উদ্দীপকে উল্লেখিত নমনীয় ও অনমনীয় উপাদান দুটি হলো অস্থি ও তরুণাস্থি। অস্থি ও তরুণাস্থি দিয়ে গঠিত তন্ত্রটি হলো কঙ্কালতন্ত্র।
মানবদেহে কঙ্কালতন্ত্রের গুরুত্ব নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
ক. যান্ত্রিক কাজ:
১. কঙ্কালতন্ত্র মানবদেহের কাঠামো গঠন ও নির্দিষ্ট আকৃতি প্রদান করে।
২. মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাদি যেমন- মস্তিষ্ক, ফুসফুস, হৃৎপিণ্ড, সুষুম্মাকাণ্ড প্রভৃতি বিশেষভাবে নির্মিত কঙ্কালে সুরক্ষিত থাকে।
৩. দেহের অধিকাংশ পেশি, লিগামেন্ট ও টেনডন কঙ্কালে সংযুক্ত থেকে বিভিন্ন অঙ্গের সঞ্চালন ঘটায়।
৪. অস্থিসন্ধি গঠন এবং পেশির সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কঙ্কালতন্ত্র মানুষের চলনে প্রধান ভূমিকা রাখে।
৫. পেশিসমূহ কঙ্কালের সাথে আটকে থেকে দেহের ভারবহন করে।
খ. শারীরবৃত্তীয় কাজ :
১. লাল অস্থিমজ্জা থেকে রক্তকণিকা উৎপাদন করে।
২. বক্ষপিঞ্জর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে এবং মধ্যকর্ণের কর্ণাস্থি শ্রবণে সহযোগিতা করে।
৩. দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় অংশ নেয়।
৪.. ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম 'সঞ্চয় করে এবং প্রয়োজনে রক্তে সরবরাহ করে।
৫. দেহের অভ্যন্তরীণ চাপ নিয়ন্ত্রণে ও আয়নিক সমতা রক্ষায় অস্থিগুলো কাজ করে।