রতিবার ক্রম সংকোচন ঢেউয়ের ফলে খাবার পাকস্থলির অ্যান্ট্রাম অংশ হতে পাইলোরাস অংশের মুখে চলে যায় এবং অল্প পরিমাণ খাবার ডিওডেনামে পৌঁছায়। বাকি অধিকাংশ খাবার ঊর্ধ্বমুখী ক্রমসংকোচনের মাধ্যমে অ্যান্ট্রাম অংশে ফিরে আসে। এভাবে ঘূর্ণায়মান ক্রমসংকোচক বলয়ের সাথে ঊর্ধ্বমুখী সংকোচনমূলক ক্রিয়ার ফলে পাকস্থলির খাবার গ্যাস্ট্রিক রসের সাথে পুনঃ পুনঃ মিশ্রিত হয়। ফলে পাকস্থলির খাবার অর্ধতরল কাইম বা পাকমণ্ডে পরিণত হয়। পাকস্থলি খালিকরণ: পাকস্থলির খালি হওয়া নির্ভর করে পাকস্থলি কতটা খাদ্য পূর্ণ হয়েছে এবং পাকস্থলির ক্রমসংকোচনে ফলে নিঃসৃত গ্যাস্ট্রিন হরমোন কতটা উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে তার উপর। এভাবে পরিপাককৃত খাবার ক্রমশ পাকস্থলির পাইলোরিক স্ফিংকটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে পাকস্থলি থেকে ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনামে প্রবেশ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

Rajshahi · 2017

লালা কী?

উত্তর

লালাগ্রন্থিসমূহ কর্তৃক নিঃসৃত গন্ধ ও স্বাদবিহীন, স্বচ্ছ, সামান্য ক্ষারীয় পিচ্ছিল তরলই হলো লালা।
স্থূলতা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

দেহের ওজন অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার কারণে যে স্বাস্থ্যগত সমস্যা সৃষ্টি হয় তাকেই স্থূলতা বলে। BMI-র মান ৩০ কেজি/মি' অতিক্রম করলে একজন মানুষ স্থূলতাজনিত সমস্যায় ভুগছে বলে ধরে নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে চর্বি জমার কারণে দেহের উচ্চতার তুলনায় ওজন অনেক বেড়ে যায় যা বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করে।
উদ্দীপকের 'AA^{\prime} অংশের পরিপাকে ভূমিকা উল্লেখ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের A অংশটি হলো যকৃত। দেহের বৃহত্তম গ্রন্থি যকৃত পিত্তরস তৈরি করে যা পিত্তথলিতে জমা থাকে। পিত্তথলি থেকে পিত্তনালি এসে অগ্ন্যাশয় নালির সাথে মিলিত হয়ে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। পিত্তনালি বাহিত পিত্তরস একটি ক্ষারীয় রাসায়নিক পদার্থ। পিত্তরসের পিত্তলবণের প্রভাবে ইমালসিফিকেশন প্রক্রিয়ায় চর্বি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। পিত্তরসে কোনো এনজাইম থাকে না। এই রসের সোডিয়াম বাইকার্বনেট উপাদানটি পাকস্থলি থেকে আগত পাকমন্ডের HCI-কে প্রশমিত করে এবং এর প্রভাবে ডিওডেনামে ক্ষারীয় মাধ্যম সূচিত হয়। এই ক্ষারীয় মাধ্যমে পরিপাককারী বিভিন্ন এনজাইমসমূহ ডিওডেনামে সক্রিয় হয়। এভাবেই উদ্দীপকে চিত্রিত A অংশ অর্থাৎ যকৃত পরিপাকে ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'BB^{\prime} অংশটিতে যান্ত্রিক পরিপাক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত B অংশটি হলো পাকস্থলি। পাকস্থলিতে যান্ত্রিক পরিপাক তিনভাবে ঘটে থাকে যা নিম্নরূপ- খাদ্য জমা রাখা: খাবার যখন পাকস্থলিতে প্রবেশ করে তখন এর পেশিবহুল দেয়াল ক্রমশ প্রসারিত হতে থাকে। ফলে নতুন গৃহীত খাবার পাকস্থলির প্রথম অংশে প্রবেশ করলে পূর্বের গৃহীত খাবার এর পরবর্তী অংশে অগ্রসর হয়। খাদ্যের মিশ্রণ ও প্রচলন: যে পর্যন্ত খাবার পাকস্থলিতে জমা থাকে সে পর্যন্ত পাকস্থলিতে একটি দুর্বল পেরিস্টালটিক সংকোচনমূলক ঢেউ কাজ করে। প্রতিবার ক্রম সংকোচন ঢেউয়ের ফলে খাবার পাকস্থলির অ্যান্ট্রাম অংশ হতে পাইলোরাস অংশের মুখে চলে যায় এবং অল্প পরিমাণ খাবার ডিওডেনামে পৌঁছায়। বাকি অধিকাংশ খাবার ঊর্ধ্বমুখী ক্রমসংকোচনের মাধ্যমে অ্যান্ট্রাম অংশে ফিরে আসে। এভাবে ঘূর্ণায়মান ক্রমসংকোচক বলয়ের সাথে ঊর্ধ্বমুখী সংকোচনমূলক ক্রিয়ার ফলে পাকস্থলির খাবার গ্যাস্ট্রিক রসের সাথে পুনঃ পুনঃ মিশ্রিত হয়। ফলে পাকস্থলির খাবার অর্ধতরল কাইম বা পাকমণ্ডে পরিণত হয়। পাকস্থলি খালিকরণ: পাকস্থলির খালি হওয়া নির্ভর করে পাকস্থলি কতটা খাদ্য পূর্ণ হয়েছে এবং পাকস্থলির ক্রমসংকোচনে ফলে নিঃসৃত গ্যাস্ট্রিন হরমোন কতটা উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে তার উপর। এভাবে পরিপাককৃত খাবার ক্রমশ পাকস্থলির পাইলোরিক স্ফিংকটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে পাকস্থলি থেকে ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনামে প্রবেশ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2017

