উদ্দীপকে যে স্বাস্থ্য সমস্যার কথা বলা হয়েছে তা হলো স্থূলতা। স্থূলতার ক্ষতিকর প্রভাব ও প্রতিরোধ সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো-
স্থূলতার ক্ষতিকর প্রভাব: করোনারি হার্ট ডিজিজ, ডায়াবেটিস মেলিটাস, ক্যান্সার (কোলন, স্তন এবং জরায়ুতে), উচ্চ রক্তচাপ, ডিসলিপিডেমিয়া, স্ট্রোক, যকৃত ও পিত্তথলির রোগ, ঘুম ও শ্বসনজনিত সমস্যা, অস্টিওআর্থ্রাটিস, স্ত্রীরোগ (অস্বাভাবিক মাসিক এবং বন্ধ্যাত্ব) কোমার ব্যথা এবং তা স্থায়িত্ব লাভ করা, পেট বেড়ে যায়, কর্মে স্থবিরতা ও অনীহা সৃষ্টি হয়, সৌন্দর্য হ্রাস ইত্যাদি। স্থূলতার কারণে মানুষের জীবনকাল গড়ে ৬/৭ বছর হ্রাস পায়। শরীরে মেদের পরিমাণ বেড়ে গেলে ইনসুলিনের সাড়া প্রদান হ্রাস পায় ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে। এছাড়া শরীরে মেদের পরিমাণ বাড়ার কারণে হার্ট ফেইলিওর, ওভারিয়ান ক্যান্সার, শ্বাসকষ্ট, লো-ব্যাক পেইন, ক্রনিক রেনাল ফেইলিওর ইত্যাদি হতে পারে।
প্রতিরোধ:
১. সুষম খাবার পরিমিত মাত্রায় খাওয়া। অর্থাৎ সুষম খাবার অল্প অল্প করে কয়েকবার খাওয়া, পরিশ্রমের কাজ করা।
২., তেলযুক্ত, ফাস্টফুড খাবার কম খাওয়া ।
৩. প্রতিদিন সকাল বিকালে হাঁটা, ব্যায়াম করা ও সাঁতার কাটা।
৪. কম ক্যালরি ও পুষ্টি সমৃদ্ধ ফল, সবজি ও গোটা শস্য দানা গ্রহণ করা।
৫. নিয়মিত খেলাধুলা করা।
৬. শৈল্য চিকিৎসার মাধ্যমে বেলুন ব্যবহার করে পাকস্থলি ও অন্ত্রের আয়তন কমিয়ে আনা।
৭. চিকিৎসার পর আবার যেন স্থূলতা প্রত্যাবর্তনে সক্ষম না হয় সেজন্য নিয়মমাফিক সঠিকভাবে ব্যায়াম অব্যাহত রাখা।
৮. স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হওয়া।