উদ্দীপকে A এবং C দ্বারা যথাক্রমে তৃতীয় ও দ্বিতীয় শ্রেণির লিভারকে বুঝানো হয়েছে। এই দুটি লিভার চলাচলের জন্য আরামদায়ক হলেও C তথা দ্বিতীয় শ্রেণির লিভার তুলনামূলক বেশি আরামদায়ক। নিচে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলো-
এখানে C দ্বারা দ্বিতীয় শ্রেণির লিভারকে দেখানো হয়েছে। পায়ের আঙ্গুলের ডগায় এরূপ লিভার সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে ভার, ফ্যালক্রাম ও বলের মাঝে অবস্থান করে। এ ধরনের লিভারের সাহায্যে সামান্য প্রচেষ্টায় বেশি ওজনকে উপরে তুলে ধরা সহজ হয়। এ লিভারের কারণে আমরা দ্রুত দৌড়াতে পারি। অপরদিকে A তথা তৃতীয় শ্রেণির লিভারে বল, ফ্যালক্রাম ও ভারের মাঝে অবস্থান করে। কনুই, হাঁটু ইত্যাদিতে এরূপ লিভার সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে ফ্যালক্রাম ও ভারের মাঝে বল অবস্থান করলেও ফ্যালক্রাম ও বল খুব কাছাকাছি অবস্থান করে। বলের চেয়ে ভার বেশি হওয়ায় এক্ষেত্রে কোনো যান্ত্রিক সুবিধা পাওয়া যায় না। তবে বাইসেপস, পেশির সামান্য সংকোচনে সম্মুখ বাহুতে বৃহত্তর সঞ্চালনের সৃষ্টি হয় বলে যান্ত্রিক অসুবিধাটুকু পূরণ হয়ে যায়। অর্থাৎ দ্রুতগতির সঞ্চালন সুবিধা পাওয়া যায়। এ ধরনের লিভারের কারণে আমরা অল্প শক্তি ব্যয় করে অধিক ভার উত্তোলন করতে পারি। তাই তৃতীয় শ্রেণির লিভার থেকে অধিক সুবিধা ভোগ করলেও চলাচলের জন্য দ্বিতীয় শ্রেণির লিভার তুলনামূলক বেশি আরামদায়ক।