পরিপাক কী?

উত্তর

যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রাণিদেহে ভক্ষনকৃত জটিল অদ্রবণীয় ও কঠিন খাদ্যবস্তু সরল, দ্রবণীয় ও তরল খাদ্যসারে পরিণত হয়ে শোষণ ও আত্তীকরণের উপযোগী উপাদানে পরিণত হয় তাই হলো পরিপাক।
মিশ্রগ্রন্থি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

যে গ্রন্থি একই সাথে বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে তাকে মিশ্রগ্রন্থি বলে। যেমন: অগ্ন্যাশয়। এটা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক কোষগুচ্ছ থেকে বিভিন্ন হরমোন যেমন- ইনসুলিন, গ্লুকাগন ক্ষরণ করে। আবার বহিঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে বিভিন্ন পরিপাককারী এনজাইম (যেমন- ট্রিপসিন, লাইপেজ ইত্যাদি) ক্ষরণ করে।
পরিপাক ক্রিয়ায় 'DD^{\prime} এর অংশের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের D হলো ক্ষুদ্রান্ত্র। পরিপাক ক্রিয়ায় D বা ক্ষুদ্রান্ত্র দুইভাবে কাজ করে। যথা: পরিপাক এনজাইম নিঃসরণ ও পরিপাক সম্পন্ন করা এবং শোষণ সম্পন্ন করা। ক্ষুদ্রান্ত্র হতে শর্করা, লিপিড ও প্রোটিনজাতীয় খাদ্যের পরিপাকের এনজাইম ক্ষরিত হয়। শর্করা পরিপাকের প্রধান এনজাইম হলো অ্যামাইলেজ, মল্টেজ ও সুক্রেজ। এগুলো জটিল শর্করাকে সরল শর্করায় পরিণত করে। লিপিড পরিপাকের এনজাইম হলো লাইপেজ, ফসফোলাইপেজ ইত্যাদি। এরা লিপিডকে ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে। প্রোটিন পরিপাকের এনজাইম হলো অ্যামিনোট্রিপসিন, ট্রাইপেপটাইডেজ, ডাইপেপটাইডেজ ইত্যাদি। এরা পেপটোনকে ভেঙ্গে অ্যামিনো এসিড মুক্ত করে। ক্ষুদ্রান্ত্রের অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পরিপাককৃত খাদ্যের শোষণ। ভিলাইয়ে অবস্থিত ল্যাকটিয়াল ও কৈশিক জালিকা সরল শর্করা, স্নেহ ও অ্যামিনো এসিড শোষণ করে রক্তের মাধ্যমে যকৃতে প্রেরণ করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত A, B ও C অংশের মধ্যে কাজের সমন্বয় না থাকলে কী ঘটবে- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে A হলো পাকস্থলি যেখানে গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি অবস্থিত, B হলো পিত্তথলি এবং C হলো অগ্ন্যাশয়। পাকস্থলির গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি নিঃসৃত রসে HC1, রেনিন এবং পেপসিনোজেন এনজাইম থাকে। HC1 এর ক্রিয়ায় সৃষ্ট অম্লীয় পরিবেশে উক্ত এনজাইম ক্রিয়াশীল হয়। ফলে পাকস্থলিতে আগত খাদ্যবস্তু ক্ষুদ্র অংশে বিশ্লিষ্ট হয়। পাকস্থলি হতে পরিপাক বা অর্ধপরিপাককৃত খাদ্য পাইলোরিক স্ফিংকটার দিয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশ করে। ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে অগ্ন্যাশয় নিঃসৃত সিক্রেটিন বা প্যানক্রিয়-জাইমেজ এনজাইম পাইলোরিক স্ফিংটার পেশীর সংকোচন নিয়ন্ত্রন করে এবং পিত্তরস ক্ষরণে যকৃতকে উদ্দীপনা জোগায়। পিত্তরসের প্রভাবে ক্ষারীয় পরিবেশে অগ্ন্যাশয় ও আন্ত্রিক গ্রন্থি নিঃসৃত এনজাইমসমূহ ক্রিয়াশীল হয়। কাজেই দেখা যাচ্ছে পরিপাক একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া যা পাকস্থলি, যকৃত ও অগ্ন্যাশয়ের সমন্বিত প্রভাবে সম্পন্ন হয়। যেকোনো একটির অভাবে অন্যটির কাজ ব্যাঘাত ঘটে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2017

পরিপাক কী?

