জ উদ্দীপকে উল্লেখিত শিক্ষক ১ম ক্লাসে অস্থিভঙ্গ ও প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। নিচে অস্থিভঙ্গ ও প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হলো-
যখন ব্যাপক চাপে বা আঘাতের ফলে কিংবা রোগের কারণে দেহের কোনো অস্থি অখণ্ডতা হারায় তখন তাকে অস্থিভঙ্গ বলে।
অস্থিভঙ্গ প্রধানত তিন প্রকার। যথা-
১ . সাধারণ বা বদ্ধ ধরনের অস্থিভঙ্গ: এক্ষেত্রে ত্বক অক্ষত থাকে ফলে ভাঙ্গা অস্থি বাহির থেকে বুঝা যায় না।
২. যৌগিক বা মুক্ত ধরনের অস্থিভঙ্গ: এক্ষত্রে ত্বক ও মাংসপেশী ছিড়ে গিয়ে ভাঙ্গা অস্থি বাইরে বের হয়ে আসে।
৩. জটিল বা চাপা অস্থিভঙ্গ: কোন রকম আয়াত ছাড়া যখন কোন অস্থি রোগের কারণে ভেঙ্গে যায় তখন তাকে জটিল বা চাপা অস্থিভঙ্গ বলে।
অস্থিভঙ্গের প্রথমিক চিকিৎসা হলো-
১. অস্থিভঙ্গের মাত্রা ও সঠিক স্থান চিহ্নিত করতে হবে।
২. আঘাত প্রাপ্ত ব্যক্তির নড়াচড়া বন্ধ করতে হবে।
৩. সমস্ত ক্ষত পরিষ্কার করতে হবে।
৪. ভাঙ্গা হাড় যথাস্থানে বসানোর জন্য তার সঙ্গে কাঠের খন্ড বা বাঁশের চটি বেঁধে দিতে হবে।
৫. ভাঙ্গা হাড়ের জায়গাটি যেন ফুলে না উঠে সেজন্য আঘাত পাওয়া জায়গা ৮ - ১০ ইঞ্চি উঁচুতে রাখতে হবে।
৬. অস্থিভঙ্গের জায়গায় বরফ দেওয়া যেতে পারে তবে দেখতে হবে জায়গাটি যেন ঠান্ডায় অসার না হয়ে যায়।