মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্র বা স্বাধীনভাবে মিলনের সূত্রের অনুপাত হলো ৯:৩:৩:১। পরিপূরক জিন একটি এপিস্ট্যাসিস, দ্বৈত প্ৰচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস ইত্যাদি মেন্ডেলের সূত্রের ব্যতিক্রম। দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাটিসের কারণে মেন্ডেলের ২য় সূত্রের অনুপাত পরিবর্তিত হয়ে ৯:৭ হয়। নিচে অনুপাতটি বিশ্লেষণ করা হলো-
ধরি, কথা বলা এর জন্য দায়ী জিন = DD, মুক (কথা না বলা) এর জন্য দায়ী জিন = dd. স্বাভাবিক শ্রবণের জন্য দায়ী জিন = EE,
বধিরতার (কানে না শোনা) জন্য দায়ী জিন = ee.
এখানে ddEE এবং DDee জিনোটাইপধারী ব্যক্তির স্বাভাবিক বাক শ্রবণক্ষম জিন থাকলেও মূক ও বধির হবে। d ও e প্রচ্ছন্ন জিন দ্বৈত অবস্থায় থাকায় প্রকট হোমোজাইগাস জিন DD ও EE বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা পায়। তাই মুকবধিরতা প্রকাশ পায়।
চেকার বোর্ডে দেখা যায় ৭টি সন্তান মুকবধির হয়েছে দ্বৈত প্ৰচ্ছন্ন এপিস্ট্যাটিক জিন থাকার কারণে। ৯ জন সন্তান হয়েছে স্বাভাবিক বাক শ্রবণক্ষম। অতএব বাক শ্রবণক্ষম (সুস্থ) : মুকবধির = ৯ : ৭ সুতরাং উদ্দীপকের F2 বংশধরে ফিনোটাইপিক অনুপাত হবে ৯ : ৭।