উত্তর

যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রাণিদেহে ভক্ষনকৃত জটিল অদ্রবণীয় ও কঠিন খাদ্যবস্তু সরল, দ্রবণীয় ও তরল খাদ্যসারে পরিণত হয়ে শোষণ ও আত্তীকরণের উপযোগী উপাদানে পরিণত হয় তাই হলো পরিপাক।
মিশ্রগ্রন্থি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

যে গ্রন্থি একই সাথে বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে তাকে মিশ্রগ্রন্থি বলে। যেমন: অগ্ন্যাশয়। এটা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক কোষগুচ্ছ থেকে বিভিন্ন হরমোন যেমন- ইনসুলিন, গ্লুকাগন ক্ষরণ করে। আবার বহিঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে বিভিন্ন পরিপাককারী এনজাইম (যেমন- ট্রিপসিন, লাইপেজ ইত্যাদি) ক্ষরণ করে।
পরিপাক ক্রিয়ায় 'DD^{\prime} এর অংশের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের D হলো ক্ষুদ্রান্ত্র। পরিপাক ক্রিয়ায় D বা ক্ষুদ্রান্ত্র দুইভাবে কাজ করে। যথা: পরিপাক এনজাইম নিঃসরণ ও পরিপাক সম্পন্ন করা এবং শোষণ সম্পন্ন করা। ক্ষুদ্রান্ত্র হতে শর্করা, লিপিড ও প্রোটিনজাতীয় খাদ্যের পরিপাকের এনজাইম ক্ষরিত হয়। শর্করা পরিপাকের প্রধান এনজাইম হলো অ্যামাইলেজ, মল্টেজ ও সুক্রেজ। এগুলো জটিল শর্করাকে সরল শর্করায় পরিণত করে। লিপিড পরিপাকের এনজাইম হলো লাইপেজ, ফসফোলাইপেজ ইত্যাদি। এরা লিপিডকে ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে। প্রোটিন পরিপাকের এনজাইম হলো অ্যামিনোট্রিপসিন, ট্রাইপেপটাইডেজ, ডাইপেপটাইডেজ ইত্যাদি। এরা পেপটোনকে ভেঙ্গে অ্যামিনো এসিড মুক্ত করে। ক্ষুদ্রান্ত্রের অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পরিপাককৃত খাদ্যের শোষণ। ভিলাইয়ে অবস্থিত ল্যাকটিয়াল ও কৈশিক জালিকা সরল শর্করা, স্নেহ ও অ্যামিনো এসিড শোষণ করে রক্তের মাধ্যমে যকৃতে প্রেরণ করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত A, B ও C অংশের মধ্যে কাজের সমন্বয় না থাকলে কী ঘটবে- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে A হলো পাকস্থলি যেখানে গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি অবস্থিত, B হলো পিত্তথলি এবং C হলো অগ্ন্যাশয়। পাকস্থলির গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি নিঃসৃত রসে HC1, রেনিন এবং পেপসিনোজেন এনজাইম থাকে। HC1 এর ক্রিয়ায় সৃষ্ট অম্লীয় পরিবেশে উক্ত এনজাইম ক্রিয়াশীল হয়। ফলে পাকস্থলিতে আগত খাদ্যবস্তু ক্ষুদ্র অংশে বিশ্লিষ্ট হয়। পাকস্থলি হতে পরিপাক বা অর্ধপরিপাককৃত খাদ্য পাইলোরিক স্ফিংকটার দিয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশ করে। ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে অগ্ন্যাশয় নিঃসৃত সিক্রেটিন বা প্যানক্রিয়-জাইমেজ এনজাইম পাইলোরিক স্ফিংটার পেশীর সংকোচন নিয়ন্ত্রন করে এবং পিত্তরস ক্ষরণে যকৃতকে উদ্দীপনা জোগায়। পিত্তরসের প্রভাবে ক্ষারীয় পরিবেশে অগ্ন্যাশয় ও আন্ত্রিক গ্রন্থি নিঃসৃত এনজাইমসমূহ ক্রিয়াশীল হয়। কাজেই দেখা যাচ্ছে পরিপাক একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া যা পাকস্থলি, যকৃত ও অগ্ন্যাশয়ের সমন্বিত প্রভাবে সম্পন্ন হয়। যেকোনো একটির অভাবে অন্যটির কাজ ব্যাঘাত ঘটে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো