মেন্ডেলের আগেও অনেক বিজ্ঞানীর সংকরায়ন পরীক্ষা করেছিলেন। কিন্তু মেন্ডেল প্রথম-এ ধরনের পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে কতগুলো নির্ভুল সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন। তাই এ সাফল্যের মূল কারণগুলো হচ্ছে-
১. তিনি মটরশুঁটি গাছ নিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন, গাছ স্বপরাগী। ফুলের বিশেষ গঠনের জন্য বিপরীত পরাগায়নের সম্ভাবনা কম থাকায় পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম।
২. তিনি বিভিন্ন পরীক্ষায় যেসব উদ্যোগ ব্যবহার করেছিলেন সেগুলো খাঁটি অর্থাৎ হোমোজাইগাস ছিল।
৩. তার বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রতি জোড়া জিনের একটি জিন অন্য জিনের ওপর সম্পূর্ণ প্রকট (dominant) ছিল।
৪. মটরশুঁটির ডিপ্লয়েড কোষের ৭ জোড়া ক্রোমোজোম আছে।
৫. মেন্ডেল যে সাত জোড়া চরিত্র নিয়ে কাজ করেছিলেন, সেগুলো ভিন্ন ভিন্ন ক্রোমোজোম এ অবস্থিত বলে কোন লিকেজ সংক্রান্ত ঝামেলা ঘটনা।
৬. কোন লিংক চরিত্রের সম্মুখীন হলে মেন্ডেল হয়তো বা দ্বিতীয় সূত্রের ব্যাখ্যা দানে ব্যর্থতা। কিন্তু অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয় মেন্ডেলের নির্ধারিত ৭ জোড়া চরিত্রের মধ্যে কোনটাই লিংকড চরিত্র ছিল না।
৭. সংকরায়ন করার আগে তিনি বারবার উদ্বৃত্তগুলোর বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করেছেন।
৮. কোন স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছার জন্য তিনি কয়েক বংশ ধরে উদ্ভিদগুলোর প্রজনন ঘটিয়েছিলেন।
৯. মেন্ডেল অত্যন্ত সতর্কতা ও নিষ্ঠার সাথে তার গবেষণার ফলাফল লিপিবদ্ধ করেছিলেন।
১০. গাণিতিক পদ্ধতিতে মেন্ডেল তার ফলাফলের অর্থপূর্ণ ব্যাখ্যা করেছিলেন।